Ajab Gajab: স্বামী সামনে দাঁড়িয়ে, স্ত্রী-র সিঁথিতে সিঁদুর ভরে দিলেন প্রেমিক! পতিদেব নিজে হাতে করলেন আশীর্বাদ
- Published by:Debalina Datta
- news18 bangla
Last Updated:
Ajab Gajab: স্বামী সামনে দাঁড়িয়ে ছিল, প্রেমিক স্ত্রী’র সিঁথিতে সিঁদুর দিল, স্বামী নিজেই নতুন জুটিকে আশীর্বাদ দিল
advertisement
1/7

কলকাতা: Jaunpur Love Story: প্যায়ার কিয়া তো ডরনা কেয়া! ইউপি’র জৌনপুরে এক অদ্ভুত ঘটনা সেই প্রেমের জয়ের গল্পই সামনে নিয়ে এসেছে৷ যেখানে স্বামী উপস্থিত থেকে নিজের স্ত্রী’র বিয়ে দেন তাঁর পরকীয়া করা প্রেমিকের সঙ্গে৷ পুরো এলাকায় এই ঘটনা নিয়ে তোলপাড় হচ্ছে। গল্প হার মানাবে সিনেমার স্ক্রিপ্টকেও৷ Photo- Representative
advertisement
2/7
উত্তরপ্রদেশের এক জেলার গল্প অদ্ভুত এবং আবেগপূর্ণ৷ পরিবর্তিত সামাজিক পরিস্থিতিতে সম্পর্ক, ত্যাগ আর বোঝাপড়ার নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং শুরু হয়েছে তোলপাড়। এই গল্প পম্পি প্রজাপতি, তনজয় প্রজাপতি আর রাজু বৈরাগী’র। জৌনপুরের জলালপুরের বাসিন্দা পম্পি প্রজাপতি’র বিয়ে ২০২২ সালে তনজয় প্রজাপতি যিনি মির্জাপুরের বাসিন্দা- তার সঙ্গে হয়েছিল। বিয়ের পর পম্পি এক ছেলের জন্ম দেয়, তার এখন বয়স প্রায় তিন বছর। শুরুতে দাম্পত্য জীবন স্বাভাবিক ছিল, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পম্পি আর তনজয়’র সম্পর্কে দূরত্ব বাড়তে থাকে। এই সময়েই পম্পি’র পরিচয় হয় রাজু বৈরাগী’র সঙ্গে, যা ধীরেধীরে প্রেমের সম্পর্কে বদলে যায়। Photo- Representative
advertisement
3/7
কিছুদিন পর পম্পি তার প্রেমিক রাজু বৈরাগী’র সঙ্গে বেরিয়ে যায়। এই ঘটনার পর বিষয়টা পরিবার আর সমাজের সামনে আসে। তবে, এই পুরো ঘটনায় সবচেয়ে চমকপ্রদ আর আবেগপূর্ণ দিকটা তখন সামনে আসে, যখন স্বামী তনজয় প্রজাপতি স্ত্রী-র এই পরকীয়ায় অশান্তি করার বদলে বোঝাপড়া আর শান্তিতে সমাধানের পথ বেছে নেয়।
advertisement
4/7
প্রেমিকের সঙ্গে বিয়েতে উপস্থিত স্বামীপম্পি আর রাজু নিজেদের সম্মতিতে মন্দিরে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই বিয়ের সময় সবচেয়ে অদ্ভুত দৃশ্য ছিল যখন স্বামী তনজয় প্রজাপতি নিজে সেখানে উপস্থিত থেকে স্ত্রী’র নতুন জীবনের শুরুতে তাদের আশীর্বাদ দেয়। মন্দিরে প্রেমিক রাজু বৈরাগী পম্পি’র সিঁথিতে সিঁদুর দেয় এবং স্বামী তনজয় কোনো প্রতিবাদ ছাড়াই এই সম্পর্ক মেনে নিয়ে দু’জনকে সুখী জীবনের শুভকামনা জানায়।
advertisement
5/7
বাবার সঙ্গে থাকবে ছেলেএই সিদ্ধান্তের সঙ্গে এটাও ঠিক হয় যে, পম্পি আর তনজয়’র তিন বছর বয়সী ছেলে এখন তার বাবার সঙ্গেই থাকবে। যাতে ছেলের ভবিষ্যৎ নিরাপদ আর স্থিতিশীল থাকে তনজয় ছেলের দায়িত্ব নিজে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্তকেও মানুষ বড় ত্যাগ আর বাবার ভালবাসার দৃঢ বন্ধন হিসেবে দেখছে।
advertisement
6/7
এই ঘটনা যেখানে একদিকে সামাজিক রীতিনীতির বাইরে, সেখানে অন্যদিকে পারস্পরিক সম্মতি, সম্মান আর দায়িত্বের উদাহরণও। স্বামীর দ্বারা স্ত্রী’র নতুন সম্পর্ক মেনে নেওয়া আর আশীর্বাদ দেওয়া সমাজে বিরল। আবার, স্ত্রী’র নিজের নতুন প্রেমের সঙ্গে জীবন শুরু করাও সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
advertisement
7/7
প্রেম আর ত্যাগের নতুন উদাহরণএখন এই ঘটনা এলাকায় আলোচনার বিষয় হয়ে আছে। কেউ কেউ এটাকে সম্পর্কের নতুন সংজ্ঞা বলছে, কেউ আবার পারিবারিক মূল্যবোধ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। কিন্তু এতে কোনও সন্দেহ নেই, এই গল্প প্রেম, ত্যাগ আর বোঝাপড়ার এক অদ্ভুত উদাহরণ হয়ে সামনে এসেছে। Photo- Representative