Ramadan 2021 : রমজান মাসে করোনা, তার ওপর সরকারি বিধিনিষেধ, মাথায় হাত ফল ব্যবসায়ীদের!

রমজানে করোনা কাঁটা, মাথায় হাত ফল-ব্যবসায়ীদের

প্রতিবছরই রমজানে (Ramadan 2021) ফল বিক্রেতাদের (Fruit Sellers) বেশ ভালোই ব্যবসা চলে। এবছর করোনা পরিস্থিতি সত্বেও মোটের ওপর মন্দ চলছিল না বাজার। কিন্তু বাধ সাধলো করোনা মোকাবিলায় সরকারি বিধিনিষেধ ও ক্রমশ বাড়তে থাকা সংক্রমণ।

  • Share this:

    চলছে পবিত্র রমজান মাস (Ramadan 2021)। দিনভর রোজা পালনের পর সন্ধ্যায় নির্দিষ্ট সময়ে ইফতার(Iftar) করে রোজা ভাঙা হয় এই একমাস। ইফতারের থালিতে থাকে নানা রকমের ফলমূল ও শরবত। ওই খেয়েই রোজা ভাঙেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। তাই এই সময়েই বাজারে ফলের চাহিদা থাকে তুঙ্গে। প্রতিবছরই রমজানে ফল বিক্রেতাদের (Fruit Sellers) বেশ ভালই ব্যবসা চলে। এবছর করোনা পরিস্থিতি সত্বেও মোটের ওপর মন্দ চলছিল না বাজার। কিন্তু বাধ সাধলো করোনা মোকাবিলায় সরকারি বিধিনিষেধ ও ক্রমশ বাড়তে থাকা সংক্রমণ। তাই রমজানেও এবারে ফল বিক্রেতাদের ব্যবসায় কিছুটা হলেও ভাঁটা দেখা দিয়েছে। আংশিক লকডাউন ঘোষণার পর থেকেই ব্যবসায় মন্দা দেখা দিয়েছে প্রত্যেকের।

    করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে গোটা দেশ জুড়ে হাহাকার।পশ্চিমবঙ্গের চিত্রটিও ততটাই করুণ। এই রাজ্যের জেলায় জেলায় বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। করোনার সংক্রমণ রুখতে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে নানান বিধিনিষেধ। শহরের বাজার গুলিতে তারই প্রতিচ্ছবি চোখে পড়ছে।

    এছাড়া ফলের দামও এখন আকাশ ছোঁয়া। ফল ব্যবসায়ীরা বলছেন, "প্রথম প্রথম ফল ভালোই বিক্রি হচ্ছিল। করোনার বাড়াবাড়িতে ভালো মত ধাক্কা খেয়েছে বাজার। বিক্রি একদম নামমাত্র। অনেক ফল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অপর এক ফল ব্যবসায়ী বলেন, "এখন ফলের দাম চড়া। এর ফলে বিক্রি অনেক কম। তাছাড়া করোনার ভয়ে অনেকেই বাড়ি থেকে বেরও হচ্ছে না। কেউ কেউ অনলাইনেও বাজার সারছেন। তাই মার খাচ্ছি আমরা।"

    সরকারের তরফে দেওয়া নির্দেশিকায় মাত্র ৫ ঘণ্টা বাজার খোলা রাখার কথা বলা হয়েছে। সময় কম থাকার ফলে ক্রেতাদের দেখাও তেমন মিলছে না। সরকারের দেওয়া নির্দেশিকায় ফলের দোকানকে কোনও ছাড় দেওয়া হয়নি। সেই কারণে জেলা ও কলকাতায় ফল ব্যবসায়ীদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে। রমজানে ফলের দোকানকে ছাড় দেওয়ার আবেদন জানান ফল ব্যবসায়ীরা। তাঁদের বক্তব্য, "করোনার জন্য মানুষও কম আসছে বাজারে। ফলের দোকানগুলোকে কোনও ছাড় দেওয়া হয়নি। আমাদের দোকান লাগাতেই এক ঘণ্টা লেগে যায়। তাই বিক্রিবাটার সময় কমে যাওয়াতেই সমস্যায় পড়ছি।"

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: