Mani Sankar Mukherjee: শিল্পীর প্রয়াণে শিল্পের অমরত্ব! ভূমিপুত্রকে হারিয়ে শোক বিহ্বল বনগাঁ, সীমান্ত শহরের আনাচে-কানাচে অনশ্বর সাহিত্যিক শংকর
- Reported by:Rudra Narayan Roy
- Published by:Aishwarya Purkait
Last Updated:
Mani Sankar Mukherjee: বনগাঁর আমলাপাড়ায় ছিল সাহিত্যিক মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায়ের ভাড়া বাড়ি। শঙ্করের বাবা বনগাঁ আদালতে মুহুরির কাজ করতেন। পরবর্তীকালে কর্মসূত্রে তাঁরা হাওড়া চলে আসেন। কিন্তু ভূমিপুত্রকে হারিয়ে শোক-বিহ্বল বনগাঁর সাহিত্য মহল।
advertisement
1/6

বনগাঁর ভূমিপুত্রকে হারিয়ে যেন আবেগে ভাসছে সীমান্ত-শহর। প্রয়াত হয়েছেন সাহিত্যিক শংকর। শৈশবের স্মৃতি জড়িয়ে সীমান্ত-শহর বনগাঁর সঙ্গে। ১৯৩৩ সালের ৭ ডিসেম্বর এই শহরেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায়, যাঁকে সাহিত্যজগৎ চেনে শংকর নামেই। জন্মসূত্রে বনগাঁর মানুষ হলেও শহরটির প্রতি তাঁর এক ধরনের অভিমান লুকিয়ে ছিল বলেন ঘনিষ্ঠমহল। (ছবি ও তথ্য: রুদ্র নারায়ন রায়)
advertisement
2/6
কবি সাহিত্যিকদের কাছে বনগাঁ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শংকর আক্ষেপ প্রকাশ করে বলতেন, "বনগাঁর মানুষ আমাকে ভুলে গিয়েছে, আমাকে ডাকে না।” তবে ঘনিষ্ঠদের মতে, পরিণত বয়সেও তিনি নিজেকে বনগাঁর মানুষ হিসেবেই ভাবতে ভালবাসতেন।
advertisement
3/6
বনগাঁর আমলাপাড়ায় ছিল তাঁদের ভাড়া বাড়ি। স্থানীয় বাসিন্দা মালা ঘোষ মিত্র জানান, শঙ্করের বাবা বনগাঁ আদালতে মুহুরির কাজ করতেন। তাঁর মৃত্যুর পর শঙ্করের মা তাঁদের বাড়িটি মালার বাবার কাছে বিক্রি করেন। মালার কথায়, বাড়ি ছাড়ার আগে শঙ্করের মা বাবার হাত ধরে কেঁদে বলেছিলেন, বাড়িটা ভাঙলেও যেন ভিত না ভাঙে। বাবা সেই কথা রেখেছিলেন। জরাজীর্ণ দেওয়াল ভাঙা হলেও ভিত আগের মতোই রাখা হয়েছিল। মালা জানান, পরবর্তী সময়ে শঙ্কর তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন।
advertisement
4/6
জানা যায়, আর্থিক অনটন ও কর্মসূত্রে শংকরের বাবা পরে হাওড়ায় চলে যান। সেখানেই বড় হয়ে ওঠেন সাহিত্যিক। কবি সাহিত্যিকদের মতে, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর বনগাঁর সাহিত্যিক পরিচিতিকে আরও বিস্তৃত করেছিলেন শংকর। তাঁর মৃত্যুতে বনগাঁবাসী যেন গর্ব করার মতো এক মানুষকে হারাল বলছেন শোক-বিহ্বল বনগাঁর সাহিত্য মহল।
advertisement
5/6
শিল্প-সাহিত্যচর্চায় বনগাঁ বরাবরই উল্লেখযোগ্য। বহু পত্রপত্রিকা প্রকাশিত হয় এই শহর থেকে। তবে স্থানীয় শিল্পীদের অনেকেই মনে করতে পারেননি, সাহিত্যিক হিসেবে শংকরকে কবে, কোনও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। শিক্ষক ও কবিদের একাংশের মতে, সম্ভবত বনগাঁর সাহিত্যপ্রেমীরা তাঁকে সেভাবে কাছে টেনে নিতে পারেননি। আবার উনিও হয়তো কোনও কারণে নিজেকে জন্মভূমি থেকে খানিকটা দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন।
advertisement
6/6
তবে বনগাঁর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ আরও গভীর হলে স্থানীয় সাহিত্যচর্চা আরও সমৃদ্ধ হতে পারত বলেই মত। তবুও শৈশবের সেই বনগাঁর আমলাপাড়ার ভাড়া বাড়ি, আদালত চত্বর আর সীমান্ত-শহরের স্মৃতি জীবনের অন্তিমপর্বও তাঁকে ছায়ার মতো অনুসরণ করেছে বলেই জানান সাহিত্যিকের ঘনিষ্ঠ মহল। (ছবি ও তথ্য: রুদ্র নারায়ন রায়)
বাংলা খবর/ছবি/পশ্চিমবঙ্গ/
Mani Sankar Mukherjee: শিল্পীর প্রয়াণে শিল্পের অমরত্ব! ভূমিপুত্রকে হারিয়ে শোক বিহ্বল বনগাঁ, সীমান্ত শহরের আনাচে-কানাচে অনশ্বর সাহিত্যিক শংকর