লকডাউনে কাজ হারিয়ে জোটেনি খাওয়া, রাজ্যে ফিরে ঠিকানা এখন গ্রামের মানুষের তৈরি করে দেওয়া গাছতলার ঘর

এলাকার মানুষ তাদের জন্য গ্রামের একটি আম গাছের তলায় পলিথিন দিয়ে ঘর তৈরী করে রাখেন।সেখানেই রান্না করে খাওয়ার যাবতীয় সরঞ্জাম তারা প্রস্তুত করে রেখে দেন।

এলাকার মানুষ তাদের জন্য গ্রামের একটি আম গাছের তলায় পলিথিন দিয়ে ঘর তৈরী করে রাখেন।সেখানেই রান্না করে খাওয়ার যাবতীয় সরঞ্জাম তারা প্রস্তুত করে রেখে দেন।

  • Share this:

#রায়গঞ্জ: স্বাস্থ্য পরীক্ষা না হওয়ায় মহারাষ্ট্র ফেরত পাঁচ পরিযায়ী শ্রমিকের ঠিকানা এখন গাছ তলায়। রায়গঞ্জের রায়গঞ্জ ব্লকের বাহিন গ্রাম পঞ্চায়েতের শীশগ্রামের ছয়জন বাসিন্দা মহারাষ্ট্রে  পোষাক কারখানায় কাজ করতেন। লকডাউনের ফলে কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কাজ হারায় এই ছয় বাসিন্দা।দীর্ঘদিন উপার্জিত অর্থ দিয়ে খাওয়া দাওয়া চালনার পর তাদের আর্থিক সমস্যা দেখা দেয়।সরকারিভাবে তাদের সেখান থেকে আনার কোন ব্যবস্থা না হওয়ায় চার দিন আগে বাস ভাড়া করে ওই কারখানায় যুক্ত ৬০ জন শ্রমিক বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন।

৬০ জনের মধ্যে ৬ জন রায়গঞ্জের,দক্ষিন দিনাজপুর জেলার তপনের ৩০ জন বাকিরা মালদা জেলার গাজোলের।বাড়ি উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগেই তারা গ্রামের বাসিন্দাদের কাছে বাড়ির বাইরে আলাদা জায়গায় ঘর তৈরী করার জন্য বলা হয়।সেই কথা মত এলাকার মানুষ তাদের জন্য গ্রামের একটি আম গাছের তলায় পলিথিন দিয়ে  ঘর তৈরী করে রাখেন।সেখানেই রান্না করে খাওয়ার যাবতীয় সরঞ্জাম তারা প্রস্তুত করে রেখে দেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত  সমস্ত রকম দূরত্ব বজায় রাখতেই ওই ঘরের মধ্যেই তারা থাকবেন।

গতকাল রাতে তারা গ্রামে এসে পৌছান। তখন থেকে তারা সেখানেই আছেন।গ্রামবাসি সুর্দশন সরকার জানান, পরিযায়ী শ্রমিকরাই বাড়ি আসার আগেই পৃথক জায়গায় থাকার ব্যবস্থা করার জন্য বলেছিল।তাদের  কথামত এই ঘর তৈরী করা হয়েছে। পরিযায়ী শ্রমিক বিকাশ সরকার জানিয়েছেন,এলাকার মানুষ এবং পরিবারের স্বার্থে তাদের এই সিদ্ধান্ত। রিপোর্ট হাতে আসার পর তারা বাড়ি যাবার ব্যপারে সিদ্ধান্ত নেবেন।

Uttam Paul

Published by:Elina Datta
First published: