TRENDING:

'গুড মর্নিং, চিনি...'! বারামতী দুর্ঘটনার আগেই প্রিয় দাদীকে Whatsapp! ক্যাপ্টেন শম্ভাবী পাঠকের দিদাকে পাঠানো শেষ বার্তায় কী ছিল জানেন?

Last Updated:
Captain Shambhavi Pathak: বর্তমানে গোয়ালিয়রেই থাকেন শম্ভাবীর দাদি মীরা পাঠক। নাতনি হারিয়ে কার্যত ভগ্নহৃদয়। দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া সেই মন নিয়েই জানালেন, দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে, বুধবার সকাল ৬:৩৬ মিনিটে, শম্ভাবী একটি মেসেজ পাঠান দিদাকে। এর কিছুক্ষণ পরেই বিমানে উঠে উড়ে যান শম্ভাবী। আর ফেরেননি।
advertisement
1/8
'গুড মর্নিং, চিনি...'! ক্যাপ্টেন শম্ভাবী পাঠকের দিদাকে পাঠানো শেষ বার্তায় কী ছিল জানেন?
মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা দেশ। মুম্বই থেকে বারামতী যাওয়ার পথেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভেঙে পরে চার্টার বিমানটি। মুহূর্তে ছাই হয়ে যায় যাত্রী-সহ বিমান।
advertisement
2/8
বিমানটির পাইলট শম্ভাবী পাঠক-সহ এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ বাঁচেনি একজন যাত্রীরও। সূত্রের খবর, ২৮ জানুয়ারি সকাল ৮:৪৫ মিনিটে বারামতী বিমানবন্দরে অবতরণের সময়ই বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি মাঠে পরে যায়। শম্ভাবী পাঠক ছিলেন বিমানের প্রথম কমান্ড অফিসার।
advertisement
3/8
মূলত গোয়ালিয়রের বাসিন্দা ছিলেন শম্ভাবী। শৈশব কেটেছে গোয়ালিয়রের এয়ারফোর্স কলোনিতে। বাবা ছিলেন ভারতীয় বিমান বাহিনীর একজন কর্মকর্তা। তাই শৈশব থেকেই যুদ্ধবিমান এবং বিমান চালানোর প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল শম্ভাবীর।
advertisement
4/8
২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত গোয়ালিয়রের এয়ারফোর্স এলাকার প্রথম সারির স্কুলেই পড়াশোনা শেষ করেন শম্ভাবী। মধ্যপ্রদেশ ফ্লাইং ক্লাবের সদস্যও ছিলেন চৌখস এই মেয়েটি। সেখানেই শুরু হয় তাঁর বিমান চালনার ট্রেনিং। কিছুদিনেই কঠোর পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার মাধ্যমে, একজন ভিআইপি চার্টার ফ্লাইট পাইলট হয়ে ওঠে শম্ভাবী।
advertisement
5/8
বর্তমানে গোয়ালিয়রেই থাকেন শম্ভাবীর দাদি মীরা পাঠক। নাতনি হারিয়ে কার্যত ভগ্নহৃদয়। দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া সেই মন নিয়েই জানালেন, দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে, বুধবার সকাল ৬:৩৬ মিনিটে, শম্ভাবী একটি মেসেজ পাঠান দিদাকে। "গুড মর্নিং, দাদা।" এর কিছুক্ষণ পরেই বিমানে উঠে উড়ে যান শম্ভাবী। আর ফেরেননি।
advertisement
6/8
দিদা মীরা পাঠক জানালেন, গোয়ালিয়রে শম্ভাবীর বাড়ি এখনও মডেল যুদ্ধবিমান নিয়ে খেলার নানা মুহূর্তের শৈশবের ছবি দিয়ে ভরা সারা বাড়ি। পরিবারের সকলেরই উৎসাহ ছিল বিমান চালনার দিকে, আর সেটিকেই পেশা করে নিয়েছিলেন সদ্য তারুণ্যে পা রাখা শম্ভাবী।
advertisement
7/8
আমাকে 'দাদি' বলে ডাকাটা আমার পছন্দ ছিল না...দাদী মীরা পাঠক জানান, মুরারের কেডিজে নার্সিং হোমে জন্ম হয়েছিল শম্ভাবীর। কয়েক বছর গোয়ালিয়রের বিমান বাহিনী স্কুল, বিদ্যা ভারতীতে পড়াশোনা করেছিলেন শম্ভাবী।
advertisement
8/8
তারপর সেখান থেকে দিল্লি। ১৯৭৫ সাল থেকে লোধি রোডের বাল ভারতীতে পড়াশোনা করেন শম্ভাবী। এরপর পাইলট প্রশিক্ষণের জন্য যান নিউজিল্যান্ড। "চিনি সবসময় আমাকে 'দাদা' বলে ডাকত কারণ আমি 'দাদী' বলে ডাকা পছন্দ করতাম না। আর আমরা ওকে আদর করে 'চিনি' বলে ডাকতাম। আমরা সকাল ১১ টায় দুর্ঘটনার কথা জানতে পারি। তারপরেই আমি শম্ভাবীর বাবাকে ফোন করি, মুহূর্তে নেমে আসে অন্ধকার।"
বাংলা খবর/ছবি/দেশ/
'গুড মর্নিং, চিনি...'! বারামতী দুর্ঘটনার আগেই প্রিয় দাদীকে Whatsapp! ক্যাপ্টেন শম্ভাবী পাঠকের দিদাকে পাঠানো শেষ বার্তায় কী ছিল জানেন?
দেশের সব লেটেস্ট খবর ( National News in Bengali ) এবং বিদেশের সব খবর ( World News in Bengali ) পান নিউজ 18 বাংলায় ৷ দেখুন ব্রেকিং নিউজ এবং টপ হেডলাইন নিউজ 18 বাংলার লাইভ টিভিতে ৷ ডাউনলোড করুন নিউজ 18 বাংলার অ্যাপ অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস-এ ৷ News18 Bangla-কে গুগলে ফলো করতে ক্লিক করুন এখানে ৷
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল