Coronavirus Lockdown: একই ছাদের নীচে সেলুন, জামাকাপড়, মুদিখানা... জনসাধারণের সুবিধার জন্য ২০ লাখ ‘সুরক্ষা স্টোর’ বানাচ্ছে কেন্দ্র

কয়েকটি ভোগ্যপণ্য সংস্থাকে যোগ্য দোকানকে ‘সুরক্ষা স্টোর’-এ পরিণত করার দায়িত্ব দেওয়া হবে ।

কয়েকটি ভোগ্যপণ্য সংস্থাকে যোগ্য দোকানকে ‘সুরক্ষা স্টোর’-এ পরিণত করার দায়িত্ব দেওয়া হবে ।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: করোনা ঠেকাতে দেশজুড়ে লকডাউন ৷ অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ছাড়া বন্ধ সব কিছুই ৷ থমকে গিয়েছে মানুষের জীবন ৷ মুদির দোকান ছাড়াও আরও নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু জিনিস ও পরিষেবার সুবিধা দেওয়ার জন্য দেশ জুড়ে ২০ লক্ষ ‘সুরক্ষা স্টোর’ খোলার পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্র ৷ যেখানে জামাকাপড় সহ সেলুনের মতো আরও অনেক কিছু বন্দোবস্ত থাকবে ৷

    সরকারি সূত্রে খবর, করোনা সতর্কতা মেনেই দেশের ২০ লক্ষ বাছাই করা মুদির দোকানকেই ‘সুরক্ষা স্টোর’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে ৷ তবে যেকোনও মুদির দোকানকেই সুরক্ষা স্টোর মান্যতা দেওয়া সম্ভব নয় ৷ তাই সুরক্ষা স্টোর-এ পরিণত হওয়ার জন্য সাধারণ কিছু প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোকে যোগ্যতার মানদন্ড হিসেবে নির্ধারণ করেছে কেন্দ্র ৷

    কয়েকটি ভোগ্যপণ্য সংস্থাকে যোগ্য দোকানকে ‘সুরক্ষা স্টোর’-এ পরিণত করার দায়িত্ব দেওয়া হবে । এক একটি সংস্থার হাতে থাকবে একটি বা দুটি রাজ্যের সুরক্ষা স্টোর-এর দায়িত্ব ৷ ইতিমধ্যেই সরকার পঞ্চাশেরও বেশি FMCG কোম্পানির সঙ্গে কথা বলেছে ৷

    এই সমস্ত সুরক্ষা স্টোরে প্রতিনিয়ত স্যানিটাইজেশনের বন্দোবস্ত থাকবে ৷ নিয়ম মেনে করা হবে পরিষ্কারও৷ সমস্ত কর্মচারীদের মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক ৷ দোকানে ঢোকা ও বেরনোর সময় হাতে স্যানিটাইজার দেওয়ার ব্যবস্থা রাখার কথাও রয়েছে পরিকল্পনায় ৷ দোকানের যে সব জায়গায় কর্মীদের বারবার হাত দিতে হয় সেগুলি দিনে দু’বার জীবাণুমুক্ত করতে হবে। আশা করা হচ্ছে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যেই এই সমস্ত সুরক্ষা স্টোর-এর সুবিধে পাবেন সাধারণ মানুষ ৷

    শিল্পোৎপাদনের ক্ষেত্রেও একই কায়দায় ‘সুরক্ষা চক্র’ তৈরি করতে চায় কেন্দ্র ৷ উপভোক্তা মন্ত্রক সূত্রে খবর, পাইকারি ব্যবসায়ী ও মাঝারি সং‌স্থাগুলিকে সাহায্য করবে বড় শিল্প সং‌স্থাগুলি। করোনা সতর্কতা যাতে যথাযথভাবে মানা হয় তার ট্রেনিংয়ের জন্য অনলাইন সার্টিফিকেট কোর্সও চালু করতে পারে কেন্দ্র।

    Published by:Elina Datta
    First published: