Relationship Tips: দীর্ঘস্থায়ী প্রেম চাই? ভুলেও এই ৬ ভুল নয়
- Published by:Sayani Rana
- news18 bangla
Last Updated:
নিরাপদ বোধ করা যেকোনও সফল এবং সুস্থ সম্পর্কের একটি অপরিহার্য উপাদান। সঠিক সঙ্গী জীবনের দুর্বল মুহূর্তের বিশ্বাস ও ভরসা জুগিয়ে সব সময় হাত ধরে রাখে, পাশে থাকে। সুস্থ সম্পর্ক প্রেম এবং নিরাপত্তা অনুভব করায়।
advertisement
1/8

নিরাপদ বোধ করা যেকোনও সফল এবং সুস্থ সম্পর্কের একটি অপরিহার্য উপাদান। সঠিক সঙ্গী জীবনের দুর্বল মুহূর্তের বিশ্বাস ও ভরসা জুগিয়ে সব সময় হাত ধরে রাখে, পাশে থাকে। সুস্থ সম্পর্ক প্রেম এবং নিরাপত্তা অনুভব করায়।
advertisement
2/8
কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, কখনও কখনও সম্পর্কের ভুলবোঝাবুঝি নিরাপত্তাকে অনেক সময় প্রভাবিত করে, সম্পর্ক খারাপ হয়। এখানে এমনই ছয়টি বিষয়ের ওপর কথা বলা হয়েছে:
advertisement
3/8
বিশ্বাস এবং নিরাপত্তা সুন্দর সম্পর্কের চাবিকাঠি। দম্পতিরা যখন সতাতর সঙ্গে খোলামেলাভাবে কথা বলে, তখন তাদের মানসিক সম্পর্ক ভাল হয়। কিন্তু এর উল্টোটা হলেই সম্পর্কে অবনতি ঘটে, যার ফলে অবিশ্বাস এবং ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়। ফলে গোপনীয়তার পরিবেশ তৈরি করে।
advertisement
4/8
বিশ্বাসঘাতকতা, অসততা এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের মতো নানা বিষয় সম্পর্কে প্রভাবিত করে। ফলে সম্পর্কে গভীর ক্ষত তৈরি করে যা ঠিক করা কঠিন হয়ে পরে। বিশ্বাসঘাতকতা প্রেমহীনতা, অসম্মান এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীণতার সৃষ্টি হয়।
advertisement
5/8
সংবেদনশীল আচরণ না করে একে অন্যের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ চাওয়া কিন্তু সম্পর্কে ক্ষতি করে। এর থেকে আত্মসম্মানে ঘা, ভয়, উদ্বেগ এবং নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি হতে পারে।
advertisement
6/8
শারীরিক নির্যাতনের যেমন আঘাত, ঘুষি, থাপ্পড়-সহ অন্যান্য ধরনের আচরণ সম্পর্কের যথেষ্ঠ অবনতি করে। শারীরিক নির্যাতন শুধুমাত্র শরীরের ক্ষতি করে না বরং মানসিক ক্ষতও তৈরি করে, যা সারাজীবন থেকে যায়।
advertisement
7/8
সঙ্গীকে কখন অবহেলা করা উচিত না। তার যত্ন নেওয়া দরকার। অবহেলা একাকীত্বের অনুভূতি তৈরি করে, যা সম্পর্কের নিরাপত্তাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
advertisement
8/8
আচরণ নিয়ন্ত্রন করা বা কারুর ব্যক্তিত্বের নিয়ন্ত্রণ করতে চাওয়া একদমই উচিত না। এর মধ্যে আর্থিক নিয়ন্ত্রণ রাখা, সঙ্গীকে বন্ধুবান্ধব এবং পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করা বা তাদের একটি নির্দিষ্ট ভাবে আচরণ করার জন্য বাধ্য করা উচিত নয়।