• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • COVID-19 in India: দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমশই কমছে, এক সপ্তাহে ৪৫% কমেছে মৃতের হার

COVID-19 in India: দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমশই কমছে, এক সপ্তাহে ৪৫% কমেছে মৃতের হার

কোভিড রোগীর মৃত্যু যেখানেই হোক, ডেথ সার্টিফিকেটে করোনার উল্লেখ থাকবেই

কোভিড রোগীর মৃত্যু যেখানেই হোক, ডেথ সার্টিফিকেটে করোনার উল্লেখ থাকবেই

কোভিড রোগীর মৃত্যু যেখানেই হোক, ডেথ সার্টিফিকেটে করোনার উল্লেখ থাকবেই

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: দ্বিতীয় ঢেউ সামলে সুস্থ হচ্ছে গোটা দেশ। ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। গত এক সপ্তাহে ৪৫ শতাংশ কমেছে মৃতের হার। ১৪ জুন থেকে ২০ জুন মধ্যে মৃতের সংখ্যা ১৪ হাজারের নিচে নেমছে। গত ৯ সপ্তাহে এমন প্রথম বার হয়েছে যে এক দিনে মৃতের সংখ্যা ২ হাজার নিচে নামল।

    গত সপ্তাহে অর্থাত ১৪ থেকে ২০ জুন, সারা দেশে করোনার মৃত্যু হয়েছে ১৩৮৮৬ জনের। যেখানে তার আগের সপ্তাহে এই সংখ্যা ছিল ২৫০৮। দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমশই কমছে। তবে এক সপ্তাহের মধ্যে এত বড় ড্রপের বৃহত্তম কারণ হল 'ব্যাকলগ' ডেটার অভাব। এগুলি সেই পুরানো ডেটা যা রাজ্য সরকারগুলি এখন কেন্দ্রকে পাঠাচ্ছে। এই সপ্তাহে ৫১৫১ পুরাতন মৃত্যুর ডেটা যোগ করা হয়েছিল। যেখানে গত সপ্তাহে পুরনো মৃতের সংখ্যা ছিল ১১৮৭৫।

    উল্লেখযোগ্য, এখন পর্যন্ত মহারাষ্ট্র থেকে সব চেয়ে বেশি পুরনো মৃত্যুর সংখ্যার রিপোর্ট করা হয়েছে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে এখনও পর্যন্ত ২৭৬০০ জনের মৃত্যুর সংখ্যা দেখানো হয়েছে। যদিও এর মধ্যে ২২,৮৭৫ পুরনো মৃত্যুর সংখ্যা। রাজ্যে সংক্রমণের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৯,৭২, ৭৮১। আর মৃতের সংখ্যা বেড়েছে দাঁড়িয়েছে ১, ১৭, ৯৬১। করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৯,১০১ জন। মহারাষ্ট্রে সুস্থার হার ৯৫.৭৬ শতাংশ, মৃত্যুর হার ১.৯৭ শতাংশ।

    এদিকে, শনিবার, কেন্দ্রীয় সরকার সুপ্রিম কোর্টে একটি হলফনামা দাখিল করে যেখানে বলে হয়েছে যে হাসপাতালের বাইরে কোনও ব্যক্তি করোনায় মারা গেলে সেটিকেও 'কোভিড ডেথ' হিসাবে ধরা হবে। এত দিন সরকার কেবল হাসপাতালে ভর্তি করোনার রোগীদের মৃত্যু কেই 'কোভিড ডেথ' হিসাবে ধরা হচ্ছিল। সরকার ১৮৩ পৃষ্ঠার একটি হলফনামা দায়ের করেছে। যেখানে কেন্দ্র বলেছে যে, যে চিকিত্সকরা এই নিয়ম মানবেন না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published: