Tourism: পুজোর মুখে উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য বিরাট সুখবর! পর্যটকদের আনন্দ হবে এই খবর শুনে! বহুদিনের অপেক্ষা শেষ
- Reported by:SUROJIT DEY
- Published by:Suman Majumder
Last Updated:
North Bengal Tourism- এছাড়াও পর্যটকদের জন্য বিশেষ সুবিধা। তিস্তা ব্যারেজের সৌন্দর্য দেখতেই ভিড় জমে সারা বছর।এবার রাস্তায় ঝামেলা না থাকায় যাত্রা হবে নির্বিঘ্ন। গঙ্গারাম, লাটাগুড়ি বা গরুমারায় পৌঁছনো হবে দ্রুত।
advertisement
1/5

তিস্তা ব্যারেজের নতুন রূপ! পুজোর আগেই দারুন চমক উত্তরবঙ্গবাসীদের জন্য। দীর্ঘদিনের কাজের পর অবশেষে মেরামতের কাজ শেষ। চকচকে নতুন বিটুমিনে সাজল গাজলডোবা তিস্তা ব্যারেজের রাস্তা। স্থানীয় বিধায়কের উপস্থিতিতে রাস্তার উদ্বোধন ঘিরে উচ্ছ্বাস। গ্রাম থেকে শহর— সকলের মুখে হাসির ঝিলিক।
advertisement
2/5
শিলিগুড়ি থেকে ডুয়ার্স যাওয়ার যাত্রা আরও মসৃণ। ঝাঁকুনি নয়, এবার রাস্তা হবে স্বপ্নের মতো। ড্রাইভার থেকে পর্যটক— সকলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। এই রাস্তা খুলতেই পর্যটন শিল্পে নতুন গতি আসবে। তিস্তা ব্যারেজের সংস্কারের জন্য সংলগ্ন রাস্তা বন্ধ থাকায় কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছিল গজলডোবার পর্যটন ব্যবসা। বন্ধ ছিল পাখি বিতান, প্রায় ৭২ টি নৌকা বিহার ।তবে এবার খানিক স্বস্তি!
advertisement
3/5
পুজোর আগে বড় খবর পেল উত্তরবঙ্গবাসী। চলাচলের সুবিধায় এবার আরও বেড়ে যাবে আনন্দ। দূরদূরান্ত থেকে ভ্রমণকারীরা ছুটে আসবেন সহজে। পুজোর ভিড়ে বাড়বে স্থানীয় অর্থনীতিরও গতি। গত ২৭ এপ্রিল থেকে বন্ধ ছিল এই রাস্তা, তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই খুলে গেল গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি। এদিন সংস্কারের পর সেতুটি খুলে দেন মন্ত্রী বুলুচিক বড়াইক, রাজ গঞ্জের বিধায়ক খগয়েশ্বর রায়, জলপাইগুড়ির ডিএম সহ অন্যান্য আধিকারিকেরা।
advertisement
4/5
এত দিন বন্ধ থাকার কারণে এই সেতু দিয়ে বাইক থেকে শুরু করে টোটো বা অ্যাম্বুলেন্স সব চলাচল বন্ধ ছিল। শিলিগুড়ি-সহ ডুয়ার্সের যোগাযোগ এর দ্বিতীয় বিকল্প সেতু ছিল এই তিস্তা ব্যারেজ সেতু। ১০০ দিনের বেশি বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়ে সাধারণ মানুষ এবং পর্যটকেরা। তবে আজ থেকে সেতু খুলে যাওয়ায় খুশি সবাই।
advertisement
5/5
এছাড়াও পর্যটকদের জন্য বিশেষ সুবিধা। তিস্তা ব্যারেজের সৌন্দর্য দেখতেই ভিড় জমে সারা বছর।এবার রাস্তায় ঝামেলা না থাকায় যাত্রা হবে নির্বিঘ্ন। গঙ্গারাম, লাটাগুড়ি বা গরুমারায় পৌঁছনো হবে দ্রুত। একই সঙ্গে হোমস্টে ও রিসর্টগুলোর ব্যবসায় লাভ। শুধু পর্যটক নয়, সাধারণ মানুষও উপকৃত হবেন। চাষের মাল, দৈনন্দিন পণ্য পরিবহন হবে সহজ। স্কুল-কলেজে যাতায়াত করবে ছাত্রছাত্রীরাও নির্বিঘ্নে। এই রাস্তা খুলে উত্তরবঙ্গবাসীর জীবন আরও আরামদায়ক হল!