Indian Railways: বাংলা-অসম পাচ্ছে ৯টি নতুন অমৃত ভারত ট্রেন, কোন কোন রুটে যাওয়া আরও সহজ হল জানুন
- Reported by:Maitreyee Bhattacharjee
- news18 bangla
- Published by:Pooja Basu
Last Updated:
পশ্চিম বাংলার ক্ষেত্রে উত্তরবঙ্গের নিউ জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার বাড়তি গুরুত্ব পেতে চলেছে। বাংলা এবং অসমের নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই এই নতুন ট্রেন চালু বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল৷
advertisement
1/6

প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসম থেকে ৯টি অমৃত ভারত ট্রেন চালুর ঘোষণা রেল মন্ত্রকের৷ অসম এবং পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুরু করে বিহার, উত্তর প্রদেশ, দিল্লি এবং ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ হয়ে তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র এবং কর্নাটকে একাধিক জায়গায় পৌঁছবে এই ট্রেন।
advertisement
2/6
পরিযায়ী শ্রমিকদের কথা মাথায় রেখে স্বল্প খরচে এই ট্রেন যাত্রার সূচনা করতে চলেছে রেল। চেন্নাই এবং বেঙ্গালুর মতো শহরে পৌঁছানোর সুবিধা বাড়ছে এই ট্রেনগুলির ফলে। এবং অনেকটা কম টাকায় এই ট্রেনগুলিতে যাত্রা করতে পারবেন শ্রমিকরা৷
advertisement
3/6
পশ্চিম বাংলার ক্ষেত্রে উত্তরবঙ্গের নিউ জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার বাড়তি গুরুত্ব পেতে চলেছে। বাংলা এবং অসমের নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই এই নতুন ট্রেন চালু বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল৷
advertisement
4/6
কোন কোন রুটে চলবে নতুন অমৃত ভারত? জেনে নিন নতুন ট্রেনের রুটগুলি1. গুয়াহাটি (কামাখ্যা) – রোহতক অমৃত ভারত এক্সপ্রেস2. ডিব্রুগড় – লখনউ (গোমতি নগর) অমৃত ভারত এক্সপ্রেস3. নিউ জলপাইগুড়ি – নাগেরকইল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস4. নিউ জলপাইগুড়ি – তিরুচিরাপল্লি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস5. আলিপুরদুয়ার – SMVT বেঙালুরু অমৃত ভারত এক্সপ্রেস6. আলিপুরদুয়ার – মুম্বই (পানভেল) অমৃত ভারত এক্সপ্রেস7. কলকাতা (সাতরাগাছি) – তামবারাম অমৃত ভারত এক্সপ্রেস8. কলকাতা (হাওড়া) – আনন্দ বিহার টার্মিনাল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস9. কলকাতা (শিয়ালদহ) – বেনারস অমৃত ভারত এক্সপ্রেস
advertisement
5/6
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যটি পূর্ব ভারত, উত্তর-পূর্ব ভারত এবং আন্তর্জাতিক সংযোগের জন্য একটি প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিন হিসেবে কাজ করার সম্ভাবনা রাখে। ২০১৪ সাল থেকে ভারতীয় রেলওয়ে রাজ্যজুড়ে পরিকাঠামো সম্প্রসারণ, স্টেশনগুলির আধুনিকীকরণ এবং যাত্রী পরিষেবার উন্নতির মাধ্যমে এই অংশগ্রহণকে সম্ভব করে তুলতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
advertisement
6/6
কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিকাশের চিন্তা স্পষ্ট এবং ধারাবাহিক। সংযোগব্যবস্থাকে উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।পরিকাঠামোকে সুযোগ সৃষ্টির সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও, এটি নিশ্চিত করেছে যে প্রবৃদ্ধি অবশ্যই শেষ প্রান্ত পর্যন্ত পৌঁছবে। কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে শক্তিশালী সমন্বয়-সহ ডাবল ইঞ্জিন শাসন মডেলটি উন্নয়নের গতিকে উল্লেখযোগ্যভাবে ত্বরান্বিত করেছে। ফলস্বরূপে, অসম ভারতের রেল উন্নয়ন তালিকার প্রান্তিক অবস্থান থেকে কেন্দ্রে চলে এসেছে। এই রূপান্তরটি সরকারি বিনিয়োগে ব্যাপক বৃদ্ধির দ্বারা হয়েছে।