Siliguri News: নতুন বছরের বড় উপহার, তিস্তার বুকে নয়া সেতুবন্ধন! উত্তরবঙ্গে খুশির হাওয়া
- Reported by:Ricktik Bhattacharjee
- local18
- Published by:Ankita Tripathi
Last Updated:
North Bengal: দার্জিলিং জেলার সেবক থেকে এলেনবাড়ি সংযোগকারী তিস্তা নদীর উপর নতুন সেতু নির্মাণের টেন্ডার প্রকাশিত হওয়ায় খুশির হাওয়া উত্তরবঙ্গ জুড়ে।
advertisement
1/5

<strong>শিলিগুড়ি, ঋত্বিক ভট্টাচার্য:</strong> দার্জিলিং জেলার সেবক থেকে এলেনবাড়ি সংযোগকারী তিস্তা নদীর উপর নতুন সেতু নির্মাণের টেন্ডার প্রকাশিত হওয়ায় খুশির হাওয়া উত্তরবঙ্গ জুড়ে। নতুন বছরের শুরুতেই এই গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোগত উদ্যোগকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন মহলে আশার আলো দেখা দিয়েছে।
advertisement
2/5
দীর্ঘদিন ধরেই ঐতিহাসিক করোনেশন ব্রিজের বিকল্প সেতুর দাবি জানিয়ে আসছিলেন পাহাড়, তরাই ও ডুয়ার্স অঞ্চলের বাসিন্দারা। সাংসদ রাজু বিস্তার উদ্যোগ ও ছয় বছরের নিরলস প্রচেষ্টার ফলেই এই প্রকল্প বাস্তবের পথে এগোল বলে জানা গেছে। নতুন সেতু নির্মিত হলে যানজট কমার পাশাপাশি যাতায়াত আরও নিরাপদ ও দ্রুত হবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। ছবি ও তথ্য : ঋত্বিক ভট্টাচার্য
advertisement
3/5
করোনেশন ব্রিজ উত্তরবঙ্গের একটি ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা হলেও আধুনিক ভারতের প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন সেতু সময়ের দাবি বলেই মনে করা হচ্ছে। এই প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সরকার মোট ১১৭২.৭৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে, যার মধ্যে সিভিল নির্মাণ, জমি অধিগ্রহণ ও পরিবেশ সংক্রান্ত খরচ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ছবি ও তথ্য : ঋত্বিক ভট্টাচার্য
advertisement
4/5
বর্তমানে দার্জিলিং, কালিম্পং, সিকিম, শিলিগুড়ি, ডুয়ার্স এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সেতু করোনেশন ব্রিজ। নতুন সেতু তৈরি হলে এই যোগাযোগের দায়িত্ব অনেকটাই ভাগ হবে, ফলে ঐতিহাসিক ব্রিজের উপর চাপ কমবে এবং দীর্ঘমেয়াদে তার সংরক্ষণও সম্ভব হবে।ছবি ও তথ্য : ঋত্বিক ভট্টাচার্য
advertisement
5/5
এই প্রকল্পের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়করি এবং এনএইচএআই কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সাংসদ রাজু বিস্তা। পাশাপাশি এই দাবিকে বাস্তবায়নের পথে যাঁরা আন্দোলন ও সহযোগিতা করেছেন— সেই সব সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষকেও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। নতুন সেতু উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত খুলে দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ছবি ও তথ্য : ঋত্বিক ভট্টাচার্য