করোনা ভাইরাস

corona virus btn
corona virus btn
Loading

প্রকাশ্যে থুতু ফেলবেন না, মাস্ক ভবিষ্যত সমাজের প্রতীক, মন কী বাতে যেভাবে দেশবাসীকে বার্তা দিলেন নরেন্দ্র মোদি

প্রকাশ্যে থুতু ফেলবেন না, মাস্ক ভবিষ্যত সমাজের প্রতীক, মন কী বাতে যেভাবে দেশবাসীকে বার্তা দিলেন নরেন্দ্র মোদি

দেশবাসীকে দিলেন বিশেষ পরামর্শ

  • Share this:

#নয়াদিল্লি : রবিবার করোনা আক্রান্ত সময় ফের একবার দেশের উদ্দেশ্যে মন কী বাত নিয়ে ফের বার্তা দিলেন নরেন্দ্র মোদি ৷ ২৪ মার্চ থেকে সারা দেশে লকডাউন চলছে ৷ এরমধ্যে বেশ কয়েকবার সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি ৷ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন তাঁর দৃষ্টিভঙ্গী এই গোটা লড়াইয়ের প্রেক্ষিতে ৷

এদিন তিনি বলেছেন, সাধারণ মানুষ এগিয়ে এসেছে৷ এই মারণ লড়াইতে সাধারণ মানুষ খাবার নিয়ে সাহায্য নিয়ে এগিয়ে এসেছে ৷ নিজেদের দেশেই তৈরি হচ্ছে  মেডিক্যাল ইকুয়িপমেন্ট ৷ যা  সারা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ৷ মোদি আরও বলেছেন. থালি, থালি, মোমবাতি ,দিয়া দিয়ে এক ভাবনার জন্ম হয়েছে ৷ সারা দেশে মহাষজ্ঞ চলছে৷ সকলেই তাতে যোগদান দিচ্ছে ৷

মোদি সমস্ত স্তরের মানুষের এই এগিয়ে আসাকে কুর্নিশ করেছেন৷ তিনি বলেছেন কৃষকরা মহামারির মধ্যে ক্ষেতে কাজ করছে, কেউ ভাড়া মাফ করছে কেই কেউ পুরো টাকা পিএম ফান্ডে দিচ্ছে ,কেই মাস্ক বানাচ্ছে , কেউ কোয়ারিন্টাইনে থাকাকালীন স্কুলগুলির যত্ন নিচ্ছে ৷ সকলের মনের ভাব এই লড়াইতে শক্তি দিচ্ছে ৷এটা মানুষের দ্বারা পরিচালিত লড়াই ৷

সরকার করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য covidwarriors.gov.in তৈরি করেছে ৷ এই প্ল্যাটফর্মে ১.২৫ কোটি মানুষ নিজেদের সাহায্য এগিয়ে দিয়েছে৷ সারা দেশে স্থানীয় স্তরে সাহায্য করছেন ৷ সাধারণ মানুষও এই জায়গায় যোগ দিয়ে সকলকে সাহায্য করতে পারেন ৷ এই লড়াই নতুন করে দেশকে নতুন শিক্ষা দেয় ৷ ভারত যেভাবে সংকল্প দেখিয়েছে তাতে সমস্ত কিছু নতুন দিকে এগোচছে ৷ সকলেই নতুন কিছু বানিয়েছে৷

লাইফ লাইন উড়ান উড়ছে ৫০০ টন মাল দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দিয়েছে ৷ রেলও নিজেদের মতো করে বিভিন্ন জায়গায় মাল পৌঁছে দিয়েছে ৷ সারা দেশে ৬০ টি রুটে ট্রেন চলছে ভারতীয় রেল ৷ ডাকবিভাগ নিজেদের মতো কাজ করছে ৷ প্রধানমন্ত্রী এই অবস্থায় দরিদ্রদের সরাসরি অ্যাকাউন্টে টাকা দিয়েছে, গরীবদের তিন মাস বিনামূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়া হয়েছে ৷

বিভিন্ন দেশের রাজ্য সরকার দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে ৷ স্থানীয় ভাবে তারা লড়াই পৌঁছে দিচ্ছে ৷ করোনা ওয়ারিয়রদের বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তির সাজা যেটা হয়েছে তাতে যাঁরা করোনামুক্ত দেশের জন্য দিনরাত লড়ছেন তাদের জন্য এটা খুব জরুরি পদক্ষেপ ছিল ৷

সারা দেশের মানুষ নিজেদের সাহায্যকারী দের সঠিভাবে চিনে নিতে পেরেছেন ৷ সাফাইকর্মীদের অন্য নজরে দেখছেন মানুষ ৷ চিকিৎসক ,স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি বিনম্র দৃষ্টি করছেন ৷ পুলিশ বললেই আগে যে ভয় পেত মানুষ সেটা বদলে তাদের মানবিক রূপকে কুর্নিশ করছে মানুষ ৷ সকলের এই পজিটিভ দৃষ্টি কোণ যেন পরেও জারি থাকে তার কথা বলেছেন নরেন্দ্র মোদি ৷

