Howrah News: একদিনের শিবির থেকেই সারা বছর মানুষকে সুস্থ্য রাখার চেষ্টা!
- Reported by:RAKESH MAITY
- hyperlocal
- Published by:Soumendu Chakraborty
Last Updated:
একদিনের শিবির থেকেই সারা বছর মানুষকে সুস্থ্য রাখার চেষ্টা
advertisement
1/6

গ্রামের মানুষকে সারা বছর সুস্থ রাখতে বিশেষ উদ্যোগে শিবির অনুষ্ঠিত হচ্ছে হাওড়ার বিরামপুরে! এই শিবিরের মূল উদ্দেশ্য হল গ্রামের মানুষের জন্য বিশিষ্ট চিকিৎসক দ্বারা শিবির। একদিনের শিবির থেকেই সারা বছর সুস্থ থাকা ও সুস্থ রাখা। (ছবি ও তথ্য : রাকেশ মাইতি)
advertisement
2/6
একদিনের শিবিরে গ্রাম, পার্শ্ববর্তী এলাকা ও কলকাতার চিকিৎসক একত্রিত হয় বিরামপুর শিবতলা মাঠ প্রাঙ্গণে হাজির হন। এদিন রোগ নির্ণয়ের পাশপাশি বিনামূল্যে অষুধ প্রদান। প্রায় সারা বছর মানুষের জন্য ওষুধের সহযোগিতা থাকে এখানে। একই সঙ্গে চিকিৎসক দ্বারা পরামর্শ এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা পেতে সহযোগিতা।
advertisement
3/6
গ্রামের মানুষের সুস্থতার স্বার্থে। বিরামপুর শিবকালী পল্লীমঙ্গল সমিতি'র উদ্যোগে। এই প্রতিষ্ঠান ১৯৩৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সূচনা লগ্ন থেকে সেবা মূলক নানা কর্মসূচি। তারমধ্যে অন্যতম এই স্বাস্থ্য পরিষেবা । প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০ জন সক্রিয় সদস্য এবং গ্রামের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই পরিষেবা আয়জন করে চলছে ১০ বছর যাবত।
advertisement
4/6
এই শিবিরে হাজারো মানুষ চিকিৎসা পরিষেবা নিতে হাজির হয়। বিরামপুর পানিত্রাস আমরাজোল কল্যাণপুর বাকসী টেঁপুর নবাসন চাকুর বাইনান মেল্লক ঢাকাবেড়ে গোবিন্দপুর সহ বিভিন্ন গ্রাম থেকে শিশু বৃদ্ধ পুরুষ মহিলা হাজির হন এই স্বাস্থ্য পরিষেবা শিবিরে।
advertisement
5/6
এখানে চাইল্ড স্পেশালিস্ট , মেডিসিন, কার্ডিওলজিস্ট, অঙ্কোলজিস্ট, গাইনোক্লজিস্ট, চোখ দাঁত সহ বিভিন্ন বিভাগীয় স্পেশালিস্ট চিকিৎসক দ্বারা পরিষেবা। সব মিলিয়ে ২৫ জন চিকিৎসক উপস্থিতিতে এই শিবিরের আয়োজন।
advertisement
6/6
উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান সম্পাদক অধ্যাপক ডঃ আলোকনাথ পাঁজা জানান, একদিনের চিকিৎসা পরিষেবায় মানুষকে সুস্থ রাখা সম্ভব নয়। গ্রামের মানুষকে সুস্থ রাখতে সারা বছর মানুষের সঙ্গে থেকে চিকিৎসা পরিষেবা দিয়ে চলেছে বিরামপুর শিবকালী পল্লীমঙ্গল সমিতি। এখানে বাড়ছে পরিষেবা নিতে আসা মানুষের সংখ্যা ও চিকিৎসকের সংখ্যা।স্থানীয় অমর্ত্যা পাঁজা জানান, নির্ভরযোগ্য মানুষের ভরসা হয়ে উঠেছে এই প্রতিষ্ঠান। যার মাধ্যমে গ্রাম ও পার্শ্ববর্তী মানুষ সুস্থ থাকছে। (ছবি ও তথ্য : রাকেশ মাইতি)