'উনি হাই রিস্ক জোনে আছেন...', কার সম্পর্কে এবার মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ? একের পর এক বোমা ফাটালেন ভোটের মুখে!
- Reported by:BISWAJIT SAHA
- news18 bangla
- Published by:Sanjukta Sarkar
Last Updated:
Dilip Ghosh: উত্তপ্ত রাজনৈতিক বাংলা! শাসক বিরোধী দলের মন্তব্য, পাল্টা মন্তব্যে ভোটমুখী বাংলায় চড়ছে পারদ। বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা থেকে হুমায়ূন কবির, নির্বাচন কমিশন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধরনা, বিভিন্ন বিষয়ে এদিন মুখ খুললেন বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। বৃহস্পতিবার ইকো পার্কে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কী বললেন বিতর্কিত নেতা?
advertisement
1/10

ভোটের উত্তাপ বাড়ছে বাংলায়। সেই উত্তাপের আঁচ বিজেপির প্রবীণ নেতা দিলীপ ঘোষের প্রতি ভ্রমণেও। বৃহস্পতিবার ইকো পার্কে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কী বললেন বিতর্কিত নেতা? মুখ খুললেন বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা থেকে হুমায়ূন কবির, নির্বাচন কমিশন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধরনা, বিভিন্ন বিষয়ে এদিন মুখ খুললেন বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। কী বললেন দিলীপ?
advertisement
2/10
হুমায়ূন কবিরের ওয়াই ক্যাটাগরি কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাওয়া নিয়ে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, "যার যত লাইফ রিস্ক, তাঁর নিরাপত্তা বহর তত বেশি। এটা স্টেটাস দেখে হয় না। ঝুঁকি বিবেচনা করে হয়। উনি প্রবীণ রাজনীতিক। মন্ত্রী ছিলেন আগে। সেই হিসেব করে দেওয়া হয়েছে। ওঁর রিস্ক আছে। উনি হাই রিস্ক জোনে আছেন। তাই বেশি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে।"
advertisement
3/10
বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা বনাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধরনা :পরিবর্তন রথযাত্রা শুরু করেছে বিজেপি। আর উল্টোদিকে এসআইআর নিয়ে ধরনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের উত্তর, "দুটো দলের কালচার আলাদা। আমরা আজ বৃহস্পতিবার থেকে মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ নিয়ে পরিবর্তন যাত্রা শুরু করব। উনি শুধু একটা সিলেক্টেড কমিউনিটিকে মেসেজ দেন। ওঁর রাজনীতিটা আংশিক এবং সিলেক্টেড। এ ধরনের রাজনীতি বেশি দিন চলে না। যাঁরা এই ধরনের রাজনীতি করে এসেছেন, তাঁদের অতীত দেখুন আর ভবিষ্যত দেখুন।"
advertisement
4/10
এসআইআর-এর প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রীর ধরনা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, "সারা জীবন উনি ধরনা ছাড়া কিছু দেননি। ধরনার বাইরে গেলে ওঁর রাজনীতির ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাবে। সে উনি মুখ্যমন্ত্রীই হন বা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অথবা বিরোধী দলনেত্রী, ধরনা ওঁকে করে যেতেই হবে।"
advertisement
5/10
"উন্নয়নের রাজনীতি, এ ধরনের রাজনীতি উনি কোনদিন করেননি। ওঁর সংবিধানে নেই। ১৫ বছর ক্ষমতায় আছেন কি করেছেন বললে এই ধরনের আন্দোলন সামনে আসবে যেগুলি সাধারণ মানুষের কোনও কাজে লাগে না। রাজনীতির কাজে লাগে, সেগুলোই উনি করেছেন। শেষ পর্যন্ত সেটাই করে যাবেন।
advertisement
6/10
অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের বাইরে বামেদের ধরনা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, "ওঁরা কমিশন অফিসে শুয়ে থাকুন, বসে থাকুন তাতে সাধারণ মানুষের কিছু যায় আসে না। মানুষ তাঁদের ভুলে গিয়েছে। মানুষ আগেই ওঁদের রিজেক্ট করেছে। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যাযের পালা। এই ধরনের রাজনীতি থেকে বাংলার অনেক ক্ষতি হয়েছে। এই ধরনের নেগেটিভ পলিটিক্স বেশি দিন চলবে না। লোকজন বিরক্ত হয়ে গিয়েছে।"
advertisement
7/10
নির্বাচনের আগে কমিশনের তৎপরতা তুঙ্গে। সেই সময় কমিশনের দরজা আটকে বিক্ষোভ রাজনৈতিক দলের, প্রসঙ্গে দিলীপের উক্তি, "নজরে আসার জন্য এসব করা। কমিশনের অফিসের সামনে শুধু কেন পার্লামেন্টের সামনেও এসব হচ্ছে। হাইকোর্টে বিচারপতির এজলাসের মধ্যে গিয়ে ধরনা দিয়েছে। এসব ধরনা পার্টি। ধরনা ছাড়া কিছু করতে পারবে না। দেখা যাক বাংলার মানুষ কত দিন সহ্য করে।"
advertisement
8/10
ডায়মন্ড হারবারে অভিষেকের পাল্টা সভা প্রসঙ্গে তীব্র কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, "ওঁর ডায়মন্ড হারবার মডেল। যা করবেন ডায়মন্ড হারবারের মধ্যেই করবেন। বাইরে কিছু করতে পারবেন না। আমি গিয়ে দেখলাম ডায়মন্ড হারবারের মানুষ কি এবার বেশি বিরোধিতা করবে। আমি দেখেছি সাধারণ মানুষ বাইরে বেরিয়ে এসেছে; এবার যোগ্য জবাব দেবে।"
advertisement
9/10
আবার এসআইআর প্রক্রিয়ায় মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে দিলীপের মন্তব্য, "বাংলায় জল না পেয়ে মৃত্যু হচ্ছে। দূষিত জলের কারণে মৃত্যু হচ্ছে। ডেঙ্গিতে মৃত্যু হচ্ছে। সব এসআইআর হয়ে যাবে এখন।
advertisement
10/10
নির্বাচন কমিশনের প্রশাসনিক বৈঠক:এই বৈঠক চলতে থাকবে। এসআইআর যেভাবে কমপ্লিকেটেড হয়েছে। আর পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন করানোটা একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু বৈঠক করা নয় অ্যাকশনটাও দেখা যাওয়া উচিত কি চাইছেন তারা? সাধারণ মানুষ না হলে ভরসা করতে পারছে না। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা কোথায় আছে? সাংবাদিকরাও বাদ যাচ্ছে না। তাঁদেরকেও মার খেতে হচ্ছে। সংবাদমাধ্যমও সুরক্ষিত নয় মানুষ ও সুরক্ষিত নয়।"
বাংলা খবর/ছবি/পশ্চিমবঙ্গ/
'উনি হাই রিস্ক জোনে আছেন...', কার সম্পর্কে এবার মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ? একের পর এক বোমা ফাটালেন ভোটের মুখে!