Murshidabad Tourism: জব চার্ণক এখানে ২৫ টাকা মাইনের চাকরি করতেন...হেস্টিংস ছিলেন সাধারণ কর্মচারী! একবার ছুঁয়ে আসবেন নাকি সেই ইতিহাস?
- Reported by:Koushik Adhikary
- Published by:Satabdi Adhikary
Last Updated:
এখানে বড় বড় জাহাজ ভেড়ানোর জন্য কাটিগঙ্গার তীরে বড় জাহাজঘাটা ছিল। ভগ্ন অবস্থার সেই জাহাজঘাটার জেটি ও ঘাটের সব ইট ১৯৭৬ সালে তুলে নেওয়ায় পুরনো ঐতিহ্য নষ্ট হয়েছে।
advertisement
1/9

<span style="color: #993366;"><strong>মুর্শিদাবাদ :</strong> </span>কলকাতা বাণিজ্যকেন্দ্রের অগ্রগতির সঙ্গে লড়াই করে ১৮৪১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত কালিকাপুর, শ্রীপুর, ভাটপাড়া, ফরাসডাঙ্গা, কুঞ্জঘাটা, বিষ্ণুপুর, দায়নগর, চুনাখালি প্রভৃতি জনপদ নিয়ে বৃহত্তর কাশিমবাজার ছিল।
advertisement
2/9
কাশিমবাজার থেকে ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থানে, পূর্ব এশিয়ার এবং ইউরোপের নানা দেশে পণ্যদ্রব্য রফতানি হত। রেশম ছিল প্রধান পণ্য, নানা রকমের রেশমি কাপড় এখানে তৈরি হত। তাছাড়া সুতির কাপড়, ঘি, লঙ্কা, নীল, মোম, কর্পূর, ফিটকিরি, পারদ, চিনামাটির বাসন, দস্তার সামগ্রী, হাতির দাঁতের জিনিসপত্র-সহ নানা জিনিসের ব্যবসা চলত এই কাশিমবাজার থেকেই।
advertisement
3/9
কাশিমবাজারে ইংরেজদের কুঠি ছিল। ১৬৫৮ খ্রিস্টাব্দে কলকাতার প্রতিষ্ঠাতা জব চার্নক এখানে মাসিক ২৫ টাকা বেতনের ইংরেজ কুঠির সহকারী অধ্যক্ষ ছিলেন। ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ওয়ারেন হেস্টিংস একজন সাধারণ কর্মচারী ছিলেন।
advertisement
4/9
ইংরেজদের সঙ্গে সিরাজউদ্দৌলার বিবাদ বাধলে নবাব কুঠি আক্রমণ করে ওয়ারেন হেস্টিংসকে বন্দি করে মুর্শিদাবাদে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। কাশিমবাজারের কাছে কালিকাপুরে ওলন্দাজদের কুঠি, সৈদাবাদের ফরাসডাঙ্গায় ফরাসিদের কুঠি ও সৈদাবাদের শ্বেতা খাঁর বাজারে আর্মেনীয়দের বাণিজ্য কুঠি ছিল। এছাড়া বাঙালি ব্যবসায়ী, গুজরাতি ও মাড়োয়ারি বণিকরাও এসেছিলেন।
advertisement
5/9
ইতিহাসবিদরা মনে করেন, কাশিমবাজারের আগে নাম ছিল মাসুমাবাজার। রণনিপুণ যোদ্ধা কাশিম খান হুগলি দুর্গ থেকে কয়েকজন সুন্দরী স্ত্রীলোক নিয়ে এসে এখানে রাখেন। তারপর এর নাম হয় কাশিমবাজার। অনেকে মনে করেন কাশিম খানের অকালমৃত্যুতে তাঁর স্মরণে এই স্থানের নাম রাখা হয় কাশিমবাজার।
advertisement
6/9
‘মুর্শিদাবাদ কাহিনী’ থেকে জানা যায় কাশিমবাজারের সমৃদ্ধির সময় পরপর গগনস্পর্শী অট্টালিকা এমন ঘন সন্নিবিষ্টভাবে ছিল যে লোকে ছাদের ওপর দিয়ে দুই-তিন ক্রোশ যাতায়াত করতে পারত। যা এখন আরব্য উপন্যাসের গল্প বলে মনে হয়।
advertisement
7/9
কাশিমবাজার বিখ্যাত বাণিজ্যকেন্দ্র ছিল সতেরো, আঠেরো ও উনিশ শতকের প্রথম দিক পর্যন্ত। তা যখন উন্নতির শিখরে ছিল তখন তাকে ঘিরে গড়ে ওঠা বহু কিছুই। যা আজ আর নেই। সেগুলি হারিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নষ্ট হয়েছে কাশিমবাজার তথা বাংলার অনেক ঐতিহ্য।
advertisement
8/9
এখানে বড় বড় জাহাজ ভেড়ানোর জন্য কাটিগঙ্গার তীরে বড় জাহাজঘাটা ছিল। ভগ্ন অবস্থার সেই জাহাজঘাটার জেটি ও ঘাটের সব ইট ১৯৭৬ সালে তুলে নেওয়ায় পুরনো ঐতিহ্য নষ্ট হয়েছে।
advertisement
9/9
কাশিমবাজারের ইংরেজ কুঠি, কালিকাপুরের ওলন্দাজ দুর্গ, কুঠি ও গির্জা, শ্বেতা খাঁর বাজারে আর্মেনীয় কুঠি, সৈদাবাদের ফরাসডাঙ্গায় ফরাসি কুঠি, বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে থাকা কুঠি, বড় বড় অট্টালিকা কোনও কিছুর অবশিষ্টাংশ পর্যন্ত নেই।
বাংলা খবর/ছবি/দক্ষিণবঙ্গ/
Murshidabad Tourism: জব চার্ণক এখানে ২৫ টাকা মাইনের চাকরি করতেন...হেস্টিংস ছিলেন সাধারণ কর্মচারী! একবার ছুঁয়ে আসবেন নাকি সেই ইতিহাস?