সারা পৃথিবীর জন্য ওষুধ খুব গুরুত্বপূ্র্ণ ছিল , কেউ চাপ সৃষ্টি করেনি তাদের ওষুধ দিতে ৷ ভারত নিজের প্রয়োজন মিটিয়ে সারা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যেখান থেক ওষুধ চাওয়া হয়েছে তাদের প্রতি মানবকিতা দেখিয়ে ভারত সেই ওষুধের যোগন দিয়েছে ৷ তাদের ধন্যবাদে ভারতে গর্বিত হয়েছে ৷

ভারতের আয়ুর্বেদ ও যোগকে রোগ সংক্রমণ রক্ষা করার ক্ষেত্রে সারা পৃথিবী মান্যতা দিচ্ছে ৷ ভারতীয়রাও সেটাই মেনে চললে তাদের জন্য ভালো হবে ৷ আমরা নিজেদের দেশের পুরনো প্রাচীন প্রথাকে না মেনে থাকে মানুষ , সেই পর্ব ভুলে গিয়ে নিজেদের প্রমাণিত হওয়া রিসার্চকে ছোট মনে করে ৷ সেটাই ভারতের তরুণ প্রজন্মকে মেনে নিতে হবে ৷ ভারতের আয়ুর্বেদের তথ্য যেভাবে বিজ্ঞানসম্মত ভাবে বিশ্বকে পৌঁছে দিতে হবে৷

রোগের থেকে নিজেকে ও অন্যকে বাঁচাতে মাস্ক অত্যাবশকীয় হয়ে উঠছে ৷ তবে শুধু মাস্ক নয় গামছা দিয়েও সেই কাজ হয় ৷ সার্বজনিক জায়গায় থুতু ফেলার মতো এই মারাত্মক সমস্যা জানা থাকলেও সমাধান হচ্ছিল না ৷ কিন্তু এখন সেই সময় এসেছে যখন এই থুতু ফেলার অভ্যাস ছেড়ে দেওয়া উচিত ৷ বেটার লেট দ্যান নেভার এই প্রবাদ মানা হবে না ৷

অক্ষয় তৃতীয়ায় পবিত্র পর্বে এই মন কী বাত বলছি ৷ এবারের কঠিন সময়ে মনে করিয়ে দিয়েছে আত্মা ও ভাবনা অক্ষয় ৷ যতই বাধা আসুক এটার সঙ্গে লড়াইয়ের ক্ষমতা মানুষের অক্ষয় ৷ এদিন শ্রীকৃষ্ণ ও সূর্যদেবের আশীর্বাদে পান্ডবরা পেয়েছিলেন অক্ষয় পাত্র ,যাতে খাবার কখনও শেষ হয় না ৷ আমাদের দেশের কৃষকরা এই অক্ষয়পাত্র জারি রেখেছে ৷ সারা দেশে অক্ষয় খাদ্য ভান্ডার দিচ্ছে তারা ৷

প্রথম তীর্থঙ্কর ঋষভ দেবের জীবনে এটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল৷ তাই সারাদেশের মানুষ এই দিনে নতুন করে শুরু করে ৷ রমজানের পবিত্র মাস শুরু হয়েছে ৷ গতবার রমজান সংবেদনশীলতা, সংযম

ইদ আসার আগে দুনিয়া যেন করোনা মুক্ত হয় ৷ সারা পৃথিবী যেন করোনা মুক্ত ভারত দেখতে পায় ৷ সমস্ত ধর্মীয় প্রধানরা ২ গজ দূরত্ব ও ঘর থেকে বেরোনা নিয়ে চেতনা বাড়াচ্ছেন ৷

বিহু, বৈশাখী, ওড়িয়া নরবর্ষ সব ঘরে থেকেই পালন করেছেন ৷ ঘরের বাইরে এসে সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন ৷ ইস্টারও বাড়িতেও পালন করেছেন ৷ আর বাড়িতে থেকে এই লড়াই দিয়ে এই অতিমারির বিরুদ্ধে লড়াই জিতেছেন ৷

কখনই অতি আত্মবিশ্বাসী না হয়ে যাই, নিজের শহর, গলি তে করোনা আসেনি তাই কখনই আসবে না ৷ এই ভুল ভাববেন না ৷ সারা বিশ্বে র উদাহরণ নিয়ে সাবধান থাকা উচিত ৷

নিজেদের মধ্যে ২ গজ দূরত্ব বজায় রাখেন৷ পরিচ্ছনতা বজায় রাখুন ৷

Published by: Debalina Datta
First published: April 26, 2020, 11:48 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर