TRENDING:

Nadia News: প্রয়াত রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের বংশধর সৌমীশচন্দ্র রায়, কৃষ্ণনগরে বারো দোলের মেলা হলেও বসছে না বিগ্রহ, বন্ধ থাকবে রাজবাড়ির দ্বারও

Last Updated:
Nadia News: বসছে বারো দোলের মেলা। তবে শোকের আবহে বন্ধ থাকবে রাজবাড়ির দরজা। স্থাপিত হচ্ছে না বিগ্রহও।
advertisement
1/6
প্রয়াত রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের বংশধর সৌমীশচন্দ্র রায়, কৃষ্ণনগরে বারো দোলের মেলা হলেও বসছে না বিগ্রহ, বন্ধ থাকবে রাজবাড়ির দ্বারও
মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের উত্তরসূরী ও নদিয়া রাজবাড়ির বর্তমান প্রধান ব্যক্তিত্ব সৌমীশ চন্দ্র রায়ের প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে কৃষ্ণনগরসহ গোটা নদিয়া জেলাজুড়ে।ছবি ও তথ্য: মৈনাক দেবনাথ
advertisement
2/6
গত ৪ মার্চ তাঁর অকাল প্রয়াণে রাজপরিবার ও সাধারণ মানুষ গভীরভাবে মর্মাহত। এই পরিস্থিতির মধ্যেই সামনে এসেছে ঐতিহ্যবাহী কৃষ্ণনগরের বারো দোলের মেলাকে ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।
advertisement
3/6
প্রতিবছর কৃষ্ণনগর রাজবাড়ি প্রাঙ্গণে বসা এই মেলা জেলার অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক আকর্ষণ। দূরদূরান্ত থেকে আগত বিভিন্ন বিগ্রহ রাজবাড়ির নাটমন্দিরে প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা এই মেলার মূল আকর্ষণ হিসেবে বিবেচিত।
advertisement
4/6
পাশাপাশি মেলা প্রাঙ্গণ জুড়ে বসে নানা দোকানপাট, নাগরদোলা এবং বিনোদনের নানা ব্যবস্থা, যা সাধারণ মানুষের ভিড় বাড়িয়ে তোলে। তবে এ বছর পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন।
advertisement
5/6
রাজবাড়ি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সৌমীশচন্দ্র রায়ের প্রয়াণের কারণে এবছর রাজবাড়ির ভিতরে কোনও বিগ্রহ স্থাপন করা হবে না। এমনকি পুজো বাড়ির গেটও খোলা রাখা হবে না। এই সিদ্ধান্তে স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা হতাশ কৃষ্ণনগরবাসী। তবুও আশার খবর, মেলা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকছে না। পূর্বের মতোই রাজবাড়ি প্রাঙ্গণে বারো দোলের মেলা বসবে।
advertisement
6/6
ইতিমধ্যেই মেলা প্রাঙ্গণে দোকানপাট বসতে শুরু করেছে এবং প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। সূত্রের খবর, আগামী ২৯ মার্চ থেকে শুরু হবে এই ঐতিহ্যবাহী মেলা, যা চলবে প্রায় এক মাস। শোকের আবহের মধ্যেও এই মেলা কিছুটা হলেও আনন্দ ফিরিয়ে আনবে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বাংলা খবর/ছবি/পশ্চিমবঙ্গ/
Nadia News: প্রয়াত রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের বংশধর সৌমীশচন্দ্র রায়, কৃষ্ণনগরে বারো দোলের মেলা হলেও বসছে না বিগ্রহ, বন্ধ থাকবে রাজবাড়ির দ্বারও
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল