corona virus btn
corona virus btn
Loading

'দীপিকা পাড়ুকোন ওয়ারড্রব গোছাচ্ছেন দেখে ভাবলাম, আমিও গোছাবো! ' -অমৃতা চট্টোপাধ্যায়

'দীপিকা পাড়ুকোন ওয়ারড্রব গোছাচ্ছেন দেখে ভাবলাম, আমিও গোছাবো! ' -অমৃতা চট্টোপাধ্যায়

গৃহবন্দী হয়ে থাকা একেবারেই সুখের ব্যাপার নয়, এমনটাই জানালেন অভিনেত্রী অমৃতা চট্টোপাধ্যায়।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনা জ্বরে পুড়ছে গোটা বিশ্ব। এই ভাইরাস ঢুকে পড়েছে শহর কলকাতায়। স্কুল-কলেজ, বিভিন্ন দফতর, ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ সিরিয়াল ছবির শুটিংও। প্রায় দুই সপ্তাহের জন্য গৃহবন্দী অভিনেতা থেকে কলাকুশলীরা। সময় কাটানো একেবারেই দুষ্কর। ব্যস্ত বহুল জীবনের মধ্যে ফুরসত মিললে ভালোই লাগে। তবে গৃহবন্দী হয়ে থাকা একেবারেই সুখের ব্যাপার নয়, এমনটাই জানালেন অভিনেত্রী অমৃতা চট্টোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, 'মুম্বাই এবং অন্যান্য জায়গায় শুটিং বন্ধ ১৯ শে মার্চ মাসের থেকে। তাই আমরা ভেবেছিলাম অন্তত ১৯ তারিখ পর্যন্ত শুটিং করতে পারব। কিন্তু ১৭ তারিখ থেকেই বন্ধ হয়ে গেল বিনোদন জগতের সমস্ত কাজ। মঙ্গলবার লেট নাইট শিফট করে যতটা কাজ এগিয়ে রাখা সম্ভব চেষ্টা করেছি। আপাতত গৃহবন্দী। ব্যাপারটা খুবই বিচ্ছিরি। একেবারেই ইনজয় করছি না। কিন্তু বৃহত্তর স্বার্থের জন্য করতে হবে।' 'রহস্যময়' ছবির শুটিং করছিলেন অমৃতা। সেই ছবিতে রয়েছেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায় ও আরো অনেকে। ছবির পরিচালক সৌম্য সুপ্রিয়। আর মাত্র চার, পাঁচ দিনের কাজ বাকি ছিল। করোনার জেরে বন্ধ করে দিতে হলো ছবির কাজ।

অভিনয় বা বিনোদন জগতের সঙ্গে যাঁরা যুক্ত তাঁদের কোনও নির্ধারিত ছুটি হয় না। অমৃত সেভাবে অভ্যস্ত। কখনোও শুটিং পিছিয়ে যাওয়ায় কিংবা কোন সিডিউল ক্যান্সেল হওয়ায় বা কোন কারণে বাইরে ঘুরতে যাওয়ার জন্য ছুটি নিয়েছেন নায়িকা। কিন্তু এরকম বাড়িতে ১২ থেকে ১৪ দিনের জন্য একটানা থাকা, তাঁর কাছে একেবারেই নতুন। ছবির নাম ছবির কাজ না থাকলেও পাবলিক অ্যাপিয়ারেন্স, অন্যকিছুর শুটিং থাকেই। এই পরিস্থিতি একেবারেই অচেনা অমৃতার কাছে। নায়িকা জানালেন, 'জিমে যেতে পারছিনা। কোথাও আড্ডা দিতে পারছি না। আমার বান্ধবী, যে স্কুলে পড়ান তাঁর ছুটি। কিন্তু দেখা করতে হয়তো কোনও কফিশপের যাব আমরা। সেটাও তো পাবলিক স্পেস। সেখানেও যাওয়া সম্ভব নয়। তাই বুঝে উঠতে পারছি না সময়টা কিভাবে কাটাবো। চেষ্টা করছি অনেক রকম । দীপিকা পাড়ুকোন ওয়ারড্রব গোছাচ্ছেন আমিও গোছাবো। তবে এখনও তেমন কিছু করা হয়ে ওঠেনি। গতকাল রাতে খুব হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরেছি । জমাটি থ্রিলারের শুটিং করছিলাম। দুম করে থেমে গেল। রাতে বসে তালিকা বানালাম কি কি করব। কিন্তুসকালে দেরিতে উঠেছি এখন পর্যন্ত কোনো কাজই করা হয়নি।'

আপাতত বই পড়ে ও অনলাইনে ওয়েব সিরিজ দেখে সময় কাটানোর চেষ্টা করছেন অমৃতা।  তিনি ছবিতে দেখেছেন বা নিজেও অভিনয় করেছেন,  সিনেমা হল বন্ধ হয়ে গিয়েছে,  সুপারমার্কেট বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বাস্তব জীবনে যে এটা ঘটতে পারে এবং ঘটলে কেমন হয় পরিস্থিতি, সেটা আগে কখনো আঁচও করতে পারেননি তিনি। অমৃতা আরো বললেন 'আজ সকালেই একজন ডাক্তারবাবুর ভিডিও দেখছিলাম। তিনি বলছিলেন, কলকাতায় যদি এক কোটি মানুষ থাকে, তারমধ্যে দুই শতাংশ মানুষেরও যদি এই রোগ হয়। এবং তাঁদের হাসপাতলে ভর্তি করার পরিস্থিতি তৈরি হয়। সেটার জন্য যে পরিকাঠামো প্রয়োজন তাও নেই। এইসব স্ট্যাটিস্টিক দেখে খুব ভয় পেয়ে গেলাম।  প্রিকশন কেন নেওয়া হচ্ছে সেটা বুঝতে পারলাম আরো পরিষ্কারভাবে। পরিস্থিতি খুবই ভয়ানক।'

ARUNIMA DEY

First published: March 18, 2020, 7:37 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर