পুজোর ভিড় ভাল লাগে না? দুর্গাপুজোতে একান্তে সময় কাটান রঘুনাথগঞ্জের সুভাষদ্বীপে, মন ভরে যাবে
- Reported by:Tanmoy Mondal
- hyperlocal
- Published by:Rachana Majumder
Last Updated:
সুভাষ দ্বীপে থাকছে আধুনিক কটেজ। ক্যান্টিনের সুবন্দোবস্ত। আছে গাড়ি পার্কিং-এর জন্য ব্যবস্থা। এছাড়াও শিশুদের বিনোদনের জন্য সুভাষ দ্বীপে থাকছে দোলনা, স্লিপ। বসানো হয়েছে ফোয়ারা।
advertisement
1/7

রঘুনাথগঞ্জ, তন্ময় মন্ডল: বাঙালি মানেই ভ্রমণ পিপাসু। মুর্শিদাবাদ মানেই ইতিহাস। আর ইতিহাসের বাইরে অন্যরকম ভাবে নিরিবিলি সময় কাটাতে দুর্গাপুজোর সময় হাজির হতেই পারেন রঘুনাথগঞ্জের সুভাষ দ্বীপে।
advertisement
2/7
ভাগীরথী নদীর পাড়ে রঘুনাথগঞ্জের গড়ে উঠেছে বিনোদন পার্ক। শহর থেকে কিছুটা দূরে নদীর পাড়ে নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশে একটি পার্কটি গড়ে ওঠার কারণে পর্যটকদের নজর কাড়ছে। প্রায় ৬৫ বিঘা এলাকা নিয়ে সেজে উঠেছে এই দ্বীপচরটি। ছবি ও তথ্যঃ তন্ময় মন্ডল।
advertisement
3/7
পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে কটেজ থেকে শিশুদের জন্য বিনোদন পার্কও গড়ে তোলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পরিযায়ী পাখিরা যাতে এখানে আসতে পারে, তার জন্য গড়ে তোলা হয় পাখিরালয়ও। জঙ্গিপুর শহর থেকে সড়ক পথের পাশাপাশি লঞ্চে করে নদীপথেও পর্যটকরা এখানে আসতে পারবেন। ছবি ও তথ্যঃ তন্ময় মন্ডল।
advertisement
4/7
জঙ্গিপুর পৌরসভার অধীনে এই সুভাষ দ্বীপ এখন পর্যটকদের কাছে নতুন আকর্ষণ গড়ে তুলেছে। রঘুনাথগঞ্জের জঙ্গিপুর সদর ঘাট। ভাগীরথীর তীরে প্রায় ৬৫ বিঘা জমির উপরে জঙ্গিপুর পুরসভা উদ্যোগে তৈরি এই নেতাজি সুভাষ দ্বীপ। যদিও বাম জমানাতেই পিকনিক স্পট হিসেবে পরিচিতি পায়। তবে জঙ্গিপুর পুরসভা শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে আসার পর সাজতে শুরু করে সুভাষ দ্বীপ। ছবি ও তথ্যঃ তন্ময় মন্ডল।
advertisement
5/7
বলা বাহুল্য, মুর্শিদাবাদে মতিঝিলের পর দ্বিতীয় পর্যটনকেন্দ্র হিসাবে সুভাষ দ্বীপকে গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করে রাজ্য সরকারের। এর জন্য অর্থ বরাদ্দ হয় প্রায় তিন কোটি টাকা। ছবি ও তথ্যঃ তন্ময় মন্ডল।
advertisement
6/7
সুভাষ দ্বীপের নামের সার্থকতা রেখে বসানো হয়েছে দেশের বীর সৈনিক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আবক্ষ মূর্তি। নতুন করে গড়ে তোলা হয়েছে রাস্তাঘাট। গড়ে তোলা হয়েছে পাখিরালয়। সেখানে রয়েছে রং-বেরংয়ের পাখির সমাহার। ছবি ও তথ্যঃ তন্ময় মন্ডল।
advertisement
7/7
সুভাষ দ্বীপে থাকছে আধুনিক কটেজ। ক্যান্টিনের সুবন্দোবস্ত। আছে গাড়ি পার্কিং-এর জন্য ব্যবস্থা। এছাড়াও শিশুদের বিনোদনের জন্য সুভাষ দ্বীপে থাকছে দোলনা, স্লিপ। বসানো হয়েছে ফোয়ারা। দ্বীপ লাগোয়া জলাশয়ে থাকছে বোটিংয়ের সুবন্দোবস্ত। ফলে দুর্গাপুজোর সময় একান্তে সময় কাটাতে আসতে পারেন এই পার্কে। কাটবে একান্তে সময়। ছবি ও তথ্যঃ তন্ময় মন্ডল।
বাংলা খবর/ছবি/দক্ষিণবঙ্গ/
পুজোর ভিড় ভাল লাগে না? দুর্গাপুজোতে একান্তে সময় কাটান রঘুনাথগঞ্জের সুভাষদ্বীপে, মন ভরে যাবে