'রানওয়ে দেখতে পাচ্ছি না,' প্লেন ক্র্যাশের আগে শেষ বার্তায় চালক বলেছিলেন...বারামতীতে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?
- Published by:Soumendu Chakraborty
- news18 bangla
Last Updated:
পাইলটরা বলেন, “এই মুহূর্তে রানওয়ে চোখে পড়ছে না, রানওয়ে দেখলে জানাব।”
advertisement
1/6

বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা অজিত পওয়ারের। বারামতীর টেবিলটপ রানওয়েতে অবতরণের সময় দুর্ঘটনার মুখে পড়ে অজিত পওয়ারের চার্টাড বিমান। এই দুর্ঘটনার পরেই ওই সময়ের চালক এবং এটিসির প্রতি মুহূর্তের বিস্তারিত বিবরণ সামনে এনেছে অসামরিক বিমান মন্ত্রক বা ডিজিসিএ।
advertisement
2/6
এর পর পুনে অ্যাপ্রোচ থেকে ছাড়া পাওয়ার পর, বারামতি থেকে ৩০ নটিক্যাল মাইল দূরে থাকা অবস্থায় বিমানটি আবার রেডিও কল করে।সেই সময় ক্রুদের পাইলটের বিবেচনায় ভিজ্যুয়াল মেটিওরোলজিক্যাল কন্ডিশনস (VMC) অনুযায়ী নামতে বলা হয়।
advertisement
3/6
এর কিছুক্ষণ পর ক্রুরা তখনকার বাতাসের গতি ও দৃশ্যমানতা সম্পর্কে জানতে চান।তাদের জানানো হয়, বাতাস শান্ত এবং দৃশ্যমানতা প্রায় ৩,০০০ মিটার।এরপর বিমানটি জানায় যে তারা রানওয়ে ১১-এ ফাইনাল অ্যাপ্রোচে রয়েছে, তবে রানওয়েটি চোখে পড়ছে না। এর পর প্রথম অ্যাপ্রোচেই ক্রুরা গো-অ্যারাউন্ড করার সিদ্ধান্ত নেন।গো-অ্যারাউন্ডের পর বিমানটিকে নিজের অবস্থান জানাতে বলা হয়। ক্রুরা জানান, তারা আবার রানওয়ে ১১-র ফাইনাল অ্যাপ্রোচে রয়েছেন। (প্রতীকী ছবি)
advertisement
4/6
তাদের রানওয়ে চোখে পড়লে জানাতে বলা হয়। পাইলটরা বলেন, “এই মুহূর্তে রানওয়ে চোখে পড়ছে না, রানওয়ে দেখলে জানাব।”কয়েক সেকেন্ড পর তারা জানান, রানওয়ের সঙ্গে ভিজ্যুয়াল কন্ট্যাক্ট হয়েছে। সকাল ৮টা ৪৩ মিনিটে (IST) বিমানটিকে রানওয়ে ১১-তে অবতরণের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে মন্ত্রক জানিয়েছে, অবতরণের এই ক্লিয়ারেন্সের কোনও রিডব্যাক ক্রুরা দেননি।(প্রতীকী ছবি)
advertisement
5/6
এক মিনিট পর, সকাল ৮টা ৪৪ মিনিটে, এয়ারফিল্ডে থাকা কর্মীরা রানওয়ে ১১-র থ্রেশহোল্ডের কাছে আগুনের শিখা দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে জরুরি পরিষেবাগুলিকে দুর্ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।পরবর্তীতে ধ্বংসাবশেষটি রানওয়ে ১১-র থ্রেশহোল্ডের বাম দিকে পাওয়া যায়। বিমান দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ারের মৃত্যু হয়
advertisement
6/6
দুর্ঘটনার পরপরই এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (AAIB) তদন্তের দায়িত্ব নেয়। AAIB-এর ডিরেক্টর জেনারেল তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে রওনা দেন।মন্ত্রক জানিয়েছে, তদন্তে নতুন তথ্য পাওয়া গেলে তা ধাপে ধাপে প্রকাশ করা হবে। এই দুর্ঘটনায় মুম্বই-বারামতি চার্টার্ড ফ্লাইটে থাকা পাঁচজনের সকলেই প্রাণ হারান।নিহতদের মধ্যে ছিলেন অজিত পওয়ার, তাঁর দুই কর্মী, একজন ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তা, একজন সহকারী এবং বিমানের দুইজন ক্রু সদস্য।