TRENDING:

Semaphore Tower: বাঁকুড়ার বিস্মৃত ইতিহাস 'সিমাফোর টাওয়ার'! কী কাজে ব্যবহার করা হত? জানলে অবাক হবেন

Last Updated:
Bankura Semaphore Tower: পর্যটকরা শুশুনিয়া পাহাড়েই ভিড় করেন, কিন্তু ছাতনার জঙ্গলে যে এক অজানা ইতিহাস দাঁড়িয়ে আছে, তার খবর রাখেন ক’জন? অপটিক্যাল টেলিগ্রাফের যুগে এই সিমাফোর টাওয়ারগুলোই ছিল যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম।
advertisement
1/6
বাঁকুড়ার বিস্মৃত ইতিহাস 'সিমাফোর টাওয়ার'! কী কাজে ব্যবহার করা হত? জানলে অবাক হবেন
বাঁকুড়ার ছাতনা মানেই শুধু বাসুলি মন্দির, রাজবাড়ি বা শুশুনিয়া পাহাড় নয়—এই অঞ্চলের মাটিতে লুকিয়ে রয়েছে আরও বহু অজানা ইতিহাস। তেমনই এক বিস্ময়কর নিদর্শন হল 'সিমাফোর টাওয়ার' বা স্থানীয় ভাষায় মাচান। অনেকেই আজও এই টাওয়ারের গুরুত্ব সম্পর্কে অবগত নন, অথচ একসময় এগুলিই ছিল যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান মাধ্যম। (ছবি ও তথ্য: নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
advertisement
2/6
টেলিগ্রাফ বা আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তি আবিষ্কারের বহু আগেই এই মাচানগুলো ব্যবহার করা হত বার্তা আদান-প্রদানের জন্য। এক টাওয়ার থেকে অন্য টাওয়ারে সংকেত পাঠিয়ে দূরের খবর পৌঁছে দেওয়া হত। আলো, ধোঁয়া বা পতাকার সাহায্যে নির্দিষ্ট সংকেতের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করা হত, যা সেই সময়ের জন্য অত্যন্ত কার্যকর ব্যবস্থা ছিল। ছাতনার কামার কুলি মোড় এর কাছে এমন একটি টাওয়ার রয়েছে।
advertisement
3/6
বাঁকুড়া জেলার বিভিন্ন প্রান্তে এই মাচানগুলির অস্তিত্ব দেখা যায়। ওন্দা, মাচানতলা, ছাতনা থেকে শুরু করে গড় পঞ্চকট পর্যন্ত বিস্তৃত এই টাওয়ারগুলির অবস্থান একে অপরের দৃষ্টিসীমার মধ্যে রাখা হত, যাতে সহজেই সংকেত আদান-প্রদান করা যায়। মাচানতলা অঞ্চলের নামকরণও হয়েছে এই মাচানকে কেন্দ্র করেই।
advertisement
4/6
ছাতনার ক্ষেত্র সমীক্ষক স্বরাজ মিত্র বলেন, "এই টাওয়ারগুলির গঠনও বিশেষভাবে লক্ষণীয়। সাধারণত ৪০ থেকে ৫০ ফুট উচ্চতার এই মাচানগুলি নিচের দিক থেকে চওড়া এবং উপরের দিকে ক্রমশ সরু হয়ে গেছে। মজবুত কাঠামো এবং উঁচু অবস্থান এগুলিকে দূর থেকে দৃশ্যমান করে তুলত, যা যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য ছিল অত্যন্ত জরুরি।"
advertisement
5/6
এই মাচানগুলিতে ব্যবহৃত হত একধরনের 'ট্র্যাডিশনাল' তথ্যপ্রযুক্তি, যেখানে মানুষের দক্ষতা ও বুদ্ধিমত্তাই ছিল প্রধান হাতিয়ার। নির্দিষ্ট সংকেত ভাষা ও নিয়ম মেনে বার্তা পাঠানো হত, যা দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছে যেত।
advertisement
6/6
আজকের দিনে এই সিমাফোর টাওয়ারগুলো শুধু অতীতের স্মৃতি নয়, বরং বাঁকুড়ার ঐতিহ্য ও প্রযুক্তিগত ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যথাযথ সংরক্ষণ ও প্রচারের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা জরুরি। (ছবি ও তথ্য: নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
বাংলা খবর/ছবি/পশ্চিমবঙ্গ/
Semaphore Tower: বাঁকুড়ার বিস্মৃত ইতিহাস 'সিমাফোর টাওয়ার'! কী কাজে ব্যবহার করা হত? জানলে অবাক হবেন
কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের সব লেটেস্ট ব্রেকিং নিউজ পাবেন নিউজ 18 বাংলায় ৷  দেখুন ব্রেকিং নিউজ এবং সব গুরুত্বপূর্ণ খবর নিউজ 18 বাংলার লাইভ টিভিতে ৷ এর পাশাপাশি সব খবরের আপডেট পেতে ডাউনলোড করতে পারেন নিউজ 18 বাংলার অ্যাপ ৷  News18 Bangla-কে গুগলে ফলো করতে  ক্লিক করুন এখানে ৷ 
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল