COVID-19 : ঝড়ের গতিতে বাড়ছে সংক্রমণ! আংশিক লকডাউনের পথে মহারাষ্ট্র, জারি হচ্ছে নাইট কারফিউ

নাইট কারফিউয়ের পথে মহারাষ্ট্র PhOTO-FILE PHOTO

মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে রাজ্যের সব শপিং মলগুলি রাত আটটা থেকে সকাল সাতটা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

  • Share this:

    #মুম্বাই : ক্রমশ হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে মহারাষ্ট্রের করোনা পরিস্থিতি। রবিবার রাত থেকে নাইট কারফিউ জারি হতে চলেছে রাজ্যে ৷ মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে সরকারি সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিলেন শুক্রবার। এদিন রাজ্যের সমস্ত জেলা প্রশাসনের সঙ্গে এক বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে রাজ্যের সব শপিং মলগুলি রাত আটটা থেকে সকাল সাতটা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। উদ্ভব ঠাকরে এদিন একটি বিবৃতিতে জানান, "আমি লকডাউনের পথে যেতে চাইনা। কিন্তু পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে তাতে সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।" একইসঙ্গে লকডাউনের ক্ষেত্রে রাজ্যবাসীকে যথেষ্ট সময় দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়।

    করোনা সংক্রমণের জেরে ইতিমধ্যেই কোভিড-19 নিয়ে নতুন করে গাইডলাইন জারি করেছে মহারাষ্ট্র সরকার। ওই নির্দেশিকায় প্রশাসনের তরফে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অক্সিজেন ট্যাঙ্ক ও সিলিন্ডার ভর্তি রাখতে বলা হয়েছে ৷ একই সঙ্গে যাঁরা বাড়িতে আইসোলেশনে থাকবেন, তাঁদের উপর কড়া নজরদারি করতে বলা হয়েছে৷ বেড বরাদ্দের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে কোভিড সেন্টার ও কোভিড হাসপাতালগুলিকে ৷ এছাড়া আরও বেশ কয়েকটি নির্দেশ যোগ করা হয়ে এই নয়া নিয়মাবলীতে৷ উল্লেখ্য, গত বছর যখন ভারতে প্রথম করোনা সংক্রমণ শুরু হয় তখন মহারাষ্ট্রে পরিস্থিতি বেশ খারাপ ছিল ৷ তার পর ধীরে ধীরে গোটা দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়৷

    কিন্তু দেশে কোভিড–১৯-এর দ্বিতীয় ওয়েভ শুরু হতেই ফের দুশ্চিতা বাড়িয়েছে মহারাষ্ট্র তথা মুম্বইয়ের করোনা পরিস্থিতি। দৈনিক সংক্রমণ ক্রমশঃ বেড়ে চলেছে বাণিজ্য নগরীতে। মুম্বইয়ের মেয়র কিশোরী পেডনেকার এর আগেই জানিয়েছিলেন মানুষ যেভাবে ধারাবাহিকভাবে এবং সম্পূর্ণরূপে কোভিড নিয়মের প্রতি অবহেলা শুরু করেছে তাতে লকডাউন বা অন্ততপক্ষে নৈশ কার্ফু জারি করা ছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার আর কোনও উপায় নেই।

    বৃহস্পতিবার, গত ২৪ ঘণ্টায় মুম্বইতে ধরা পড়েছে ৫,৫০৫টি করোনা কেস। অন্যদিকে মহারাষ্ট্রে একদিনে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৩৫,৯৫২জন, যা ক্রমাগত এই রাজ্যকে ঝুঁকির মুখে ফেলে রেখেছে। পেডনেকার জানিয়েছেন যে অধিকাংশ করোনা কেসের রিপোর্ট এসছে বহুতলগুলি থেকে এবং এখানকার বাসিন্দারা কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনের নিয়ম মানছেন না, যার ফলে কনটেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: