• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • ফের কলকাতা মেডিক্যাল! সুরক্ষা নেই, মুমূর্ষ করোনা রোগীকে আনা হচ্ছে ওয়ার্ডের বাইরে

ফের কলকাতা মেডিক্যাল! সুরক্ষা নেই, মুমূর্ষ করোনা রোগীকে আনা হচ্ছে ওয়ার্ডের বাইরে

নিত্যদিনই করোনা আক্রান্ত চিকিৎসাধীন রোগী বা তাঁদের পরিবারের মানুষদের অভিযোগের শেষ নেই। আবারও এক অমানবিক দৃশ্যের সাক্ষী থাকলো কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ।

নিত্যদিনই করোনা আক্রান্ত চিকিৎসাধীন রোগী বা তাঁদের পরিবারের মানুষদের অভিযোগের শেষ নেই। আবারও এক অমানবিক দৃশ্যের সাক্ষী থাকলো কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ।

নিত্যদিনই করোনা আক্রান্ত চিকিৎসাধীন রোগী বা তাঁদের পরিবারের মানুষদের অভিযোগের শেষ নেই। আবারও এক অমানবিক দৃশ্যের সাক্ষী থাকলো কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ।

  • Share this:

ABHIJIT CHANDA

#কলকাতা: ৭ মে থেকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ করোনা হাসপাতাল হিসাবে চিহ্নিত হওয়ার পর থেকেই প্রায় প্রতিদিন খবরের শিরোনামে। প্রতিদিনই অভিযোগের ঘনঘটা এখানে। যদিও রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর বিভিন্ন ভাবে সরকারি হাসপাতাল গুলোকে নানাভাবে অর্থসাহায্য করে যাচ্ছে। তারপরেও অবস্থার কতটা বদল ঘটলো? নিত্যদিনই করোনা আক্রান্ত চিকিৎসাধীন রোগী বা তাঁদের পরিবারের মানুষদের অভিযোগের শেষ নেই। কোনও সময় চিকিৎসার গাফিলতি, কোনও সময় ওয়ার্ডের অবর্ণনীয় পুঁতিগন্ধময় অবস্থা, কোনও ক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্মীদের দুর্ব্যবহার, কোনও সময় আবার হাসপাতাল কর্মীদের বিরুদ্ধে রোগীর পরিবার থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ।

তবে আবারও এক অমানবিক দৃশ্যের সাক্ষী থাকলো কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ। মেডিক্যাল কলেজের গ্রিন বিল্ডিংয়ে চিকিৎসাধীন মুমূর্ষ, আশঙ্কাজনক করোনা আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসাধীন। এঁদের অনেকেরই তীব্র শ্বাসকষ্ট, কারুর বা প্রচুর জ্বর, কাশি, গলাব্যথা। কোনও রোগী তিনতলা, চারতলা, পাঁচতলায় ভর্তি রয়েছেন। আর এই রোগীদেরকেই প্রতিদিন চেস্ট এক্স রে করার জন্য ওয়ার্ড থেকে হাঁটিয়ে নামিয়ে গ্রীন বিল্ডিংয়ের বাইরে ডিজিটাল এক্স-রে রুমে এক্স রে করতে নিয়ে যাওয়া হয়। এক্স রে হয়ে যাওয়ার পর আবার হাঁটিয়ে হাঁটিয়ে ওয়ার্ডে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এতে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীরা চূড়ান্ত সমস্যার মুখে পড়ে। পিপিই কিট দূরে থাক, ন্যূনতম কোনও সুরক্ষা ছাড়াই বিল্ডিংয়ের বাইরে রোদ, জল, ঝড়, বৃষ্টির মধ্যে এই করোনা আক্রান্ত মুমূর্ষু রোগীদের অন্য মানুষের সামনে দিয়েই হাঁটিয়ে এক্স রে করতে নিয়ে যাওয়া হয়।

এত বড় একটি মেডিক্যাল কলেজ, সেখানে কি এই সঙ্কটজনক করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য একটা হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করা যায় না, এই প্রশ্নটাই তুলছেন রোগী পরিবারের মানুষরা। এত কোটি কোটি টাকা খরচ করা হচ্ছে মেডিক্যাল কলেজগুলোতে, সেখানে সামান্য পোর্টেবল এক্স রে  মেশিন, যার সাহায্যে ওয়ার্ডে রোগীর বেডের সামনে থেকেই এক্স রে করা সম্ভব, সেই মেশিন কি আনা যায় না? করোনা আক্রান্ত অসহায় রোগী এবং রোগীর পরিবারের সদস্যরা সেই প্রশ্নগুলোই বারবার তুলছেন। তবে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ । তাঁরা দ্রুত স্বাস্থ্য ভবনের কাছে এই বিষয়টি জানাচ্ছে যাতে পোর্টেবল এক্স রে মেশিনের ব্যবস্থা করা যায়।

Published by:Simli Raha
First published: