• Home
  • »
  • News
  • »
  • cartoon
  • »
  • ‘দাদার অনুগামী’ শুভেন্দু পথেই এবার অধিকারী বাড়ির বাকি সদস্যরাও পদ্মে! ইঙ্গিত দিলেন খোদ শুভেন্দু

‘দাদার অনুগামী’ শুভেন্দু পথেই এবার অধিকারী বাড়ির বাকি সদস্যরাও পদ্মে! ইঙ্গিত দিলেন খোদ শুভেন্দু

ওড়িশা লাগোয়া পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন জায়গায় টুকটাক ওড়িয়া ভাষার ব্যবহার করেই থাকেন স্থানীয়রা৷ শুভেন্দু নিজে যে শহরে বেড়ে উঠেছেন, সেই কাঁথিতেও ওড়িয়ার প্রচলন যথেষ্ট৷ ঘনিষ্ঠ বৃত্তে শুভেন্দুও মাঝেমধ্যে ওড়িয়া ভাষার ব্যবহার করেন৷ তবে শুভেন্দুর থেকেও তাঁর বাবা শিশির অধিকারী ওড়িয়াতে বেশি স্বচ্ছন্দ৷ (Info-Sujit Bhowmik)

ওড়িশা লাগোয়া পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন জায়গায় টুকটাক ওড়িয়া ভাষার ব্যবহার করেই থাকেন স্থানীয়রা৷ শুভেন্দু নিজে যে শহরে বেড়ে উঠেছেন, সেই কাঁথিতেও ওড়িয়ার প্রচলন যথেষ্ট৷ ঘনিষ্ঠ বৃত্তে শুভেন্দুও মাঝেমধ্যে ওড়িয়া ভাষার ব্যবহার করেন৷ তবে শুভেন্দুর থেকেও তাঁর বাবা শিশির অধিকারী ওড়িয়াতে বেশি স্বচ্ছন্দ৷ (Info-Sujit Bhowmik)

সদ্য পদ্মে শিবিরে সামিল হওয়া অধিকারী পরিবারের সদস্যের দাবিতে নতুন করে শোরগোল বঙ্গের রাজনৈতিক ময়দানে ৷

  • Share this:

    #টিটাগড়: আরও রক্তক্ষরণের মুখে তৃণমূল? শুভেন্দু অধিকারীর পথেই এবার কী অধিকারী পরিবারের বাকিরা? জোড়াফুল ছেড়ে কংগ্রেসি আদর্শে বিশ্বাসী পুরো অধিকারী পরিবারই কী শুভেন্দুর দেখানো পথে পদ্মাসনে আসীন হতে চলেছেন? টিটাগড়ের মঞ্চ থেকে এমনই ইঙ্গিত দিলেন খোদ শুভেন্দু অধিকারী ৷ সদ্য পদ্মে শিবিরে সামিল হওয়া অধিকারী পরিবারের সদস্যের দাবিতে নতুন করে শোরগোল বঙ্গের রাজনৈতিক ময়দানে ৷

    অধিকারী পরিবারের জনপ্রিয় সদস্য পদ্মে শিবিরে যোগ দেওয়ার পর থেকেই যে জল্পনা বঙ্গ রাজনীতির অন্দরমহলে শুরু হয়েছিল, তা নতুন করে উসকে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী ৷  সম্প্রতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দুকে কটাক্ষ করে বলেছিলেন, ‘লজ্জা করে না পদ্মে যোগ দিয়ে ওই বাড়িতে রাত কাটাতে ৷ যে দলের বিরুদ্ধে তোপ দাগছেন, সেই জোড়াফুলের দুই সদস্য তোমার বাড়িতেও আছে ৷ নিজের ঘরের লোককেই তো ভাঙাতে পার না, নিজের বাড়িতে পদ্ম ফোটাতে পারছে না, আবার গোটা বাংলায় উনি নাকি পদ্ম ফোটাবেন ৷’ তাঁর জবাবেই টিটাগড়ের সভা থেকে শুভেন্দু বলেন, ‘সবে তো পদ্মফুলের কুঁড়িটা ফুটেছে ৷ এখনও বাসন্তী পুজো হয়নি রাম নবমী হয়নি ৷ সবে তো পদ্ম ফুলের কুঁড়ি ফুটেছে ৷ এখনও আরও পদ্ম ফোটা বাকি ৷ আমার বাড়ির লোকেরা পদ্ম ফোটাবে ৷ ’ এখানেই শেষ নয় ডায়মন্ডহারবারের সাংসদকে হুঁশিয়ারি নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়কের, ‘তোমার ঘরেও ঢুকব ৷ ঢুকে পদ্ম ফোটাব ৷’

