Ginger Garlic Paste: রান্নাঘরে লুকিয়ে বিপদ! আদা-রসুন পেস্ট আসল না নকল বুঝবেন কীভাবে?
- Published by:Soumendu Chakraborty
- local18
Last Updated:
আদা–রসুন পেস্টের স্বচ্ছতা যাচাই করতে কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি— টেক্সচার মসৃণ কি না, পানির পরীক্ষায় উপরে জল আলাদা হয়ে যাচ্ছে কি না, রঙ স্বাভাবিক আছে কি না, এবং প্যাকেজিংয়ে প্রস্তুতকারকের তথ্য, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কি না—এসব ভালো করে দেখে নেওয়া উচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, সর্বোচ্চ নিরাপত্তার জন্য ঘরেই তাজা আদা ও রসুন দিয়ে পেস্ট তৈরি করাই সবচেয়ে ভালো এবং স্বাস্থ্যসম্মত উপায়।
advertisement
1/6

বাজারে পাওয়া আদা–রসুন পেস্ট সত্যিই খাঁটি কি না—এই প্রশ্ন এখন অনেকের মনেই ঘুরপাক খাচ্ছে। প্রায় প্রতিটি রান্নাঘরে প্রতিদিন ব্যবহৃত এই পেস্টে যদি ভেজাল মেশানো থাকে, তবে তা স্বাস্থ্যের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই কেনার পরেই কয়েকটি সহজ পরীক্ষার মাধ্যমে এর আসল-নকল যাচাই করা সম্ভব বলে উত্তর প্রদেশের বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন। এবার জেনে নেওয়া যাক সেই সহজ উপায়গুলো।
advertisement
2/6
প্রথমেই পেস্টের গঠন বা টেক্সচার খেয়াল করুন। অল্প পরিমাণ পেস্ট হাতে নিয়ে ঘষলে তা একদম মসৃণ ও নরম লাগা উচিত। যদি তা খসখসে, দানাদার বা ছোট ছোট দলার মতো মনে হয়, তবে তাতে স্টার্চ বা অন্য সস্তা উপাদান মেশানো থাকতে পারে। তাই টেক্সচার পরীক্ষা করাই সবচেয়ে সহজ এবং প্রথম ধাপের যাচাই পদ্ধতি।
advertisement
3/6
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো জল পরীক্ষা। একটি পাত্রে সামান্য আদা–রসুন পেস্ট নিয়ে ১০–১৫ মিনিট রেখে দিন। যদি দেখা যায় উপরের দিকে আলাদা করে জল ভেসে উঠছে এবং নিচে ঘন স্তর জমছে, তবে তা ভেজালের ইঙ্গিত হতে পারে। খাঁটি পেস্ট সাধারণত স্থির ও সমজাতীয় থাকে। অতিরিক্ত আর্দ্রতা বা অন্য উপাদান মেশানো থাকলে জল আলাদা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
advertisement
4/6
রঙও একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। স্বাভাবিক আদা–রসুন পেস্ট সাধারণত হালকা বাদামি বা ক্রিম রঙের হয়ে থাকে। যদি পেস্টটি একেবারে সাদা বা অস্বাভাবিকভাবে উজ্জ্বল দেখায়, তবে তা রাসায়নিক দিয়ে ব্লিচ করা হয়েছে কি না—সে সন্দেহ ওঠে। অনেক সময় আকর্ষণীয় রং আনার জন্য অপ্রয়োজনীয় উপাদান মেশানো হতে পারে বলেও শোনা যায়।
advertisement
5/6
প্যাকেটজাত পণ্য কিনলে প্যাকেজিংও ভালো করে খেয়াল করা জরুরি। প্রস্তুতকারকের নাম, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ এবং FSSAI লাইসেন্স নম্বর স্পষ্টভাবে লেখা থাকা উচিত। যে সব পণ্যে তথ্য অস্পষ্ট বা অসম্পূর্ণ, কিংবা অস্বাভাবিকভাবে কম দামে বিক্রি হচ্ছে—সেগুলোর ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা ভালো। মনে রাখতে হবে, মানসম্মত পণ্য তৈরিতে একটি নির্দিষ্ট খরচ থাকে, তাই অত্যন্ত কম দাম অনেক সময় সন্দেহের কারণ হতে পারে।
advertisement
6/6
সম্পূর্ণ নিরাপত্তার জন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ—বাজারের ওপর নির্ভর না করে ঘরেই তাজা আদা ও রসুন দিয়ে পেস্ট তৈরি করাই সবচেয়ে ভালো উপায়। অল্প পরিমাণে বানিয়ে ফ্রিজে সংরক্ষণ করে কয়েক দিনের মধ্যেই ব্যবহার করলে স্বাদ ও গন্ধ দুটোই ভালো থাকে। স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে হলে সচেতনভাবে পণ্য কেনা এবং প্রয়োজন হলে নিজে তৈরি করাই বুদ্ধিমানের কাজ—এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের।
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
Ginger Garlic Paste: রান্নাঘরে লুকিয়ে বিপদ! আদা-রসুন পেস্ট আসল না নকল বুঝবেন কীভাবে?