সরকারি উদ্যোগে বানানো হচ্ছে হাজার হাজার মাস্ক, আতঙ্কের আবহে মুখে হাসি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের

সরকারি উদ্যোগে বানানো হচ্ছে হাজার হাজার মাস্ক, আতঙ্কের আবহে মুখে হাসি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের

দোকানের মাধ্যমে কম দামে মাস্ক কিনতে পারবেন সাধারণ ক্রেতারাও।

  • Share this:

#মালদহঃকরোনা আতঙ্কের মধ্যেই বাজারে মাস্কের জোগান দিতে আসরে জেলা প্রশাসন। সরকারি উদ্যোগে মালদহে শুরু হয়েছে মাস্ক তৈরির কাজ। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর  মহিলাদের দিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বৃহস্পতিবার থেকে কাজ শুরু হয়েছে। আপাতত লক্ষ্য ৪০ হাজার মাস্ক তৈরি। জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এই মাস্ক  সরবরাহ করা হবে স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ এবং সরকারি কর্মীদের। এরপর বিভিন্ন দোকানের মাধ্যমে কম দামে মাস্ক কিনতে পারবেন সাধারণ ক্রেতারাও।

করোনার পরিস্থিতিতে মাস্কের আকাল মালদহের বাজারে। একটি মাস্ক কেনার জন্য হন্যে হয়ে বাজারে ঘুরছেন ক্রেতারা। কিন্তু, ঘাম ঝড়িয়েও কাজ  হচ্ছে না। কারন মালদহ শহরের প্রায় কোনও  দোকানেই মাস্ক নেই। বুধবার দিনভর জেলা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ মাস্কের খোঁজে একের পর এক দোকানে হানা দিয়েছে। কিন্তু, মাস্ক  মেলেনি। এই পরিস্থিতিতে সরকারিভাবে মাস্ক তৈরীর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মালদহ জেলাশাসকের দফতর লাগোয়া স্বনির্ভর গোষ্ঠীর প্রশিক্ষনকেন্দ্রে ৭০জন মহিলাকে মাস্ক তৈরীর কাজে লাগানো হয়েছে। উপরে ও নীচে নেট, আর মাঝে টিসু পেপার দিয়ে তৈরী হচ্ছে মাস্ক। এগুলির গুণমান যথেষ্ট উন্নত বলে দাবি প্রস্তুতকারকদের। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় দিনরাত চলছে কাজ।

মালদহের জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে যে সব মানুষ জরুরি  পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, তাঁদের কাছেই এই মাস্কগুলি পৌছানো হবে। জেলাজুড়ে স্বাস্থ্যকর্মী, প্রত্যেক পুলিশকর্মী, সরকারি দফতরের কর্মীরা অগ্রাধিকার পাবেন। সরকারিভাবে তাঁদেরকে মাস্ক পৌঁছানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এরপর বিভিন্ন বেসরকারি দোকান থেকে সরাসরি সাধারণ ক্রেতারাও যাতে, মাস্ক কিনতে পারেন সেই ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। খোলা বাজারের তুলনায় কম দামে অপেক্ষাকৃত ভাল মানের এই মাস্ক মিলবে। এদিকে করোনা বিপর্যয়ের পরিস্থিতিতে মাস্ক তৈরীর কাজ পেয়ে খুশী স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারাও। সাধারন মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি সরকারি এই উদ্যোগে মাক্স তৈরী করে রোজগারেরও মুখ দেখছেন গ্রামীন মহিলারা।

Sebak Deb Sarma

First published: March 20, 2020, 12:18 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर