কিছুতেই ওজন বাড়ছে না আপনার সন্তানের? পেডিয়াট্রিশিয়ান জানালেন ৫টি ডায়েট টিপস, যা দ্রুত শিশুকে স্বাস্থ্যবান করবে
- Published by:Tias Banerjee
Last Updated:
Parenting Tips: বাচ্চারা ঠিকমতো না খেলে আজকাল তাদের সময় নিয়ে খাওয়ানোর ফুরসত থাকে না বাবা-মায়ের। অধিকাংশই যে কর্মরত। কিন্তু পুষ্টি না পেলে শিশুর ওজনও বাড়তে চায় না। এই নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন অভিভাবকরা। এই কারণেই শিশু বিশেষজ্ঞ মোহিত শেট্টি দিলেন বিশেষ ৫ খাবারের পরামর্শ। এতে দ্রুত ওজন বাড়বে শিশুর, স্বাস্থ্যও সুন্দর হবে।
advertisement
1/6

বর্তমানে বেশিরভাগ অভিভাবকই সন্তানদের ওজন নিয়ে চিন্তিত। অনেক সময় দেখা যায়, শিশু খেতে নিয়ে খুব একটা বায়না না করলেও বয়স অনুযায়ী তার ওজন বাড়ছে না। এই অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের মনে আশঙ্কা তৈরি হয় যে শিশুটি হয়তো দুর্বল হয়ে পড়ছে। পেডিয়াট্রিশিয়ানদের মতে, শিশুদের ক্ষেত্রে কম ওজন একটি খুবই সাধারণ সমস্যা এবং সঠিক ডায়েটের মাধ্যমে সহজেই তা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
advertisement
2/6
পেডিয়াট্রিশিয়ান ডা. মোহিত শেঠির মতে, শিশুর দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় কিছু নির্দিষ্ট খাবার অন্তর্ভুক্ত করলে ধীরে ধীরে তাদের ওজন বাড়ে এবং এনার্জি লেভেলও উন্নত হয়। তিনি বলেন, জোর করে খাওয়ানোর পরিবর্তে পুষ্টিকর খাবার দেওয়াটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অনেক শিশু কম খায়, কিন্তু উচ্চ ক্যালোরি ও উচ্চ প্রোটিনযুক্ত ডায়েট তাদের ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। তিনি এমন পাঁচটি খাবারের কথা বলেছেন, যা নিয়মিত খাওয়ালে শিশুদের স্বাভাবিকভাবে ওজন বাড়তে পারে। (Representative Image: AI)
advertisement
3/6
প্রথমেই আসে কলা। কলা শিশুদের কাছে সুস্বাদু, ক্যালোরি ও কার্বোহাইড্রেটে সমৃদ্ধ। এটি সহজে হজম হয় এবং তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়। যদি শিশু আলাদা করে কলা খেতে না চায়, তবে কলা দিয়ে মিল্কশেক বানিয়ে দেওয়া যেতে পারে। সকালে নাস্তার সময় কলা খাওয়ানো সবচেয়ে উপকারী বলে মনে করা হয়।
advertisement
4/6
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দই ও পনির। চিকিৎসকদের মতে, এই দু’টি দুগ্ধজাত খাবারই প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের উৎকৃষ্ট উৎস। এগুলি শিশুদের হাড় মজবুত করে এবং ওজন বাড়াতেও সাহায্য করে। পনির ভুর্জি, স্যান্ডউইচ বা পনির পরোটা দেওয়া যেতে পারে, আর দুপুরের খাবারের সঙ্গে দই উপকারী। (Representative Image: AI)
advertisement
5/6
চতুর্থ স্থানে রয়েছে ডিম। ডিমকে প্রোটিনের পাওয়ারহাউস বলা হয়। সেদ্ধ, অমলেট বা ভুর্জি—যে কোনও রূপে ডিম খাওয়ানো যেতে পারে। ডিম শুধু ওজন বাড়াতেই নয়, শিশুকে ভিটামিন ডি এবং শারীরিক বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় নানা পুষ্টি উপাদানও জোগায়। প্রতিদিন না পারলে সপ্তাহে ৩–৪ দিন ডিম দেওয়া যেতে পারে।
advertisement
6/6
বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন বাড়ানোর জন্য জাঙ্ক ফুড বা অতিরিক্ত চিনি জাতীয় খাবার খাওয়ানো ক্ষতিকর হতে পারে। পাশাপাশি, যদি শিশু খুব বেশি কম ওজনের হয়, বারবার অসুস্থ হয় বা একেবারেই বেড়ে না ওঠে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সঠিক ডায়েটের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম এবং শারীরিক সক্রিয়তাও শিশুর সুস্থ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। (Representative Image: AI)
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
কিছুতেই ওজন বাড়ছে না আপনার সন্তানের? পেডিয়াট্রিশিয়ান জানালেন ৫টি ডায়েট টিপস, যা দ্রুত শিশুকে স্বাস্থ্যবান করবে