৭ অগাস্ট জয়েন্ট এন্ট্রান্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ফলাফল, অনলাইনে রেজাল্ট জানতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা

৭ অগাস্ট জয়েন্ট এন্ট্রান্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ফলাফল, অনলাইনে রেজাল্ট জানতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা
আগামী শুক্রবার কখন থেকে ছাত্রছাত্রীরা ফলাফল জানতে পারবেন তা নিয়ে বিস্তারিত ভাবে জয়েন্ট বোর্ড বিজ্ঞপ্তি দেবে।

আগামী শুক্রবার কখন থেকে ছাত্রছাত্রীরা ফলাফল জানতে পারবেন তা নিয়ে বিস্তারিত ভাবে জয়েন্ট বোর্ড বিজ্ঞপ্তি দেবে।

  • Share this:

#কলকাতা: অবশেষে ছয় মাসের মাথায় রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড এবছরের ইঞ্জিনিয়ারিং এর ফলাফল প্রকাশ করতে চলেছে। আগামী শুক্রবার রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ফলাফল ঘোষণা করবে। অনলাইনের মাধ্যমেই ছাত্রছাত্রীরা ফলাফল জানতে পারবেন।যদিও আগামী শুক্রবার কখন থেকে ছাত্রছাত্রীরা ফলাফল জানতে পারবেন তা নিয়ে বিস্তারিত ভাবে জয়েন্ট বোর্ড বিজ্ঞপ্তি দেবে।

অনলাইন মারফত ফলাফল জানার পাশাপাশি এবছর কাউন্সেলিং অনলাইনে হওয়ার পাশাপাশি রিপোর্টিং করার ক্ষেত্রেও ছাত্রছাত্রীরা ভার্চুয়ালি করতে পারবেন। এমনই পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড। অর্থাৎ এতদিন ধরে অনলাইনে কাউন্সেলিং হলেও ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে গেলে সরাসরি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে যেতে হত। কিন্তু এবছর করোনা ভাইরাস সংক্রমণের জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের আর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে যেতে হবে না। অনলাইন মারফত ছাত্র-ছাত্রীরা এই ভার্চুয়ালি রিপোর্টিং করতে পারবেন। এমনটাই পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড, বলে সূত্রের খবর।

গত ২ ফেব্রুয়ারি  এবছরের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে প্রবেশিকা পরীক্ষা নেয় রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড। করোনাভাইরাস এবং তার জেরে লকডাউনের জন্য ফল প্রকাশের প্রক্রিয়া স্থগিত রাখতে হয় জয়েন এন্ট্রান্স বোর্ডকে। যদিও এবছর তুলনামূলকভাবে অনেকটা আগেই রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষা নিয়ে নেয়। তবে উচ্চমাধ্যমিকের লিখিত পরীক্ষা শেষ হবার পরেই রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর ফলাফল প্রকাশ করবে, করোনা ভাইরাস সংক্রমনের আগে এমনটাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল । কিন্তু পরবর্তী ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় ফলাফল প্রকাশ করলেও কিভাবে ভর্তি-প্রক্রিয়া করা সম্ভব সেই নিয়েই সন্দিহান ছিল উচ্চ শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরা।


সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছিল রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড। কিন্তু লকডাউন ও করোনাভাইরাস এর জেরে এবার কার্যত আরো পিছিয়ে গেলেও রাজ্য জয়েন্টের ইঞ্জিনিয়ারিং এর ফল প্রকাশ। ফলে ছয় মাসের বেশি সময় পর রাজ্য ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ফল প্রকাশ করছে। সাধারণত পরীক্ষা নেওয়ার এক মাসের মধ্যেই রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রবেশিকার ফলাফল প্রকাশ করে দেয়। কিন্তু এবছর ছাত্র-ছাত্রীদের মানসিক চাপের কথা মাথায় রেখে উচ্চমাধ্যমিকে লিখিত পরীক্ষা শেষ হবার আগে না পর্যন্ত ফল প্রকাশ করতে চাইছিল না রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড।

এদিকে গত বছরের তুলনায় এ বছর আবেদনকারী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অনেকটাই কমে গিয়েছে। এবছর ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য আবেদন করেছেন ৮৮,৮০০ জন পরীক্ষার্থী। রাজ্যে প্রত্যেক বছরই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আসন ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ খালি থেকে যাচ্ছে। মূলত জন পরীক্ষা দেরিতে নেওয়া ভর্তির সময়সীমা অনেকটা দেরিতে হওয়ায় এত বিপুল সংখ্যক আসন খালি থেকে যাচ্ছিল বলে একাধিক বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে অভিযোগ উঠে আসছিল। তার জন্যই এবার গতবারের তুলনায় অনেকটাই আগে জয়েন্ট বোর্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষা নেয়।

জয়েন্ট বোর্ড সূত্রে খবর উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের ফলাফল বেরোনোর সঙ্গে সঙ্গেই rank কার্ড দিয়ে দেবে বোর্ড। তার ফলে পরীক্ষার্থীরা আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে পারবেন কোন কলেজে বাকি নিয়ে তারা পড়তে চান। এরই জেরে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আসন খালি থাকা প্রবণতা আটকানো যাবে বলে মনে করছে বোর্ডের আধিকারিকরা। অন্যদিকে এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় স্তরে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি।

JEEMAIN,NEET এর মতে সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষাগুলি সেপ্টেম্বর মাসে হওয়ার কথা রয়েছে। বারবার কেন্দ্রের তরফে ন্যাশানাল টেস্টিং এজেন্সি এই পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণা করলেও করোন ভাইরাস সংক্রমণের জন্য সেই পরীক্ষার দিন গুলিকে বারবার স্থগিত করতে হচ্ছে। এ রাজ্যের বহু পরীক্ষার্থী এই প্রবেশিকা পরীক্ষা গুলির দিকে তাকিয়ে রয়েছে। তাই রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করে দিলেও সর্বভারতীয় স্তরে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রবেশিকা বা মেডিকেলের প্রবেশিকা না হওয়ার জেরে কিছুটা দ্বিধায় পড়তে পারেন রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা বলেই মনে করছে একাংশ।

 Somraj Bandopadhyay

Published by:Elina Datta
First published: