Snoring: শীতের রাতে সঙ্গীর নাসিকা গর্জনে ঘুমের দফারফা? রইল সহজ টোটকা! পালাবে নাক ডাকা!
- Written by:Bengali news18
- news18 bangla
- Published by:Arpita Roy Chowdhury
Last Updated:
Snoring: শীতের বাতাস কেবল ঠান্ডাই নয়, খুব শুষ্কও। যখন আমরা এই বাতাসে শ্বাস নিই, তখন নাক এবং গলার ভেতরের আস্তরণ শুকিয়ে যেতে শুরু করে। এই শুষ্কতার ফলে হালকা জ্বালা এবং ফোলাভাব দেখা দিতে পারে, যা শ্বাসনালীকে আরও সংকুচিত করে।
advertisement
1/7

শীতকালে নাক ডাকার সমস্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। ঠান্ডা রাত, শুষ্ক বাতাস এবং অন্যান্য সাধারণ সর্দি-কাশি এই সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। পুরুষদের মধ্যে নাক ডাকা বেশি দেখা যায়, তবে বয়স বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহিলাদের ক্ষেত্রেও এটি আরও খারাপ হতে পারে। অতএব, শীতকালে নাক ডাকা কেন বেড়ে যায় এবং এর পিছনের বিজ্ঞান কী বলে তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ।
advertisement
2/7
বিজ্ঞানীদের মতে, ঘুমের সময় শ্বাসনালী সম্পূর্ণরূপে খোলা না থাকলে নাক ডাকা হয়। ঘুমের সময়, শরীরের পেশীগুলি শিথিল হয়, যার মধ্যে গলা, জিহ্বা এবং তালুর পেশীগুলিও অন্তর্ভুক্ত। যখন এই পেশীগুলি অতিরিক্ত শিথিল হয়ে যায়, তখন শ্বাসনালী সংকুচিত হয়ে যায়। এই সংকীর্ণ পথ দিয়ে বাতাস যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গলার ভিতরের নরম টিস্যু কম্পিত হয় এবং এই কম্পন নাক ডাকার শব্দ তৈরি করে।
advertisement
3/7
শীতের বাতাস কেবল ঠান্ডাই নয়, খুব শুষ্কও। যখন আমরা এই বাতাসে শ্বাস নিই, তখন নাক এবং গলার ভেতরের আস্তরণ শুকিয়ে যেতে শুরু করে। এই শুষ্কতার ফলে হালকা জ্বালা এবং ফোলাভাব দেখা দিতে পারে, যা শ্বাসনালীকে আরও সংকুচিত করে। ফলস্বরূপ, ঘুমের সময় শ্বাস-প্রশ্বাস আরও কম্পিত হয়ে ওঠে, যার ফলে নাক ডাকা আরও জোরে হয়।
advertisement
4/7
শীতকালে সর্দি, অ্যালার্জি এবং সাইনাসের সমস্যা খুবই সাধারণ। নাক বন্ধ থাকলে মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে হতে পারে। মুখ দিয়ে শ্বাস নিলে গলার টিস্যু আলগা হয়, যার ফলে নাক ডাকার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। নাক ডাকার কারণ ব্যক্তিভেদে ভিন্ন। কিছু মানুষের নাক বা গলার গঠন অনন্য থাকে যা তাদের নাক ডাকার প্রবণতা তৈরি করে।
advertisement
5/7
স্থূলতাও একটি প্রধান কারণ। ঘাড়ের চারপাশে অতিরিক্ত চর্বি জমা হলে শ্বাসনালীতে চাপ পড়ে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পেশীর শক্তি হ্রাস পায়, তাই বয়স্কদের মধ্যে নাক ডাকার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। মদ্যপ এবং যারা ঘুমের ওষুধ ব্যবহার করেন তাদের ক্ষেত্রেও এই সমস্যাটি সাধারণ, কারণ এই পদার্থগুলি গলার পেশীগুলিকে অতিরিক্ত শিথিল করে।
advertisement
6/7
নাক ডাকা থেকে মুক্তি পেতে জীবনযাত্রার কিছু পরিবর্তন খুবই সহায়ক হতে পারে। কাত হয়ে ঘুমনো ভাল বলে মনে করা হয়, কারণ এটি শ্বাসনালীকে আরও খোলা রাখে। ঘুমানোর আগে ভারী বা ভাজা খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলুন। শীতকালে, নিশ্চিত করুন যে ঘরের বাতাস খুব বেশি শুষ্ক নয়। হালকা আর্দ্রতা বজায় রাখলে নাক এবং গলা শুষ্ক হওয়া রোধ হয়। উষ্ণ জলের বাষ্প শ্বাস নেওয়ার মাধ্যমে নাক খুলতে এবং শ্লেষ্মা আলগা করতে সাহায্য করতে পারে।
advertisement
7/7
যদি নাক ডাকা অবিরাম এবং জোরে হয়, তাহলে এটিকে উপেক্ষা করবেন না। সময়মতো মনোযোগ দিলে, এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা যেতে পারে, যার ফলে ভাল ঘুম এবং স্বাস্থ্যের উন্নতি হতে পারে। (Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।)
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
Snoring: শীতের রাতে সঙ্গীর নাসিকা গর্জনে ঘুমের দফারফা? রইল সহজ টোটকা! পালাবে নাক ডাকা!