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের সঙ্গে অধিকারী পরিবারের সম্পর্ক আজকের নয় ৷ কংগ্রেসি আদর্শে বিশ্বাসী এই পরিবার বাংলার রাজনীতিতে জনপ্রিয় ৷ শুভেন্দু অধিকারীর মতোই তাঁর বাবাও বাংলার জনপ্রিয় রাজনৈতিক মুখ ৷ বর্তমানে কাঁথির তৃণমূল সাংসদ ও তৃণমূলের জেলা সভাপতি পদে রয়েছেন শিশির অধিকারী ৷ তমলুকের তৃণমূল সাংসদ শুভেন্দু অধিকারীর ভাই ৷ আরেকভাই সৌমেন অধিকারী ছিলেন কাঁথি পুরসভার অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ৷

    উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারী দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তেই তৃণমূলের কর্মসূচিতে অধিকারী পরিবারের বাকিদের দেখা মিলছিল না ৷ ৭ তারিখ মেদিনীপুরে তৃণমূল নেত্রীর সভাতে শিশির অধিকারী সহ বাকিদের আমন্ত্রণ জানানো হলেও এড়িয়ে যান তাঁরা ৷ এমনকী, শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগদানের পর তাঁর গড়ে তৃণমূলের সভাতেও অনুপস্থিত অধিকারী পরিবার ৷ এই সব কারণেই রাজনৈতিক মহলে আগেই শুরু হয়েছিল জল্পনা তাহলে কী শান্তিকুঞ্জে এবার জোড়াফুলের বদলে পদ্মবাগান! সেই জল্পনাকেই আরও উসকে দিল শুভেন্দুর এদিনের দাবি ৷ বাংলা রাজনীতির পালাবদলে জুড়তে চলেছে নয়া অধ্যায় ৷

    শুভেন্দুর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মুখ খুলতে নারাজ অধিকারী পরিবার ৷ তাঁর ভাই ও তমলুক সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, ‘শুভেন্দু অধিকারী বিজেপি নেতা ৷ বিজেপির মঞ্চে কী বলেছেন তা নিয়ে মন্তব্য করব না ৷’ ছেলে শুভেন্দুর মন্তব্য নিয়ে তাঁর বাবা শিশির অধিকারীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘শুভেন্দু মঞ্চে কী বলেছে শুনিনি,তাই মন্তব্য করব না ৷’

    যদিও শুভেন্দুর এই দাবিকে কোনও গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল নেতৃত্ব ৷ কুণাল ঘোষ বলেন, ‘শিরোনামে থাকতেই এধরনের দাবি শুভেন্দুর ৷ বিজেপি নেতাদের মধ্যে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করার প্রতিযোগিতা চলছে ৷ শীতকালে সার্কাসের শো ৷ সকালের শো দিলীপবাবুর ৷ সন্ধেয় তাঁকে ছাড়িয়ে যেতে মাঠে নেমে এমন দাবি ৷’

    তবে শুভেন্দুর ইঙ্গিত যে শুধুই চমক দিতে তা মানতে নারাজ রাজনৈতিক মহল ৷ এই ইঙ্গিত যে গভীর রাজনৈতিক অর্থবহ তেমনই বলছে বঙ্গ রাজনীতির অন্দরের আলোচনা ৷ সূত্রের খবর, বিজেপির সঙ্গে সঙ্গে তলে তলে যোগাযোগ রাখার অভিযোগে কাঁথি পুরসভার প্রশাসক পদ থেকে সরানো হল শুভেন্দু অধিকারীর আরেক ভাই সৌমেন অধিকারী ৷ ফলে অধিকারী পরিবারের অন্তত একজন সদস্যের গেরুয়া জার্সি গায়ে তোলা এখন সময়ের অপেক্ষা ৷

    Published by:Elina Datta
    First published: