Dolyatra Festival: ১৫১ মহাপ্রভুর মূর্তি হাতে শোভাযাত্রা! ঢাক-কাঁসর-করতালে মুখরিত নাম সংকীর্তনে উদযাপিত দোলযাত্রা
- Reported by:Madan Maity
- local18
- Written by:Bangla Digital Desk
Last Updated:
Dolyatra Festival: ১৫১ মহাপ্রভুর মূর্তি হাতে দোলের শোভাযাত্রা, জেলা সীমান্তের গ্রামে অন্যরকম দোল উৎসব। যোগ দিলেন অগণিত ভক্ত
advertisement
1/6

দোল মানেই রঙের উৎসব। কিন্তু জেলার সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামে দোল মানে এক অন্যরকম ঐতিহ্য। এখানে রাধা-কৃষ্ণের পায়ে আবির দিয়ে শুরু হয় ভক্তি আর আনন্দের উৎসব। হাতে থাকে মহাপ্রভুর মূর্তি। রাজ্য সড়ক ধরে দীর্ঘ শোভাযাত্রা করেন গ্রামবাসীরা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর ২ নম্বর ব্লকের বুড়ন, বারোবাটিয়া, মালিপাটনা ও কৌড়দা—এই চারটি সীমান্তবর্তী গ্রামে দীর্ঘ তিন দশক ধরে হয়ে আসছে এক অন্যরকম দোল উৎসব।
advertisement
2/6
দোলের দিন সকাল থেকেই গ্রামজুড়ে উৎসবের আবহ তৈরি হয়। ভোর থেকে শুরু হয় হরিনাম সংকীর্তন। রাধা-কৃষ্ণের পুজোর মাধ্যমে শুরু হয় উৎসব। এই এলাকার গ্রামবাসীদের কাছে এটি প্রধান উৎসব। ভক্তি আর ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে জমে ওঠে দোল। প্রায় চারটি গ্রামের মানুষ একত্রিত হয়ে এই উৎসবে অংশ নেন।
advertisement
3/6
এই দোল উৎসব ভিন্নমাত্রা কারণ, ১৫১টি মহাপ্রভুর মূর্তি নিয়ে পদযাত্রা করা হয়। গ্রামবাসীরা সেই মূর্তি হাতে নিয়ে জেলার সীমান্ত এগরা-বেলদা রাজ্য সড়ক ধরে শোভাযাত্রা করেন। পথে পথে হরিনাম সংকীর্তনের ধ্বনি শোনা যায়। ঢাক, কাঁসর ও করতালের শব্দে মুখরিত হয়ে ওঠে চারদিক। রঙের উৎসবের সঙ্গে ভক্তির এই মিলন গ্রামবাসীদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
advertisement
4/6
বহু মানুষ দূরদূরান্ত থেকেও এই উৎসব দেখতে আসেন। স্থানীয় একটি ক্লাবের উদ্যোগেই এই অনন্য আয়োজন করা হয়। ক্লাবের সদস্যরা কয়েকদিন আগে থেকেই প্রস্তুতি শুরু করেন। ১৯৩৩ সাল থেকে এই উৎসবের সূচনা। সেই থেকে আজও ঐতিহ্য অটুট রয়েছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গ্রামবাসীরা এই অনুষ্ঠান চালিয়ে যাচ্ছেন। দোলের দিন সকাল থেকে শুরু হয়ে রাত পর্যন্ত চলে নানা কর্মসূচি। হরিনাম সংকীর্তনের পাশাপাশি থাকে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান। গ্রামবাসীরা একসঙ্গে মিলিত হয়ে এই উৎসবকে প্রাণবন্ত করে তোলেন।
advertisement
5/6
ক্লাবের সভাপতি সঞ্জয় প্রধান বলেন, “এই আয়োজন আমাদের দোল উৎসবকে এক ভিন্ন মাত্রা দেয়। চারদিনব্যাপী এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সামাজিক কর্মসূচি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং নানা ধর্মীয় আচার। গ্রামের যুবকরাও এই আয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। তবে ১৫১টি মূর্তি হাতে হাঁটার পিছনে রয়েছে একটি বিশেষ বিশ্বাস। "
advertisement
6/6
গ্রামবাসীদের বিশ্বাস, এই শোভাযাত্রার মাধ্যমে সকলের মঙ্গল কামনা করা হয়। বহু বছর ধরে এই প্রথা পালন করে আসছেন তারা। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গ্রামের মানুষ এই ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছেন। তাই দোলের সময় এই বিশেষ উৎসবকে ঘিরে এলাকায় তৈরি হয় অন্যরকম উন্মাদনা। ভক্তি, ঐতিহ্য আর আনন্দের মেলবন্ধনে জেলা সীমান্তের এই গ্রামগুলিতে দোল উৎসব যেন এক অনন্য রূপে ধরা দেয়।
বাংলা খবর/ছবি/পশ্চিমবঙ্গ/
Dolyatra Festival: ১৫১ মহাপ্রভুর মূর্তি হাতে শোভাযাত্রা! ঢাক-কাঁসর-করতালে মুখরিত নাম সংকীর্তনে উদযাপিত দোলযাত্রা