Hotel WiFi Risks: হোটেলের ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবহার করছেন? সাবধান! এক ক্লিকে হ্যাকারদের কবলে আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট
- Published by:Ananya Chakraborty
Last Updated:
Hotel WiFi Risks: হোটেলের ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবহার করা আপনাকে বড় বিপদে ফেলতে পারে। জেনে নিন হোটেল WiFi-র সঙ্গে যুক্ত সাইবার ঝুঁকি, হ্যাকিংয়ের কৌশল এবং নিজেকে সুরক্ষিত রাখার সহজ উপায়।
advertisement
1/8

দীর্ঘ সফর থেকে ফেরার পর বা কাজের প্রয়োজনে অন্য কোনও শহরে গেলে, হোটেলের ঘরে ঢুকেই আমরা প্রথমেই কী করি? কাঁধ থেকে ব্যাগ নামিয়ে সোজা বিছানায় বসি এবং দ্রুত মোবাইলের ওয়াই-ফাই (WiFi) অন করে ফোন স্ক্রল করতে শুরু করি। হোটেলের ‘ফ্রি ওয়াই-ফাই’ কানেক্ট হওয়া মাত্রই আমাদের মনে হয় যেন দুনিয়ার সব সুখ হাতের মুঠোয় চলে এসেছে।
advertisement
2/8
কিন্তু হোটেলের সেই ওয়াই-ফাই যা আপনার কাজ সহজ করে দেয়, সেই জালের মধ্যেই ওত পেতে বসে থাকে সাইবার অপরাধীরা। বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই ব্যবহার আপনার জন্য কতটা ভারী পড়তে পারে এবং নিজেকে কীভাবে সুরক্ষিত রাখবেন, তা প্রতিটি পর্যটক বা যাত্রীর জানা অত্যন্ত জরুরি।
advertisement
3/8
হোটেলের ওয়াই-ফাই অসুরক্ষিত কেন? হোটেলের একটি নেটওয়ার্কে একই সময়ে শত শত অতিথি যুক্ত থাকেন। এই নেটওয়ার্কগুলো প্রায়ই পুরনো প্রযুক্তির হয় অথবা এদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল থাকে। সাইবার বিশেষজ্ঞদের মতে, পাবলিক নেটওয়ার্ক হ্যাকারদের জন্য সবথেকে সহজ লক্ষ্য। ‘রেডিট’-এর একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ধরনের নেটওয়ার্কে কানেক্ট হওয়া মাত্রই আপনার ব্যক্তিগত ডেটা, লগইন আইডি এবং পাসওয়ার্ড ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
advertisement
4/8
হ্যাকাররা কীভাবে আপনার ফোনে প্রবেশ করে? যদি কোনও সাইবার অপরাধী হোটেলের ওয়াই-ফাই রাউটারে হানা দেয়, তবে সে ওই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি ডিভাইসের ওপর নজর রাখতে পারে। আপনি গুগলে কী সার্চ করছেন বা কোন অ্যাপ ব্যবহার করছেন, তার সবকিছুই তারা জেনে নিতে পারে।
advertisement
5/8
আপনার প্রয়োজনীয় ইমেল, ব্যক্তিগত ছবি এবং ব্যাংকিং লেনদেনের তথ্য হ্যাকারদের হাতে চলে যেতে পারে। অনেক সময় হ্যাকাররা আপনার অজান্তেই ফোনে ভাইরাস (Malware) ঢুকিয়ে দিতে পারে, যার ফলে আপনার ফোনের পুরো সেটিংস তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
advertisement
6/8
‘পাসওয়ার্ড থাকা মানেই নিরাপদ’— এটি একটি ভুল ধারণা আমাদের প্রায়ই মনে হয় যে হোটেল ওয়াই-ফাইয়ের পাসওয়ার্ড দিয়েছে মানেই নেটওয়ার্কটি নিরাপদ। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। পাসওয়ার্ড থাকলেও একই নেটওয়ার্কে অনেক অজানা মানুষ যুক্ত থাকেন। যদি উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকে, তবে হ্যাকাররা খুব সহজেই আপনার ডিভাইসে উঁকি দিতে পারে।
advertisement
7/8
সুরক্ষিত থাকার ৪টি টিপস আপনি যদি হোটেলে থাকেন, তবে ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় নিচের সতর্কতাগুলো অবশ্যই মেনে চলুন:১. ব্যাংকিং লেনদেন এড়িয়ে চলুন: হোটেলের ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে কখনও টাকা ট্রান্সফার করবেন না এবং গুগল পে/ফোন পে-র মতো পেমেন্ট অ্যাপ ব্যবহার করবেন না। ২. VPN ব্যবহার করুন: ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (VPN) ব্যবহার করলে আপনার ডেটা এনক্রিপ্ট হয়ে যায়, ফলে হ্যাকাররা আপনার তথ্য পড়তে পারে না। ৩. টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন: আপনার সোশ্যাল মিডিয়া এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ‘টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন’ (2FA) চালু রাখুন, যাতে পাসওয়ার্ড জেনে ফেললেও কেউ লগইন করতে না পারে। ৪. মোবাইল হটস্পট: সম্ভব হলে হোটেলের ওয়াই-ফাইয়ের বদলে নিজের ফোনের ডেটা বা পরিবারের অন্য কারোর মোবাইলের ‘হটস্পট’ ব্যবহার করুন। এটি সবথেকে নিরাপদ বিকল্প।
advertisement
8/8
মনে রাখবেন, বিনামূল্যে পাওয়া সব জিনিসই নিরাপদ হয় না। হোটেলের ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময় সাবধানতা অবলম্বন করাই সাইবার প্রতারণা থেকে বাঁচার সেরা উপায়। আপনার সামান্য অসতর্কতা বড়সড় আর্থিক সংকটে ফেলতে পারে।