Boycott India Match: বেশি লাফাচ্ছিল পাকিস্তান, আইসিসি শুনিয়ে দিল কড়া কথা, পাকিস্তানের ‘ইউ’ টার্ন হবে কখন
- Published by:Debalina Datta
- news18 bangla
Last Updated:
Boycott India Match: পাকিস্তান খেলছিল স্টেপআউট করে এবার আইসিসি জোঁকের মুখে কি নুন ঢালতে পারল...
advertisement
1/7

কলকাতা: শ্রীলঙ্কায় গিয়ে পাকিস্তান খেললে কোনও আপত্তি নেই পাক সরকারের এই খবর পর্যন্ত কোনও গন্ডগোল ছিল না৷ কিন্তু গোল বেঁধেছে জোর যখন পিসিবি জানিয়ে দিয়েছে ভারতের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খেলবে না৷ ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার কথা ১৫ ফেব্রুয়ারি৷ এই ম্যাচের ভ্যেনু কলম্বো৷
advertisement
2/7
আইসিসি এই ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ৷ হালকাভাবে হলেও পিসিবিকে সতর্কবার্তা দিয়েছে তা বুঝছে ওয়াকিবহাল মহল৷ এই সতর্কবার্তার পর পাকিস্তান কি শেষ পর্যন্ত ইউ-টার্ন নেবে? জানা গেছে যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে তাদের ম্যাচ বয়কটের বিষয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) আইসিসিকে কোনও অফিশিয়াল তথ্য প্রদান করেনি৷
advertisement
3/7
এই সতর্কবার্তা না মানলে বড়সড় চাপে পড়তে পারে পাকিস্তানে৷ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট ডকিং, আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে কোনও পরিবর্তন না আসা, শীর্ষ সদস্য দেশগুলির পাকিস্তান খেলতে যেতে অস্বীকার করা এবং সর্বশেষ কিন্তু এর থেকে কিছুটা কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল - পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বিদেশি খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞার মতো অনেক নিষেধাজ্ঞা নেমে আসতে পারে শাস্তি হিসেবে৷
advertisement
4/7
কিন্তু কোন কারণে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচে পাকিস্তান খেলবে না তার কোনও সুনির্দিষ্ট কারণ পাকিস্তান দেখায়নি৷ সারা পৃথিবীর ক্রিকেটপ্রেমী জনতার কাছে সবচেয়ে আগ্রহ থাকে আইসিসি ইভেন্টের ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচ৷
advertisement
5/7
পাকিস্তান এদিকে আইসিসিকে সরকারিভাবে জানায়নি এই সিদ্ধান্তের কথা৷ পাক সরকার এই ঘোষণা করেছে৷ দীর্ঘ সময় ধরে পাকিস্তান হুমকি দিচ্ছিল- প্রথমে তারা বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে গোটা টুর্নামেন্টই বয়কট করার ইঙ্গিত দিয়েছিল কিন্তু সেই সাহস তারা দেখাতে পারেনি৷ পরে সিদ্ধান্ত নেয় পাক সরকার অনুমতি দিলে তারা ভারতের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কট করবে৷
advertisement
6/7
এদিকে আইসিসি বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘‘যদিও আইসিসি জাতীয় নীতির ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকাকে সম্মান করে, এই সিদ্ধান্ত বিশ্বব্যাপী খেলার স্বার্থে বা বিশ্বব্যাপী ভক্তদের কল্যাণের জন্য নয়, যার মধ্যে লক্ষ লক্ষ পাকিস্তানিও রয়েছে। আইসিসি আশা করে যে পিসিবি তার নিজের দেশে ক্রিকেটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব বিবেচনা করবে কারণ এটি বিশ্বব্যাপী ক্রিকেট ইকোসিস্টেমের উপর প্রভাব ফেলতে পারে, যে সিস্টেমের অংশ তারা নিজেও, ফলে সদস্য এবং সুবিধাভোগী তারাও।’’
advertisement
7/7
এছাড়াও আইসিসি আরও জানিয়েছে, ‘‘অগ্রাধিকার হল আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সফল আয়োজন, যা পিসিবি সহ সকল সদস্যের দায়িত্ব হওয়া উচিত। এটি আশা করে যে পিসিবি একটি পারস্পরিকভাবে গ্রহণযোগ্য সমাধান খোঁজ করবে, যা সকল অংশগ্রহণকারীদের স্বার্থ রক্ষা করবে৷’’