New Year Greetings: টেক্সট-ইমোজির ভিড়ে হারায়নি আবেগ, হাতে লেখা গ্রিটিংস কার্ডে নতুন বছর উদযাপন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে!
- Reported by:Sayani Sarkar
- hyperlocal
- Published by:Nayan Ghosh
Last Updated:
Burdwan University New Year Greetings: বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি নববর্ষে হাতে বানানো গ্রিটিংস কার্ড, চকলেট, ফুল আদান প্রদান করা হয় হোস্টেলগুলির মধ্যে।
advertisement
1/10

স্মার্টফোনের যুগে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রিটিংস কার্ড। নতুন বছরের শুভেচ্ছা বিনিময় থেকে শুরু করে মনের কথা আদান-প্রদান সবই হচ্ছে এখন স্মার্টফোনে টেক্সট, ইমোজি,ভিডিও কলের মাধ্যমে। কিনে অথবা নিজের হাতে বানিয়ে প্রিয় মানুষকে দেওয়া গ্রিটিংস কার্ডের সেই আবেগ আজ প্রায় অতীত। (ছবি ও তথ্য: সায়নী সরকার)
advertisement
2/10
গ্রিটিংস কার্ড যখন হারিয়ে যেতে বসেছে, তখনও এই ঐতিহ্য পরম্পরাকে ধরে রেখেছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়। আজও নিজেদের হাতে বানানো গ্রিটিংস কার্ড,চকলেট,ফুলের বুকে আদান প্রদান করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলগুলির মধ্যে।
advertisement
3/10
সরস্বতী পুজোর সময় যেমন তত্ব আদান-প্রদান বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসগুলির একটি রীতি, সেই রকমই গ্রিটিংস কার্ড আদানপ্রদানও। ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিনটিকে স্মরণে রাখতে প্রতিবছর বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস এবং ছাত্রীনিবাসগুলির মধ্যে আদান-প্রদান হয় 'গ্রিটিংস কার্ড'।
advertisement
4/10
বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠরত পড়ুয়াদের আবাসনগুলির মধ্যে জনপ্রিয় সরস্বতী পূজার সময় 'তত্ত্ব' বিনিময়। এই তত্ত্ব বিনিময় নিয়ে উন্মাদনার অন্ত থাকে না বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলগুলির মধ্যে। রীতিমতো ঢাকঢোল বাজিয়ে চলে তত্ত্বের আদান-প্রদান। বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও সাধারণ মানুষও তত্ত্বের শোভাযাত্রা দেখতে হাজির হন সরস্বতী পুজোর সময়।
advertisement
5/10
সরস্বতী পুজোয় তথ্য আদান-প্রদানের বিষয়টি প্রায় সকলের জানা থাকলেও, নতুন বছরে গ্রিটিংস কার্ড আদান-প্রদানের বিষয়টি অনেকেই জানেন না। কিন্তু প্রতিবছরই আমরা ইংরেজি নববর্ষে প্রথম দিনে এই রীতি পালন করে থাকি হোটেলগুলির মধ্যে। বৃহস্পতিবার ইংরেজি নববর্ষের প্রথম দিনে একইভাবে এই রীতি পালন করা হল বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হোস্টেলের মধ্যে।
advertisement
6/10
গোলাপবাগ, তারাবাগ এলাকার বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় হোস্টেল। তারাবাগের ভিতরে রয়েছে মীরাবাঈ হস্টেল, সরোজিনী হস্টেল, নিবেদিতা হস্টেল সহ অন্যান্য মহিলা আবাসিকদের হস্টেল, অন্যদিকে, বিধানচন্দ্র স্ট্যাচু থেকে শুরু করে রাজবাটী বা হাসপাতালের দিকে যাওয়ার রাস্তায় রয়েছে অরবিন্দ, নেতাজী,রবীন্দ্র, বিবেকানন্দ হস্টেল। রয়েছে রিসার্চ স্কলারদের জন্য হোস্টেলও। যেদিন প্রত্যেকটি হোস্টেলের মধ্যেই চলে এই গ্রিটিংস কার্ড আদান-প্রদান।
advertisement
7/10
এদিন সকলে নতুন পোশাকে সেজে, নিজেদের মত করে শুভেচ্ছা সাজিয়ে, কার্ড হাতে সক্কাল সক্কাল পৌঁছে যায় এক হোস্টেল থেকে অন্য হোস্টেলে। পাশাপাশি আয়োজন করা হয় বিভিন্ন গেমসের। নিজেদের মধ্যেই নাচ,গান আনন্দে মেতে ওঠে সকলে।
advertisement
8/10
তারা আরও জানান, সরস্বতী পুজোর সময় গোলাপবাগ ক্যাম্পাস যেন হয়ে ওঠে শারদীয়ার মেজাজ। প্রতিটা হোস্টেলের থিমের লড়াই, তত্ত্ববিনিময়ে একে অপরকে ছাপিয়ে যাওয়ার চেষ্টা সঙ্গে শহরের মানুষজন দুর্গাপুজোর মত এখানে ঠাকুর দেখতে আসেন। ফলে তখন পরিবেশটা অন্যরকম থাকে।
advertisement
9/10
কিন্তু, ইংরেজি নতুন বছরের শুরুর দিনে একে অপরের হস্টেলে গিয়ে কার্ড বিনিময় করা, একটি ঐতিহ্য। এর মধ্যে মিশে থাকে আবেগ আনন্দ। তাই প্রচারের বাইরে থেকেও এই রীতি বহন করে চলেছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়।
advertisement
10/10
বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী শ্রদ্ধা ঘোষ জানান, প্রতিবছরই আমরা নিজেদের হাতে কার্ড বানাই। বিভিন্ন হোস্টেল নিজে নিজের মতো করে বিভিন্ন থিমে কার্ড তৈরি করে। কার্ডের সঙ্গে থাকে ছোট ছোট গিফট। যেমন চকলেট,চিপস,ফুল ইত্যাদি। তত্ত্ব বিনিময়ের মত এই দিনটিতেও আমরা সকলে এক হোস্টেল থেকে অন্য হোস্টেলে গিয়ে কার্ড বিনিময় করি। (ছবি ও তথ্য: সায়নী সরকার)
বাংলা খবর/ছবি/দক্ষিণবঙ্গ/
New Year Greetings: টেক্সট-ইমোজির ভিড়ে হারায়নি আবেগ, হাতে লেখা গ্রিটিংস কার্ডে নতুন বছর উদযাপন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে!