Harish Rana Cremation: গোলাপের পাপড়িতে ঢেকে দেওয়া হল, ১৩ বছরের অনন্ত কষ্টের শেষে ‘মহানির্বাণ’, হরিশ রানার নশ্বর শরীর হল বিলীন
- Published by:Debalina Datta
Last Updated:
Harish Rana Cremation: গুরুতর অসুস্থ রোগীকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য ব্যবহৃত লাইফ সাপোর্ট বা চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়, যাতে ব্যক্তিটি স্বাভাবিকভাবে মারা যেতে পারে। আর সেইভাবে ১৪তম দিনে মৃত্যু এল হরিশ রানার৷
advertisement
1/6

কলকাতা: এ এক অন্যরকমের শেষকৃত্য৷ একজনের জীবন যা মা-বাবার মতে ইচ্ছামৃত্যু নিয়ে এসেছে ছেলের জীবনে৷ ১৩ বছরের অভিশপ্ত জীবন শেষ হয়ে গাজিয়াবাদের বাসিন্দা হরিশ রানার নশ্বর দেহ বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় তাঁর শেষকৃত্যের জন্য দিল্লির গ্রিন পার্ক শ্মশানে আনা হয়। শীঘ্রই তাঁর দাহকার্য সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ সময় তাঁর বাবা হাতজোড় করে লোকজনকে না কাঁদার জন্য আবেদন জানান এবং বলেন যে তাঁর ছেলে যেন শান্তিতে বিদায় নেয়।
advertisement
2/6
গত ২৪ মার্চ দিল্লির এইমস-এ হরিশ রানা মারা যান। ৩১ বছর বয়সী যুবক গত ১৩ বছর ধরে কোমায় ছিলেন। গত ১১ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট ইচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দেয়, যা ছিল দেশের প্রথম এমন ঘটনা।
advertisement
3/6
এর আগে, পরিবার হরিশের হার্ট ভালভ এবং কর্নিয়া দান করেছিল। এইমস নিশ্চিত করেছে যে মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে তিনি মারা গেছেন। তাকে আইআরসিএইচ-এর অনকোলজি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছিল, যেখানে ডাক্তার সীমা মিশ্র তাঁর চিকিৎসা করছিলেন।
advertisement
4/6
এইমস-এ হরিশকে প্যাসিভ ইউথানেশিয়া দেওয়া হয়েছিল। এর অর্থ হলো, গুরুতর অসুস্থ রোগীকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য ব্যবহৃত লাইফ সাপোর্ট বা চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়, যাতে ব্যক্তিটি স্বাভাবিকভাবে মারা যেতে পারে।
advertisement
5/6
১৪ মার্চ দিল্লি এইমসে স্থানান্তর করা হয়েছিলহরিশকে ১৪ মার্চ দিল্লি এইমসে স্থানান্তর করা হয়েছিল।১৬ মার্চ এইমস কর্তৃপক্ষ হরিশ রানার ফিডিং টিউবটি খুলে ফেলে।
advertisement
6/6
মা নির্মলা রানা এবং বাবা অশোক রানাকে এইমস কর্তৃপক্ষ হরিশের ওয়ার্ডের পাশেই একটি ঘর দেয়। নির্মলা তার ছেলের সঙ্গেই বেশিরভাগ সময় কাটাতেন। বাবা অশোক রানা, ভাই এবং বোন মাঝে মাঝে দেখা করতে আসতেন।