অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মোড়া স্যান্ডউইচ–পরোটা খাচ্ছেন? খাবার গরম থাকবে ঠিকই, কিন্তু স্বাস্থ্যের গ্যারান্টি নেই—ডেকে আনতে পারে কোন কোন রোগ? জানুন...
- Published by:Soumendu Chakraborty
Last Updated:
Aluminum Foil Health Dangers: ঘরে ঘরে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের ব্যবহার খুবই সাধারণ—রুটি, পরোটা, স্যান্ডউইচ মুড়ে রাখা হোক বা খাবার সংরক্ষণ করা। অনেকেই বাচ্চাদের টিফিনে প্রতিদিন অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে খাবার প্যাক করেন, যাতে খাবার দীর্ঘক্ষণ গরম থাকে। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন, এই অভ্যাসটি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকরও হতে পারে?
advertisement
1/7

ঘরে ঘরে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের ব্যবহার খুবই সাধারণ—রুটি, পরোটা, স্যান্ডউইচ মুড়ে রাখা হোক বা খাবার সংরক্ষণ করা। অনেকেই বাচ্চাদের টিফিনে প্রতিদিন অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে খাবার প্যাক করেন, যাতে খাবার দীর্ঘক্ষণ গরম থাকে। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন, এই অভ্যাসটি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকরও হতে পারে?
advertisement
2/7
অনেকেরই মনে হয়, এতে ক্ষতির কী আছে—সস্তায় এমন একটা বিকল্প মিলছে যা খাবারের ওজন না বাড়িয়েই তা গরম রাখতে সাহায্য করছে। কিন্তু বাস্তবে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল আপনি যে ভাবে ব্যবহার করেন, সেটাই আপনার স্বাস্থ্যের উপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
advertisement
3/7
২০২৪ সালে Food Bioscience Journal-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় জানা গেছে, অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়ে উচ্চ তাপে ভাজা মাছের মধ্যে ধাতুর পরিমাণ অত্যন্ত বেশি পাওয়া যায়। মাছ ভাজার পর ফয়েলের ওজনে শতাংশের হিসাবে কমে যাওয়া লক্ষ্য করা গেছে, যা স্পষ্ট করে যে ফয়েলে থাকা ধাতব উপাদান গলে বা লিক হয়ে মাছের মধ্যে মিশে গেছে।
advertisement
4/7
আরও একটি গবেষণায় বেকিং প্রক্রিয়ার সময় অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল থেকে অ্যালুমিনিয়াম কতটা খাবারে মিশে যায়, তার পরিমাণ বিশ্লেষণ করা হয়। গবেষকরা দেখতে পান, বেক করা খাবারগুলিতে অ্যালুমিনিয়ামের মাত্রা প্রায় ৪০ গুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। এই খাবারগুলোর মধ্যে ছিল—অ্যাটলান্টিক স্যামন, ম্যাকেরেল, ডাক ব্রেস্ট, হারমেলিন চিজ, টমেটো, পাপরিকা, কার্লসবাড ডাম্পলিং, পোর্ক রোস্ট, পোর্ক নেক, চিকেন ব্রেস্ট এবং চিকেন থাই। এতে স্পষ্ট বোঝা যায়, বেকিংয়ের সময় অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল ব্যবহার করলে খাবারে ধাতুর পরিমাণ বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যেতে পারে।
advertisement
5/7
অ্যালুমিনিয়াম টক ও নোনতা খাবারের সঙ্গে সহজেই বিক্রিয়া করে। টমেটো, লেবু, ভিনেগার, আচার ও মশলাদার গ্রেভির মতো খাবারের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি। এমন পরিস্থিতিতে এই ধরনের খাবার যদি অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল বা অ্যালুমিনিয়ামের পাত্রে রান্না বা সংরক্ষণ করা হয়, তাহলে অল্প হলেও অ্যালুমিনিয়াম খাবারের মধ্যে মিশে যেতে পারে।
advertisement
6/7
দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত মাত্রায় অ্যালুমিনিয়াম গ্রহণ করলে হাড়ের সমস্যা, কিডনির ওপর চাপ এবং স্নায়ুতন্ত্র (নার্ভাস সিস্টেম) সংক্রান্ত জটিলতা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে যাঁরা কিডনির রোগে ভুগছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি, কারণ তাঁদের শরীর থেকে অ্যালুমিনিয়াম সহজে বেরিয়ে যেতে পারে না।
advertisement
7/7
এমন পরিস্থিতিতে শরীরকে গুরুতর ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল ব্যবহার করার সময় কিছু বিষয় মাথায় রাখা খুব জরুরি। যেমন—ক্ষতিগ্রস্ত, আঁচড় পড়া বা খুব পাতলা অ্যালুমিনিয়ামের পাত্র ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন। এতে অ্যালুমিনিয়াম লিক হয়ে খাবারের মধ্যে মিশে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এছাড়া গরম খাবার সরাসরি অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়ে দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষণ করাও ক্ষতিকর হতে পারে। তাই খাবার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে বিকল্প নিরাপদ উপকরণ ব্যবহার করাই শরীরের জন্য ভালো।
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মোড়া স্যান্ডউইচ–পরোটা খাচ্ছেন? খাবার গরম থাকবে ঠিকই, কিন্তু স্বাস্থ্যের গ্যারান্টি নেই—ডেকে আনতে পারে কোন কোন রোগ? জানুন...