Bardhaman Powerlifting Competition: রাজ্যস্তরের পাওয়ারলিফটিংয়ে বাজিমাত বর্ধমানের! জোড়া পদক জয়, জেলার গর্ব নবনীতা ও সৌম্য
- Reported by:Sayani Sarkar
- hyperlocal
- Published by:Aishwarya Purkait
Last Updated:
East Bardhaman Powerlifting Competition: হাওড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজ্যস্তরের পাওয়ারলিফটিং প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতায় জোড়া সাফল্য পূর্ব বর্ধমানের। পুরুষ ও মহিলা উভয়ের বিভাগেই রুপো ও ব্রোঞ্জ পদক জয় বর্ধমানের দুই প্রতিযোগির।
advertisement
1/6

রাজ্যেস্তরের পাওয়ার লিফটিং প্রতিযোগিতায় সাফল্য পূর্ব বর্ধমানের। পুরুষ ও মহিলা উভয়ের বিভাগেই এসেছে সাফল্য। রুপো ও ব্রোঞ্জ পদক জয় বর্ধমানের প্রতিযোগিদের। আগামী দিনে জাতীয়স্তরের খেলার লক্ষ্য রয়েছে তাদের। (ছবি ও তথ্য: সায়নী সরকার)
advertisement
2/6
হাওড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল রাজ্যস্তরের পাওয়ারলিফটিং প্রতিযোগিতা। এখানে অংশগ্রহণ করেছিলেন ১৮টি জেলার প্রায় ৪৫০ জনেরও বেশি প্রতিযোগী। পূর্ব বর্ধমান পাওয়ার লিফটিং অ্যাসোসিয়েশনের হয়ে অ্যাস্থেটিক ফিটনেস সেন্টার (AFC) থেকে অংশগ্রহণ করেছিলেন একজন পুরুষ ও একজন মহিলা প্রতিযোগী।
advertisement
3/6
পূর্ব বর্ধমানের দুই প্রতিযোগী নবনীতা কর্মকার অংশগ্রহণ করেছিলেন ৬৯ কেজি সিনিয়ার ক্যাটাগরিতে ও সৌম্য বোস জুনিয়র ১২০ কেজি ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ৬৯ কেজি সিনিয়ার মহিলা বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন নবনীতা ও ১২০ কেজি জুনিয়র পুরুষ বিভাগে দ্বিতীয় স্থনাধিকার করেছেন সৌম্য।
advertisement
4/6
ট্রেনার এমডি তাহির বলেন, দু'জনেই কঠোর পরিশ্রম করেছিল। ৬৯ কেজি সিনিয়র ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণ করার জন্য নবনীতাকে ওজন কমাতে হয়। তাই প্রতিদিন তাকে ছয় থেকে সাত কিলোমিটার হাঁটতে হয়েছে। সৌম্যর লোয়ার ব্যাকে ব্যাথা ছিল সেই ব্যাথা নিয়েই তাকে খেলতে হয়েছে। দু'জনেই প্রথমবার রাজ্যেস্তরের প্রতিযোগিতায় গিয়ে পুরস্কার পেয়েছেন এটা আমাদের কাছে গর্বের বিষয়। চাইব তারা এভাবেই এগিয়ে যাক।
advertisement
5/6
নবনীতা কর্মকার বলেন, 'আমার বিভাগে ১০ জন প্রতিযোগী ছিলাম। তাদেরকে হারিয়ে আমি তৃতীয় স্থান অধিকার করেছি। আমি ৩০০ কেজি পাওয়ার লিফট করেছিলাম। ফিটনেসের সঙ্গে আমি দীর্ঘদিন যুক্ত থাকলেও গত এক বছর ধরে আমি পাওয়ার লিফটিং প্র্যাকটিস করছি। জেলাস্তরে খেললেও এই প্রথম আমার রাজ্যেস্তরের খেলা।
advertisement
6/6
সৌম্য বোস বলেন, '১২০ কেজি জুনিয়র (বয়স ১৯-২৩) বিভাগে আমি অংশগ্রহণ করেছিলাম। ৬৩০ কেজি ওজন তুলে আমি দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছি। আমার বিভাগে আমি ছাড়াও আরও ১০ জন প্রতিযোগী ছিল। তিন বছর জিম করলেও পাওয়ার লিফটিং প্র্যাকটিস করছি দেড় বছর। ২০২৪ সালে ১০৫ কেজি বিভাগে একটা টেস্ট খেললেও তাতে সফল হইনি, তারপর থেকে শুরু করি আরও কঠোর পরিশ্রম। এই প্রথম আমি ১২০ কেজি বিভাগে অংশগ্রহণ করি।' (ছবি ও তথ্য: সায়নী সরকার)
বাংলা খবর/ছবি/দক্ষিণবঙ্গ/
Bardhaman Powerlifting Competition: রাজ্যস্তরের পাওয়ারলিফটিংয়ে বাজিমাত বর্ধমানের! জোড়া পদক জয়, জেলার গর্ব নবনীতা ও সৌম্য