corona virus btn
corona virus btn
Loading

ভাড়া বৃদ্ধির দাবি মানল পরিবহণ দফতর, সোমবার থেকেই হয়তো গ্রিন জোনে বেসরকারি বাস

ভাড়া বৃদ্ধির দাবি মানল পরিবহণ দফতর, সোমবার থেকেই হয়তো গ্রিন জোনে বেসরকারি বাস
সোমবার থেকেই হয়তো গ্রিন জোনে বেসরকারি বাস৷ প্রতীকী ছবি

তবে সরকারি পরিবহণ নিগম কেন্দ্রীয় স্তরে যা ভাড়া আছে তা নিয়েই বাস চালাবে। সোমবার থেকে আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলায় পুরোদমে বাস পরিষেবা চালু হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

  • Share this:

#কলকাতা: সোমবার থেকেই হয়তো রাজ্যের জোনে চলতে পারে বেসরকারি বাস। জেলা প্রশাসন ও বাস মালিকদের দ্বন্দ্ব কেটেছে বলেই জানাচ্ছে পরিবহণ দফতর। তবে ভাড়ার তালিকা কেন্দ্রীয় স্তরে না হয়ে, জেলা স্তরেই লকডাউন পরিস্থিতির জন্য বেঁধে দেওয়া হবে বলে সূত্রের খবর।

ইতিমধ্যেই বেসরকারি বাস মালিক সংগঠনের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে স্টেজ প্রতি ভাড়া দ্বিগুণ করতে হবে। তবে তা শুধু লকডাউন যতদিন চলবে ততদিনই। তবে পরিবহণ দফতর সূত্রে খবর, সরকারি বাসের ভাড়া বৃদ্ধি হচ্ছে না। সাধারণ মানুষের একটা বড় অংশের প্রশ্ন এখন ভাড়া বাড়ানো কতটা যুক্তিসঙ্গত। বাস মালিকদের পাল্টা দাবি, ভাড়া বাড়িয়েও আটকানো যাবে না তাঁদের ক্ষতি।

গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের গ্রিন জোনে বাস চলবে কিনা তা নিয়ে চলছে ব্যাপক চর্চা। মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে মুখ্যসচিব, প্রত্যেকেই গ্রিন জোনে বাস চালানোর জন্য বাস মালিক সংগঠনগুলিকে অনুরোধ করেছেন। যদিও পরিবহণ সংগঠনগুলি এখনও রাস্তায় বাস নামায়নি। তাদের যুক্তি, বাস নামাতে রাস্তায় তারাও প্রস্তুত। কিন্তু যে টাকা বাস চালাতে গেলে খরচ হবে সেই টাকা ২০ জন যাত্রী নিয়ে বাস চালালে তাদের পক্ষে আয় করা সম্ভব নয়। এমনকী, বাস চালক ও কন্ডাক্টরদের দৈনিক রোজগারের টাকা দেওয়াও সম্ভব নয়। তাই তারা ভাড়া বাড়ানোর দাবিতে অনড়।

জেলায় সাধারণত ৪০ আসনের বাস চলে। সঙ্গে ২০ জন দাঁড়িয়ে যাওয়ার হিসেব কষা হয়। যদি নুন্যতম ভাড়াও ধরা হয়, সেই হিসেবে একবার বাস চালিয়ে সাধারণ সময়ে আয় হয় ৪২০ টাকা। কারণ, বাসে উঠলে এখন গুনতে হয় সাত টাকা নুন্যতম ভাড়া। এই অবস্থায় বলা হচ্ছে ২০ জন যাত্রী নিয়ে বাস চলবে। নুন্যতম ভাড়া পেলে তা হবে ১৪০ টাকা। যেহেতু বাস চালাতে হবে সামাজিক দুরত্ব মেনে। তাই স্টেজ প্রতি ভাড়া দ্বিগুণ হলে ২০ জন যাত্রীর জন্য নুন্যতম ভাড়া উঠবে ২৮০ টাকা। বাস মালিকদের দাবি সাধারণ সময়ে বাস চালিয়ে তাঁদের নুন্যতম ভাড়া থেকেও যে আয়টা হয় সেই টাকাও উঠবে না এখন। কিন্তু এই টাকাতেও ৪ ট্রিপ মানে আটবার বাস চালালে যে টাকা তাঁরা পাবেন তা দিয়ে তেলের খরচ ও বাস চালক-কন্ডাক্টরকে কিছুটা করে দেওয়া যাবে। যদিও বাড়তি টাকা কিন্তু গুনতে হবে সেই মালিক পক্ষকেই।

ইতিমধ্যেই তাদের এই যুক্তি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে গ্রীন জোনের জেলা প্রশাসনকে। বাস মালিক সংগঠনের দাবি, 'আমরা আগেই বলেছিলাম রিকুইজিশন দিয়ে বাস নিয়ে নিক সরকার। তা তো নিচ্ছেন না। এখন বাস চালাতে গিয়ে আমাদের পকেট থেকে টাকা দিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।' তবে আলোচনার মাধ্যমে জট অনেকটাই কেটেছে বলে জানাচ্ছেন রাহুল চট্টোপাধ্যায়। বাস মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক জানান, 'গ্রিন জোনের কিছু জেলায় সোমবার থেকে বাস নামতে পারে। জেলা প্রশাসন ভাড়ার তালিকা তৈরি করছে। যতটা সাধ্যের মধ্যে হবে আমরা ততটা বাস চালাব।' একই দাবি জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দোপাধ্যায়ের। তিনি জানাচ্ছেন, 'এখন লাভের প্রশ্ন নেই। কিন্তু আমরা তো আর গৌরী সেন নই যে পকেটের টাকা দিয়েই আমরা ক্ষতি সহ্য করে বাস চালিয়ে যাব। একটা সমাধানের রাস্তা তৈরি হচ্ছে।'

তবে সরকারি পরিবহণ নিগম কেন্দ্রীয় স্তরে যা ভাড়া আছে তা নিয়েই বাস চালাবে। সোমবার থেকে আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলায়   পুরোদমে বাস পরিষেবা চালু হতে পারে বলে সূত্রের খবর। তবে বেসরকারি বাসের ভাড়ার তালিকা জেলা প্রতি কী রাখা হবে তা নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বিভিন্ন জেলায় অবশ্য বাস জীবাণুমুক্ত করার কাজ করে দেবে পুরসভা বা পরিবহণ দফতর।

ABIR GHOSAL

Published by: Bangla Editor
First published: May 9, 2020, 7:02 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर