দু'বেলা ভাতটুকু জুটছে না দেশের ৭৪ শতাংশ প্রান্তিক মানুষের, কাজ হারিয়েছেন ৬৭ শতাংশ, বলছে সমীক্ষা

খেতেই পাচ্ছে না গরিব ভারত।

আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর সাস্টেনেবল এমপ্লয়মেন্ট (সিএসই) এই সমীক্ষাটি চালিয়েছে ১৩ এপ্রিল থেকে ৯ মে।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: করোনা ভাইরাস দেশবাসীর সমূহ ক্ষতি করেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু সেই খতিয়ান হাতে কলমে ঠিক কেমন, জানেন না অনেকেই। সম্প্রতি আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমীক্ষা সে দিকটাতেই আলো ফেলল। উঠ এল মর্মান্তিক তথ্য। দেখা যাচ্ছে, করোনার অভিঘাতে কাজ খুইয়েছেন ৬৭ শতাংশ দেশবাসী। রোজগার কমেছে মোট ৬৩ শতাংশের

    এই গবেষণা আরও জানাচ্ছে, ৭৪ শতাংশ ভারতবাসীই আজ কোনও রকমে আধপেটা খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন। এক সপ্তাহের রেশনও নেই ৬১ শতাংশ দেশবাসীর ঘরে।

    আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর সাস্টেনেবল এমপ্লয়মেন্ট (সিএসই) এই সমীক্ষাটি চালিয়েছে ১৩ এপ্রিল থেকে ৯ মে। এই সমীক্ষাটিই সামনে এসেছে মঙ্গলবার। মোট ১২টি রাজ্যের ৩৯৭০টি মানুষের উপর গবেষণা চালায় এই সংস্থা।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের সমীক্ষক দলটির তরফে জানানো হয়েছে, এই সমীক্ষায় নমুনা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল একেবারে প্রান্তিক মানুষদের। দেখা যাচ্ছে যাঁরা মাসে ১০ হাজার টাকারও কম আয় করেন সেই সব অসংগঠিত শ্রমিকদের ওপরেই এই করোনাজনিত লকডাউন প্রভাব ফেলেছে বেশি।

    গবেষক রোজা আব্রাহাম বলছেন, আমরা সমাজের একেবারে পিছনের সারির মানুষের সঙ্গেসকাজ করেছি। জানতে চেয়েছি তাঁরা কেমন আছেন। দেখা যাচ্ছে অনেকেই বলছেন দু'বেলা খাবার জুটছে না। দু মুঠো ভাতই সম্বল ছিল যাঁদের, তাঁদের খাদ্যতালিকায় ভাতের পরিমাণও কমে যাচ্ছে।

    এই সমীক্ষার একটি ইতিবাচক দিকও রয়েছে অবশ্য। সমীক্ষকদল দেখেছে, তাদের বেছে নেওয়া মানুষের ৮৬ শতাংশই রেশন পেয়েছে। তবে অর্ধেক মানুষও সরাসরি অর্থ পাননি অ্যাকাউন্টে। এর সবচেয়ে বড় কারণ অসংগঠিত শ্রমিকের এক বড় অংশ শহরাঞ্চলের বাসিন্দা।

    Published by:Arka Deb
    First published: