Birbhum News:মহুল গাছের জঙ্গল কেটে গড়ে ওঠে গ্রাম, বীরভূমের কাছে মুলুটি মন্দির মন কাড়বে
- Reported by:Souvik Roy
- Published by:Rukmini Mazumder
Last Updated:
যে কোনও মনস্কামনা নিয়ে ঘুরে আসুন এই মন্দির থেকে,মিলবে মনের শান্তি
advertisement
1/5

বীরভূম,সৌভিক রায়: কলকাতা থেকে মাত্র ২১৩ কিলোমিটার দূরে বীরভূমের রামপুরহাট জংশন। রামপুরহাট স্টেশনের এক নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে বাইরে এলেই টোটো স্ট্যান্ড। সেখান থেকে টোটো নিয়ে যাওয়া যায় মা মৌলীক্ষার মন্দির। ছোটনাগপুর মালভূমির পূর্ব সীমান্তে ঝাড়খণ্ডের দুমকা জেলায় মুলুটি গ্রাম। সেখানেই দেবীর মন্দির
advertisement
2/5
রামপুরহাট স্টেশন থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে এই মন্দির। টোটোয় চেপে যেতে সময় লাগে এক ঘণ্টা। টোটো ভাড়া নেয় ১২০- ২০০ টাকা। টোটোয় যাওয়ার সময় রাস্তার দু'পাশে পড়বে ঘন মহুলবনের জঙ্গল
advertisement
3/5
নথি থেকে জানা যায়, আনুমানিক প্রায় ১৭৯০ সালে এক ইংরেজ আধিকারিকের রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই অঞ্চলে বাঘ-ভাল্লুক ছাড়াও বুনো হাতির উপদ্রব ছিল। যার জেরে পার্শ্ববর্তী প্রায় ৫৬টি গ্রাম চিরতরে জনশূন্য হয়ে যায়। তারই মধ্যে কঠোর সংগ্রাম করে টিকে গিয়েছিল সাঁওতাল অধ্যুষিত কিছু গ্রাম। যার অন্যতম পাতরাঙ্গা। মন্দিরে যাওয়ার পথেই পড়বে গ্রামটি
advertisement
4/5
স্থানীয় বাসিন্দা সুমন্ত সান্যাল জানান, আগে এই অঞ্চল ছিল বিহারে। পরিচিত ছিল সাঁওতাল পরগনা নামে। মলুটি অঞ্চল তারই একটি অংশ। আগে এখানে মহুল গাছের জঙ্গল ছিল। সেই জঙ্গল কেটে গ্রাম গড়ে উঠেছিল বলেই গ্রামের নাম হয়েছে মহুলটি। সেখান থেকে গ্রামের নাম হয় মুলুটি। আবার ভিন্নমতে দেবী মৌলীক্ষার নাম থেকেই জায়গাটির নাম হয়েছে মুলুটি
advertisement
5/5
দেবী মৌলীক্ষার মন্দিরে প্রবেশের পূর্বে স্বাগত জানাবে কারুকার্যময়, অত্যন্ত সুন্দর এক বিশালাকৃতির তোরণ। রাস্তার দু'পাশে গাছগাছালির মধ্যে দিয়ে ঢালাই রাস্তা, সেখান দিয়ে সোজা গেলেই দেবী মৌলীক্ষার মন্দির। মূল মন্দিরের আগে রয়েছে বিরাট আকারের নাটমন্দির। তারপর কয়েক পা গেলেই দেবীর গর্ভগৃহ।
বাংলা খবর/ছবি/দক্ষিণবঙ্গ/
Birbhum News:মহুল গাছের জঙ্গল কেটে গড়ে ওঠে গ্রাম, বীরভূমের কাছে মুলুটি মন্দির মন কাড়বে