• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • নিভল প্লাজমা থেরাপির আশা, কার্যকারিতা প্রমাণিত নয়, বলছে কেন্দ্র

নিভল প্লাজমা থেরাপির আশা, কার্যকারিতা প্রমাণিত নয়, বলছে কেন্দ্র

প্লাজমা থেরাপির স্বপ্নে জল ঢেলে দিল কেন্দ্র।

প্লাজমা থেরাপির স্বপ্নে জল ঢেলে দিল কেন্দ্র।

প্লাজমা ট্রায়ালের সবুজ সংকেতের জন্যে অপেক্ষা করছিল পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যগুলিও। কিন্তু কেন্দ্রের নির্দেশে পরিষ্কার, সমস্ত চিকিৎসা বন্ধ করে প্লাজমার দ্বারস্থ হওয়া চলবে না কারণ তার কার্যকারিতা এখনও প্রমাণিত নয়।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: ভ্যাকসিন ছাড়া করোনার মতো রোগের সঙ্গে লড়াই মানে ঢাল তরোয়াল ছাড়া যুদ্ধে নামা। এমনটাই মনে করছেন তাবড় বিশেষজ্ঞরা। এই অবস্থায় আশা দেখাচ্ছিল প্লাজমা থেরাপি। চিন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো এ দেশেও দেশেও করোনা রোগীকে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর প্লাজমা দিয়ে সারিয়ে তোলা যায় কিনা তা পরীক্ষামূলক ভাবে দেখা শুরুও হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু স্রেফ পরীক্ষাই চলবে। হাতেকলমে প্লাজমার কার্যকারিতা প্রমাণিত না হলে তা রোগীর শরীরে চালান করা যাবে না, স্পষ্ট জানাল কেন্দ্র।

    মঙ্গলবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্মসচিব লাভ আগরওয়াল বলেন, প্লাজমা থেরাপি এখনও গবেষণার পর্যায় রয়েছে। এই পদ্ধতি করোনা পরীক্ষায় অপরিহার্য় এমন কোনও প্রমাণ এখনও মেলেনি। আইসিএমআর-এর পক্ষ থেকে এই বিষয় জাতীয় স্তরে গবেষণা চলছে। তাঁর কথায়, যতক্ষণ না প্লাজমা থেরাপির কার্যকারিতা হাতেকলমে প্রমাণ করতে পারছে আইসিএমআর ততক্ষণ এই পদ্ধতি পরীক্ষামূলক ভাবেই করা হবে। তাঁর স্পষ্ট নির্দেশ, ট্রায়ালের জন্যে ব্যবহার করা চলবে না প্লাজমা। তাঁর আশঙ্কা, সঠিক নির্দেশিকা না মেনে প্লাজমা ব্যবহারে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।

    সরকারি বিধিনিষেধ মেনে প্রথম ১৪ এপ্রিল প্লাজমা দেওয়া হয় এক রোগীকে। সেই রোগী সুস্থ হয়ে যান ক্রমে। গতকালই দিল্লিতে আরও এক করোনা রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলে হাসপাতালের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় প্লাজমা থেরাপির কারণেই এই সাফল্য।

    প্লাজমা ট্রায়ালের সবুজ সংকেতের জন্যে অপেক্ষা করছিল পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যগুলিও। কিন্তু কেন্দ্রের নির্দেশে পরিষ্কার, সমস্ত চিকিৎসা বন্ধ করে প্লাজমার দ্বারস্থ হওয়া চলবে না কারণ তার কার্যকারিতা এখনও প্রমাণিত নয়। গাই়ডলাইন মেনে পরীক্ষামূলক ভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

    Published by:Arka Deb
    First published: