বাংলার প্রতিটি জেলার COVID19 হেল্পলাইন নম্বর ট্যুইট ডেরেকের, তীব্র শ্লেষ মোদি-শাহকে

করোনা পরিস্থিতিতে দলমত নির্বিশেষে একযোগ যখন কাজ করা উচিৎ, সেই সময় একে অপরের প্রতি বিষোদগারের পথে হাঁটছে বিজেপি৷ অভিযোগ তৃণমূলের৷

করোনা পরিস্থিতিতে দলমত নির্বিশেষে একযোগ যখন কাজ করা উচিৎ, সেই সময় একে অপরের প্রতি বিষোদগারের পথে হাঁটছে বিজেপি৷ অভিযোগ তৃণমূলের৷

  • Share this:

    #কলকাতা: জেলায় জেলায় করোনা রোগীদের (COVID19 Helpline number Bengal) সাহায্যের জন্য এবার খোলা হল হেল্পলাইন নম্বর৷ এই নম্বরে ফোন করে করোনা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য পাবেন রোগী ও তাঁর আত্মীয়রা৷ সেই নম্বরগুলি ট্যুইট করলেন ডেরেক ও ’ব্রায়েন (Derek O'Brien)৷ এবং এই নম্বরগুলি ছড়িয়ে দিতে তিনি সকলের কাছে আর্জিও রাখলেন৷ তবে সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এবং বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কেও খোঁচা দিতে ছাড়লেন না৷ তিনি লিখলেন, "আমি নিশ্চিত যে, এঁরা আমাদের রাজ্যকে সত্যিই কতটা ভালবাসেন তা দেখানোর জন্য এই জনস্বার্থ প্রচারিত বার্তাটি উদারভাবে রিট্যুইট করবেন৷ অগ্রিম ধন্যবাদ৷"

    সোমবার দিনভর সিবিআই কর্তা ও তৃণমূল নেতামন্ত্রীদের মধ্যে চলে টানাপোড়েন৷ সারাদিন ব্যাপি নারদ মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ, গ্রেফতার, জামিনের পর সেই জামিন স্থগিত হয়৷ তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে বিজেপির প্রতিশোধমূলক আচরণে ঘটেছে এই ঘটনা৷ কোভিড পরিস্থিতিতে যেখানে কার্যত লকডাউনের পথে হেঁটেছে রাজ্য সেখানে এভাবে তৃণমূলের বড় মাপের নেতা মন্ত্রীদের হেনস্থা করে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছে বিজেপি৷ অভিযোগ তৃণমূলের৷ কারণ তৃণমূল নেতাদের সিবিআই নিজাম প্যালেসে নিয়ে গেলে প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসেন অসংখ্যা কর্মী সমর্থকরা৷ করোনা কালে যখন কোনও জমায়েতে নিষেধ করা হচ্ছে, তখন ভিড়ে ঠাসা থাকে নিজাম প্যালেস চত্বর৷ নির্বাচনে বাংলার মানুষ বিজেপির থেকে মুখ ফিরিয়েছে, তাই বাংলার মানুষকেই অপদস্ত করতে এই পদক্ষেপ কেন্দ্রের বিজেপির, এই অভিযোগে সরব হন তৃণমূল কর্মীরা৷

    করোনা পরিস্থিতিতে দলমত নির্বিশেষে একযোগ যখন কাজ করা উচিৎ, সেই সময় একে অপরের প্রতি বিষোদগারের পথে হাঁটছে বিজেপি৷ এই অভিযোগ করেছে রাজ্যের বাম ও কংগ্রেস নেতৃত্বও৷ সেখানে দাঁড়িয়ে ডেরেকের এই ট্যুইট অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ৷ এক ঢিলে তিনি দুই পাখি মারার চেষ্টা করছেন বলেই মত বিশেষজ্ঞদের৷ এদিকে সাধারাণ মানুষকে সাহায্য করা, অন্যদিকে বিজেপি নেতৃত্বকেও রাজ্যের করোনা মকোবিলার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছেন তিনি৷

    অন্যদিকে রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা৷ রাজ্যে দৈনিক সংক্রণ কমলেও কমেনি মৃত্যু৷ সোমবারও রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু (Coronavirus death) হয়েছে ১৪৭ জনের। তবে আশা জাগাছে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা কমায়। রাজ্যে এদিন ২৪৫টি অ্যাক্টিভ কেস কমেছে।

    Published by:Pooja Basu
    First published: