Darjeeling Toy Train: শীতের মুখে পাহাড়ে ফের টয়ট্রেনের 'কু ঝিক ঝিক' শব্দ, ঘুম উৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে
- Reported by:Ricktik Bhattacharjee
- hyperlocal
- Published by:Shubhagata Dey
Last Updated:
Darjeeling Toy Train: দোরগোড়ায় ঘুম উৎসব, আর তাকে ঘিরেই শতাব্দী প্রাচীন টয় ট্রেন এবার নতুন রূপে সেজে প্রস্তুত পর্যটকদের স্বাগত জানাতে।
advertisement
1/6

*দার্জিলিং, ঋত্বিক ভট্টাচার্য: পাহাড়ে শীত নামার আগেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের (ডিএইচআর) দফতরে। যেন উৎসবের আগমনী সুরে কেঁপে উঠতে শুরু করেছে পাহাড়ি রেলপথ। কারণ দোরগোড়ায় ঘুম উৎসব, আর তাকে ঘিরেই শতাব্দী প্রাচীন টয় ট্রেন এবার নতুন রূপে সেজে প্রস্তুত পর্যটকদের স্বাগত জানাতে।
advertisement
2/6
*ডিএইচআর-এর শীর্ষ কর্তাদের বক্তব্য, এ বছরের ঘুম উৎসব শুধুই সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়, বরং রেলের ঐতিহ্য ও ইতিহাসকে আরও দৃশ্যমান করে তোলা হবে নতুন পরিষেবার মাধ্যমে। বেঙ্গালুরু থেকে আনা হয়েছে দু’টি হেরিটেজ ইঞ্জিন—যেগুলি বহুদিন পর আবার দার্জিলিং পাহাড়ের রেলপথে ছুটবে। উৎসবের দিন থেকেই এই ইঞ্জিনগুলির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে, যা নিঃসন্দেহে পাহাড়প্রেমীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ।
advertisement
3/6
*পর্যটকের চাপ সামলাতে এবার বাড়ানো হয়েছে টয়ট্রেনের সংখ্যাও। ডিএইচআর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মরশুমেই ছ’টি নতুন টয়ট্রেন পরিষেবা রোজ চলবে। বিশেষ করে নিউ জলপাইগুড়ি (এনজেপি) থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত টয়ট্রেনের বাড়তি চাহিদার জেরে চালু করা হচ্ছে একটি স্থায়ী দৈনিক ট্রেন। এতদিন সকাল ৯.৩০-এ অস্থায়ী একটি পরিষেবা থাকলেও, এবার তা বদলে সকাল ৭.৩০ মিনিটে একটি নিয়মিত ট্রেন চালানো হবে—যা দিনের আলোয় পাহাড়ের আসল সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ বাড়াবে।
advertisement
4/6
*অন্যদিকে, ঘুম থেকে দার্জিলিংয়ের জনপ্রিয় জয়রাইড পরিষেবার সংখ্যাও বাড়ছে। বর্তমানে আটটি পরিষেবা থাকলেও শীতের মরসুমে তা বাড়িয়ে বারো করা হবে। টিকিটের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় অনেক পর্যটকই হতাশ হয়ে ফিরতেন—নতুন চারটি জয়রাইড সেই সমস্যায় বড় মাপের স্বস্তি দেবে।
advertisement
5/6
*ডিএইচআর আরও জানিয়েছে, এনজেপি থেকে তিনধারিয়া পর্যন্ত বিশেষ বিকেলবেলার জয়রাইড চালুর প্রস্তুতিও চলছে। সান্ধ্য আলোয় পাহাড়–জঙ্গল–উপত্যকার দৃশ্য দেখার সুযোগ যে পর্যটকেরা হাতছাড়া করতে চাইবেন না, তা বলাই বাহুল্য।
advertisement
6/6
*সব মিলিয়ে, ঘুম উৎসবকে কেন্দ্র করে পাহাড়ি রেলপথ আবারও জীবন্ত হয়ে উঠছে। টয়ট্রেনের হুইসেলের প্রতিধ্বনি আর শীতের স্বচ্ছ, নীলচে পাহাড়ি আকাশ—এই দুইয়ের মেলবন্ধনে দার্জিলিংকে ফের স্বপ্নের গন্তব্য করে তুলতে প্রস্তুত ডিএইচআর।