TRENDING:

Ghusuri Dham: বৃন্দাবনের আদলে দোল উদযাপন হাওড়ার ঘুসুড়ি ধামে! লক্ষাধিক ভক্তের ঢল, বিভাজন ভুলে রঙ মেখে শ্যাম দর্শন

Last Updated:
Ghusuri Dham Shyam Mandir: হাওড়ার ঘুসুড়ি শ্যাম ধামে বৃন্দাবনের আদলে দোল উদযাপন। এই মন্দিরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মহাভারতের শ্যাম বাবা রূপে পূজিত হন। হোলির দিন রীতিমত ভক্তের ঢল নামে ঘুসুড়ি ধামে।
advertisement
1/5
বৃন্দাবনের আদলে দোল উদযাপন হাওড়ার ঘুসুড়ি ধামে! লক্ষাধিক ভক্তের ঢল, রঙ মেখে শ্যাম দর্শন
হাওড়ায় বৃন্দাবনের আদলে হোলি উদযাপন। হাওড়ার ঘুসুড়ি শ্যাম ধামে বৃন্দাবনের মতোই হোলি উৎসব পালিত হয়। আর সেখানেই সামিল হতে দোলের দিনে লক্ষাধিক মানুষ ভিড় করেন। (ছবি ও তথ্য: রাকেশ মাইতি)
advertisement
2/5
এখানে ভগবান কৃষ্ণ মহাভারতের শ্যাম বাবা রূপে পূজিত হন। সারা বছর নিয়ম মেনে বাবার পুজো অনুষ্ঠিত হলেও ফাল্গুন মাসের শুরুতে ফাল্গুন মেলার সূচনা হয়। হোলির দিন রঙ খেলার মধ্য দিয়ে সমাপ্তি হয়। ফাল্গুন মেলার সমাপ্তি অর্থাৎ হোলির দিন রীতিমত ভক্তের ঢল নামে এখানে।
advertisement
3/5
ধাম সূত্রে জানা যায়, সারা বছরই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্ত সমাগম হয়। এখানে পুণ্যলাভ এবং মনস্কামনা পূরন করতে পুজো নিবেদন, ১০৮ বার প্রদক্ষিণ করা এবং নারকেল ও ধ্বজা বাঁধার চল রয়েছে।
advertisement
4/5
প্রতি বছর এই হোলির দিন বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানুষের উপস্থিতি বাড়ে। জেলা ও জেলার বাইরে থেকে অগণিত মানুষ আসেন। এখানে হোলি খেলা অনেকটা বৃন্দাবনের হোলির সঙ্গে মিল রয়েছে। যে কারণে বেশি মানুষের উপস্থিতি, এমনটাই জানা যায়। বেলা থেকে দুপুর পর্যন্ত কয়েক ঘণ্টা চলে হোলি বা রঙ মাখার উৎসব। এরপর স্নান সেরে সপরিবারে ও দলবদ্ধভাবে প্রভুর কাছে প্রার্থনা ও বাবার দর্শন করেন ভক্তরা।
advertisement
5/5
অন্যান্য দিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর  ১টা ও বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ঘুসুড়ি ধাম খোলা থাকে। নিত্যই শ্যাম বাবার দর্শন করা এবং পুজো দিয়ে থাকেন ভক্তরা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এখানে এসে মানত করেন। এখানকার প্রধান প্রসাদ হল চুর্মা, পায়েস, বোঁদে ও প্যাড়া। (ছবি ও তথ্য: রাকেশ মাইতি)
বাংলা খবর/ছবি/পশ্চিমবঙ্গ/
Ghusuri Dham: বৃন্দাবনের আদলে দোল উদযাপন হাওড়ার ঘুসুড়ি ধামে! লক্ষাধিক ভক্তের ঢল, বিভাজন ভুলে রঙ মেখে শ্যাম দর্শন
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল