Javelin Thrower Success Story: বাবার লড়াই সার্থক! মালদহের হকার কন্যা মিষ্টির জ্যাভলিনে কুপোকাত জাতীয় মঞ্চ, লক্ষ্য এখন অলিম্পিক
- Reported by:Jiam Momin
- Published by:Madhab Das
Last Updated:
Malda Javelin Thrower Success Story: মালদহের বাসিন্দা মিষ্টি কর্মকার। বাবা ট্রেনের হকার। নুন আনতে পান্তা ফুরনোর সংসারেও মেয়ের স্বপ্নকে মরতে দেননি তিনি। আজ মিষ্টির জ্যাভলিন থ্রো জাতীয় মঞ্চে বাংলার মুখ উজ্জ্বল করল।
advertisement
1/8

জ্যাভলিন ছুঁড়ে জাতীয় মঞ্চে নজর কাড়ল মালদহের মেয়ে মিষ্টি। বাংলার হয়ে জাতীয় স্তরের ইন্ডিয়ান ওপেন থ্রোস প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় হয়ে সিলভার আনল মালদহের মিষ্টি কর্মকার। তাঁর এই সাফল্যে খুশির হাওয়া দেখা দিয়েছে জেলা জুড়ে। (ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
2/8
পঞ্জাবের পাটিয়ালায় স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার প্রধান ক্যাম্পাসে ৭ ও ৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় পঞ্চম ইন্ডিয়ান ওপেন থ্রোস প্রতিযোগিতা ২০২৬। সেখানে অনূর্ধ্ব-১৮ মহিলা বিভাগে জ্যাভলিন থ্রো ইভেন্টে অংশ নেয় মালদহের মিষ্টি কর্মকার।
advertisement
3/8
এদিন ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয় সেখানে। অনূর্ধ্ব-১৮ মহিলা বিভাগে ৪৫.৩৫ মিটার জ্যাভলিন নিক্ষেপ করে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে সিলভার জয় করে মিষ্টি। মালদহ শহরের ইংরেজবাজার পৌরসভার কুলদীপ মিশ্র কলোনির বাসিন্দা মিষ্টি কর্মকার। বাবা সঞ্জয় কর্মকার পেশায় রেলের হকার এবং মা সুচিত্রা কর্মকার গৃহবধূ।
advertisement
4/8
মালদহ রেলওয়ে হাই স্কুলের ছাত্রী মিষ্টি এবছরই মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে। পড়াশোনার পাশাপাশি কঠোর পরিশ্রম আর অনুশীলনের মাধ্যমেই সে জাতীয় মঞ্চে নিজের জায়গা করে নিয়েছে। এর আগে জাতীয় স্তরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মিষ্টি কর্মকার।
advertisement
5/8
পাশাপাশি গত বছরই ভারতের হয়ে আন্তর্জাতিক স্তরের এশিয়ান ইয়ুথ গেমসের জ্যাভলিন থ্রো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিল সে। তবে প্রতিযোগিতা চলাকালীন চোট পাওয়ায় অল্পের জন্য পদক হাতছাড়া হয়। সেই আক্ষেপ নিয়েই আবার নতুন উদ্যমে জাতীয় স্তরে নেমে এবার রুপোর পদক জয় করল মিষ্টি।
advertisement
6/8
সিলভার জয়ী মিষ্টি কর্মকার জানায়, “আগে একবার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। এবছর আবার খেলেছি। তবে দ্বিতীয় হয়েছি। সিলভার পেলেও আগামীতে লক্ষ্য অলিম্পিক্স খেলার। ভবিষ্যতে অলিম্পিক্সে গিয়ে দেশের জন্য সোনা জিততে চাই।”
advertisement
7/8
মিষ্টির এই সাফল্যে গর্বিত তার কোচ ও জেলার ক্রীড়া মহল। মিষ্টির ছোটবেলার কোচ অসিত পাল বলেন, “ছোট থেকেই জ্যাভলিন খেলার প্রতি তাঁর বিশেষ আগ্রহ। এর আগে জাতীয় স্তরে সোনা এনেছিল। এবছর আবার খেলে দ্বিতীয় হয়ে সিলভার এনেছে। আশা করছি ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য এনে বাংলা-সহ দেশের নাম উজ্জ্বল করবে।”
advertisement
8/8
রেল হকারের মেয়ে হয়েও নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর কঠোর পরিশ্রমের জোরে জাতীয় স্তরে সাফল্য অর্জন করেছে মিষ্টি কর্মকার। তাঁর এই সাফল্য মালদহ জেলার ক্রীড়া মহলে নতুন আশার আলো জাগিয়েছে ক্রীড়া প্রেমীদের। (ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)