Indian Railways: কেশরা-কাটজুরিডাঙ্গা হল্ট চালু, স্টেশন থেকে নেমে ৫ মিনিটে পৌঁছন মেডিক্যাল কলেজ
- Reported by:Nilanjan Banerjee
- Published by:Shubhagata Dey
Last Updated:
Indian Railways: নতুন রেলস্টপে খুশি এলাকাবাসী, হাসপাতাল যাতায়াতে মিলল বড় সুবিধা। Bankura শহর ও সংলগ্ন অঞ্চলের বাসিন্দারা এতদিন দূরের স্টেশনে গিয়ে ট্রেন ধরতে বাধ্য হতেন। নতুন স্টেশন চালু হওয়ায় তাঁদের সময় ও খরচ দুইই বাঁচবে।
advertisement
1/6

*দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আদ্রা ডিভিশনের অন্তর্গত বাঁকুড়া ও আঞ্চুরি স্টেশনের মাঝামাঝি অবস্থিত কেশরা–কাটজুরিডাঙ্গা (KJRG) নতুন প্যাসেঞ্জার হল্ট স্টেশন সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। South Eastern Railway সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে এই স্টেশন চালু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দিয়েছে।
advertisement
2/6
*রেল দফতরের নথি অনুযায়ী, স্টেশনটি HG-3 শ্রেণিভুক্ত এবং ১৬ জানুয়ারি ২০২৪ থেকেই যাত্রী বুকিং পরিষেবা চালু ছিল। এবার নিয়মিত ট্রেন থামানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। GM ও সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য বিভাগের সুপারিশের ভিত্তিতে একাধিক MEMU ও প্যাসেঞ্জার ট্রেনের স্টপেজের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে রেলবোর্ডে।
advertisement
3/6
*আদ্রা ডিভিশনের সিনিয়র ডিসিএম বিকাশ কুমার জানিয়েছেন, "যাত্রীদের যাতায়াত আরও স্বচ্ছন্দ ও সুবিধাজনক করে তুলতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।" প্রস্তাবে মোট ১০টি ট্রেনের নাম ও সময়সূচি উল্লেখ রয়েছে, যার মধ্যে আদ্রা-মেদিনীপুর, খড়গপুর-আদ্রা, ধানবাদ-ভিলুপুর এবং গড়বেতা রুটের ট্রেন অন্তর্ভুক্ত। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ট্রেন থামলে আশপাশের গ্রামাঞ্চলের যাত্রীদের যাতায়াত অনেক সহজ হবে বলে মনে করছেন রেল আধিকারিকরা।
advertisement
4/6
*বিশেষ করে Bankura শহর ও সংলগ্ন অঞ্চলের বাসিন্দারা এতদিন দূরের স্টেশনে গিয়ে ট্রেন ধরতে বাধ্য হতেন। নতুন স্টেশন চালু হওয়ায় তাঁদের সময় ও খরচ দুইই বাঁচবে। কর্মজীবী মানুষ, ছাত্রছাত্রী ও ব্যবসায়ীদের জন্য এটি বড় স্বস্তির খবর বলে মনে করা হচ্ছে।
advertisement
5/6
*সবচেয়ে বড় সুবিধা মিলবে চিকিৎসার ক্ষেত্রে। এই স্টেশনে নেমে মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে পৌঁছে যাওয়া যাবে Bankura Sammilani Medical College-এ। ফলে দূরদূরান্ত থেকে চিকিৎসা করাতে আসা রোগী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের যাতায়াত অনেক সহজ হবে।মেদিনীপুর থেকে আগত এক রোগীর পরিবারের সদস্য জানান, "এতে রোগী নিয়ে আসার ভোগান্তি অনেকটাই কমবে। বাঁকুড়া স্টেশন থেকে নেমে আসতে প্রায় ৩০ মিনিট সময় লাগত। সেটা অনেকটাই কমবে।"
advertisement
6/6
*সব মিলিয়ে কেশরা–কাটজুরিডাঙ্গা হল্ট স্টেশনের উদ্বোধন স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠেছে। নতুন স্টপেজ চালু হওয়ায় যাত্রীদের সময়, খরচ ও ভোগান্তি ইতিমধ্যেই কমতে শুরু করেছে, পাশাপাশি শিক্ষা, চিকিৎসা ও ব্যবসায়িক কাজে যাতায়াত আরও সহজ হয়েছে। এলাকাবাসীর আশা, ভবিষ্যতে আরও বেশি ট্রেনের স্টপেজ যুক্ত হলে এই স্টেশন অঞ্চলের উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে।
বাংলা খবর/ছবি/পশ্চিমবঙ্গ/
Indian Railways: কেশরা-কাটজুরিডাঙ্গা হল্ট চালু, স্টেশন থেকে নেমে ৫ মিনিটে পৌঁছন মেডিক্যাল কলেজ