সরকারি হোমে যৌন হেনস্থার শিকার ৪০, ধর্ষিতা ২১

সরকারি সাহায্যে দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল হোমটি ৷ সেখানেই মাথা গোঁজার আশ্রয় পেয়েছিলেন ৪০ জন নাবালিকা ৷ সম্প্রতি মুজাফ্ফরপুরের এই হোমেরই ভয়ঙ্কর ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে ৷

Sarmita Bhattacharjee | News18 Bangla
Updated:Jul 23, 2018 07:24 PM IST
সরকারি হোমে যৌন হেনস্থার শিকার ৪০, ধর্ষিতা ২১
News18 Bangla Creative
Sarmita Bhattacharjee | News18 Bangla
Updated:Jul 23, 2018 07:24 PM IST

#মুজাফ্ফরপুর: সরকারি সাহায্যে দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল হোমটি ৷ সেখানেই মাথা গোঁজার আশ্রয় পেয়েছিলেন ৪০ জন নাবালিকা ৷ সম্প্রতি মুজাফ্ফরপুরের এই হোমেরই ভয়ঙ্কর ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে ৷ এই হোমের ৪০ জন নাবালিকাকেই যৌন হেনস্থার স্বীকার ৷ স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন তারা ৷ এদের মধ্যে ২১ জনের ধর্ষণের শিকারের রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে ৷ চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, তাদের বেশিরভাগের অবস্থাই আশঙ্কাজনক ৷

পুলিশ সূত্রে খবর, যৌন সঙ্গমে যারা রাজি হতেন না ৷ তাদের উপর নির্মম অত্যাচার চালানো হত ৷ সেই অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে এক নাবালিকার মৃত্যুও হয়েছে বলে জানা গিয়েছে ৷ ওই সরকারি হোমের অন্য নাবালিকারা জানিয়েছেন, মৃত নাবালিকাদের মাটির তলায় পুঁতে দেওয়া হত ৷

সরকারি হোমটির নাম ‘বালিকা গৃহ’ ৷ স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সেবা সঙ্কল্পের অধীনে চলত এই সরকারি হোমটি ৷ এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ৷ এরমধ্যে রয়েছেন জেলা প্রশাসন আধিকারিকও ৷ এছাড়াও রয়েছে ব্রজেশ ঠাকুর নামে এক সাংবাদিকও ৷

এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন নীতিশ কুমার ৷ সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিহারের বিরোধী দলনেতা তেজস্বী প্রতাপ যাদব দাবি করেছেন, গত মার্চ মাস থেকে সরকারি হোমের অন্দরেই চলছে এই ধর্ষণকাণ্ড ৷  এদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে জোর করে গর্ভপাত করতেও বাধ্য করা হয়েছে ৷

এখনও অবধি বেশ কয়েকজনের খোঁজ মেলেনি ৷ যাদের খোঁজে নাবালিকাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ ৷

First published: 01:34:30 PM Jul 23, 2018
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर