মেডেল পরানোর সময় সঞ্জুকে ‘ইগনোর’! সবাইকে ভালবাসা দিলেও ‘টুর্নামেন্টের সেরা-কে জড়িয়ে ধরলেন না কেন?
- Published by:Siddhartha Sarkar
- news18 bangla
Last Updated:
সোশ্যাল মিডিয়াতে পদক বিতরণ অনুষ্ঠান-এর সময় জয় শাহ এবং সঞ্জু স্যামসনের মধ্যে একটি মুহূর্ত নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। কিছু ফ্যান দাবি করেছেন যে, জয় শাহ অন্য প্লেয়ারদের জড়িয়ে ধরেছিলেন কিন্তু সঞ্জু-কে শুধু মেডেল পরিয়েছিলেন।
advertisement
1/5

ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে ৮ মার্চ, ২০২৬ তারিখটা সোনালী অক্ষরে লেখা হয়ে গিয়েছে ৷ যখন টিম ইন্ডিয়া নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে নিজের তৃতীয় টি২০ ওয়ার্ল্ড কাপ খেতাব জিতেছে। এই ঐতিহাসিক জয়ের সবচেয়ে বড় নায়ক ছিলেন সঞ্জু স্যামসন ৷ যিনি পুরো টুর্নামেন্টে দারুণ ব্যাট করেছেন, বরং ‘ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট’-এর সম্মানজনক খেতাবও নিজের নামে করেছেন।
advertisement
2/5
সঞ্জু স্যামসন মাঠে নিজের ব্যাট দিয়ে সব সমালোচনার জবাব দিয়ে দিয়েছেন ৷ যারা ওনার ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতেন। সচিন তেন্ডুলকরের পরামর্শে সঞ্জুর নিজের টেকনিক আর মানসিক শক্তির উপর কাজ করেছেন, যার ফল আজ পুরো ভারত দেখছে। পদক দেওয়ার সময় জড়িয়ে ধরা বা না ধরা একটা ব্যক্তিগত ব্যাপার হতে পারে, কিন্তু সঞ্জু কোটি কোটি ভারতীয়ের মন জয় করে নিয়েছেন ৷ যা কোনও মেডেল বা জড়িয়ে ধরার থেকে অনেক বড় সম্মান। (Photo: AP)
advertisement
3/5
সোশ্যাল মিডিয়াতে পদক বিতরণ অনুষ্ঠান-এর সময় জয় শাহ এবং সঞ্জু স্যামসনের মধ্যে একটি মুহূর্ত নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। কিছু ফ্যান দাবি করেছেন যে, জয় শাহ অন্য প্লেয়ারদের জড়িয়ে ধরেছিলেন কিন্তু সঞ্জু-কে শুধু মেডেল পরিয়েছিলেন। মেডেল সেরেমনি-র ছবিতে এটা স্পষ্ট যে, অজান্তেই হোক বা যেভাবেই হোক, জয় শাহ সঞ্জু-র সঙ্গে শুধু হাত মিলিয়েই থেমে গিয়েছিলেন। তবে, সত্যিটা এবং প্রসঙ্গটা বোঝা জরুরি: মেডেল সেরেমনি সাধারণত একটা নির্দিষ্ট প্রোটোকল অনুযায়ী হয় এবং অনেক সময় সময়ের অভাব বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে অফিশিয়ালদের আচরণ আলাদা হতে পারে। জয় শাহ অতীতে সঞ্জুর পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন ৷ (Photo: AP)
advertisement
4/5
একটা সময় বিশ্বকাপের নকশায় ছিলেন না । সেখান থেকে দলে সুযোগ । সেমিফাইনাল, ফাইনালের নায়ক । টুর্নামেন্টের সেরা ক্রিকেটার সঞ্জু স্যামসন । সাফল্যের জন্য যিনি কৃতিত্ব দিচ্ছেন স্ত্রীকে । তিরুঅনন্তপুরমে ফিরে স্যামসন বলেছেন, ‘‘আমি সব সময় ইতিবাচক থেকেছি । যন্ত্রণা, খারাপ সময়, হতাশা আমাকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে । আমি আরও মানসিকভাবে দৃঢ়চেতা হয়েছি । আমি কৃতজ্ঞ । আমাদের পরিবার খুব শান্ত, সংযত । ফিরেই বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি । বাবা-মায়ের কাছে আমি কৃতজ্ঞ । ওঁদের জন্যই ক্রিকেট খেলা শুরু করেছিলাম । সমস্ত ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য আমি আজ খুশি । সকলের প্রার্থনা কাজে দিয়েছে । আমি সকলের প্রত্যাশা পূরণ করতে বলেছি বলে খুশি ।’’ (Photo: AP)
advertisement
5/5
তিনি আরও বলেন, ‘নিউজিল্যান্ড সিরিজের পর খুব চাপে ছিলাম । আমি স্ত্রীকে আমার পাশে থাকতে বলেছিলাম । মনে হয়েছিল বিশ্বকাপ দলে নাও থাকতে পারি । সেটা ওকে বলেওছিলাম । স্ত্রী পাশে থাকলে হাসিখুশি থাকি । খুশি থাকলে আমি নিজের কাজটা সবচেয়ে ভালভাবে করি ৷’’ (Photo: AP)