Bon Durga Puja: বছরের শুরুতেই দুর্গাপুজো, উত্তরবঙ্গের গভীর জঙ্গলে মহাদেবীর অধিষ্ঠান! ভক্তদের জন্য সময় বেঁধে দিল বন দফতর
- Reported by:Ricktik Bhattacharjee
- hyperlocal
- Published by:Nayan Ghosh
Last Updated:
Siliguri Bon Durga Puja: বৈকণ্ঠপুর জঙ্গলের গভীরে অবস্থিত দিল্লি ভিটা চাঁদের খাল এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই ভক্তদের কাছে পবিত্র তীর্থক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।
advertisement
1/5

শিলিগুড়ি শহর সংলগ্ন বৈকণ্ঠপুর জঙ্গলের গভীরে অবস্থিত দিল্লি ভিটা চাঁদের খাল এলাকা অনেকের কাছেই অপরিচিত হলেও, এই স্থানটি দীর্ঘদিন ধরেই ভক্তদের কাছে পবিত্র তীর্থক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত। এখানেই অবস্থিত বন দুর্গা মন্দির, যেখানে প্রতিবছর পৌষ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে ধুমধাম করে পূজিত হন দেবী বন দুর্গা। জঙ্গলঘেরা নিভৃত পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই পুজোকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে আলাদা আবেগ ও বিশ্বাস জড়িয়ে রয়েছে। (ছবি ও তথ্য - ঋত্বিক ভট্টাচার্য)
advertisement
2/5
লোককথা অনুযায়ী, ব্রিটিশ আমলে দেবী চৌধুরানী ও ভবানী পাঠক করতোয়া নদীপথে নৌকাযোগে এই অঞ্চলে আসতেন এবং এটি ছিল তাঁদের গোপন আস্তানা। সেই সময় এখানে দেবী ‘ঠুনঠুনি মা’ নামে পূজিত হতেন। পরবর্তীকালে এই পূজোই বন দুর্গা পুজো নামে পরিচিতি পায়। ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘দেবী চৌধুরানী’ উপন্যাসে এই অঞ্চলের উল্লেখ করেছেন বলে মনে করা হয়।
advertisement
3/5
প্রথমদিকে স্থানীয় রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষের উদ্যোগেই এই পুজোর সূচনা হয়। পরবর্তীকালে একটি পুজো কমিটি গঠিত হলে নিয়মিত ও সুশৃঙ্খলভাবে বন দুর্গা পুজোর আয়োজন শুরু হয়। চলতি বছরে এই ঐতিহ্যবাহী পুজো ৪৫তম বর্ষে পদার্পণ করেছে, যা ঘিরে ভক্ত ও আয়োজকদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
advertisement
4/5
রাজগঞ্জের বৈকণ্ঠপুর জঙ্গলে অবস্থিত এই মন্দিরের পুজোর সময় জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কোচবিহার ছাড়াও প্রতিবেশী রাজ্য অসম এবং অন্যান্য রাজ্য থেকেও বহু ভক্তের সমাগম ঘটে। পুজো কমিটির সম্পাদক রাজু সাহা জানান, এবছর ২ তারিখ রাতে বন দুর্গা পুজো অনুষ্ঠিত হবে এবং ৩ তারিখ প্রসাদ বিতরণ করা হবে। দর্শনার্থীদের জন্য মন্দির খোলা থাকবে সকাল সাতটা থেকে বিকেল তিনটে পর্যন্ত। এছাড়াও সারা বছর পূর্ণিমা তিথিতে এখানে ছোট পরিসরে পুজো হয়ে থাকে।
advertisement
5/5
এদিকে বন দফতরের তরফে এ বছর একাধিক বিশেষ বিধি-নিষেধ জারি করা হয়েছে। ২ তারিখ সকাল দশটা থেকে বিকেল তিনটে এবং ৩ তারিখ সকাল ছয়টা থেকে দুপুর তিনটে পর্যন্ত ভক্তরা মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন। তবে পুজোর রাতে, অর্থাৎ ২ তারিখ রাতে, শুধুমাত্র পুজো কমিটির সদস্যদেরই উপস্থিত থাকার অনুমতি থাকবে। এ বছর জঙ্গলের ভিতরে কোনও মেলার আয়োজন করা হচ্ছে না, যদিও পুজোর সামগ্রী বিক্রেতারা থাকবেন। চারচাকা গাড়ি জঙ্গলের ভিতরে প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকায় সেগুলি ফরেস্ট বিট অফিসের সামনে রেখে দিতে হবে। টোটো, সাইকেল ও মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি থাকবে, পাশাপাশি থাকছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। (ছবি ও তথ্য : ঋত্বিক ভট্টাচার্য)