Ghee Benefits: রোগ প্রতিরোধ থেকে হজম উন্নতি পর্যন্ত! ঘি প্রতিরোধ করে ৮টি রোগকে! কতটা খাবেন প্রতিদিন জানুন
- Published by:Salmali Das
- news18 bangla
Last Updated:
Ghee Benefits: ভারত সরকারের আয়ুষ মন্ত্রকের মতে, ঘি কেবল যেকোনও খাবারের স্বাদই বাড়ায় না বরং এর অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতাও রয়েছে। ঘি উষ্ণতার প্রভাব ফেলে, যা শীতকালে এটিকে অবশ্যই খাওয়া উচিত। এটি শরীরকে উষ্ণ রাখে এবং প্রচুর শক্তি সরবরাহ করে।
advertisement
1/7

ভারত সরকারের আয়ুষ মন্ত্রকের মতে, ঘি কেবল যেকোনও খাবারের স্বাদই বাড়ায় না বরং এর অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতাও রয়েছে। ঘি উষ্ণতার প্রভাব ফেলে, যা শীতকালে এটিকে অবশ্যই খাওয়া উচিত। এটি শরীরকে উষ্ণ রাখে এবং প্রচুর শক্তি সরবরাহ করে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ভারতীয় বাড়িতে ব্যবহৃত দেশি ঘি আজও একই রকম বিশেষ। এটি প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যে পরিপূর্ণ যা আধুনিক জীবনের অনেক সমস্যার সমাধান করে।
advertisement
2/7
ঘি-তে বিভিন্ন ধরণের পুষ্টি উপাদান রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, ই, ডি এবং কে, ওমেগা-৩, ওমেগা-৬ এর মতো স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড, লিনোলিক অ্যাসিড এবং বিউটিরিক অ্যাসিড (যা অন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে), এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য। ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৯ ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদরোগের জন্য অপরিহার্য।
advertisement
3/7
আয়ুর্বেদের মতে, সঠিক পরিমাণে ঘি খাওয়া আপনার জন্য আশীর্বাদ হতে পারে। আপনার খাদ্যতালিকায় পরিমিত পরিমাণে ঘি অন্তর্ভুক্ত করলে স্বাভাবিকভাবেই হাড় শক্তিশালী হয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং মানসিক চাপ কমানো যায়। ঘি ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়ায়।
advertisement
4/7
ঘি হজমশক্তি বৃদ্ধি করে, অন্ত্রকে তৈলাক্ত করে এবং পুষ্টি শোষণে সহায়তা করে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে, যার ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এটি আপনাকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। ঘিতে থাকা ভিটামিন ডি হাড়কে শক্তিশালী করে এবং জয়েন্টের প্রদাহ এবং ব্যথা উপশমে উপকারী হতে পারে। নিয়মিত সেবন অস্টিওপোরোসিসের মতো সমস্যা প্রতিরোধেও সাহায্য করতে পারে।
advertisement
5/7
আজকাল অনেকেই মানসিক চাপ এবং উদ্বেগে আচ্ছন্ন। এমন পরিস্থিতিতে ঘি মনকে শান্ত করে। এটি অনিদ্রা দূর করে এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। কেউ কেউ ত্বক এবং ঠোঁটে ঘিও লাগান। ত্বকে ঘি লাগালে গভীর পুষ্টি পাওয়া যায়। এটি ঠান্ডায় ত্বক এবং ঠোঁটের শুষ্কতা এবং ফাটা রোধ করে। এটি চুলের জন্যও অত্যন্ত উপকারী। নিয়মিত ঘি সেবন ত্বককে নরম, উজ্জ্বল এবং তারুণ্যময় রাখে। এটি বলিরেখা এবং দাগও কমায়।
advertisement
6/7
আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক চামচ ঘি হালকা গরম জল বা দুধের সাথে মিশিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেন। আপনি রুটি, শাকসবজি, ডাল বা খিচুড়িতেও সামান্য ঘি যোগ করতে পারেন। ঘুমানোর আগে ঘি মিশিয়ে গরম দুধ পান করুন। এটি মানসিক চাপ কমায় এবং ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক।
advertisement
7/7
ঘি খাওয়ার সঠিক উপায়: স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘি খাওয়ার পরিমাণ পরিমিত রাখুন। একজন সাধারণ ব্যক্তির জন্য, দিনে ১ থেকে ২ চা চামচ ঘি খাওয়া যথেষ্ট। অতিরিক্ত পরিমাণে কফ বৃদ্ধি করতে পারে। দেশি গরুর ঘি সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর বলে মনে করা হয়। তবে, আপনার জন্য যা ভালো তা খান। ( Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।)
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
Ghee Benefits: রোগ প্রতিরোধ থেকে হজম উন্নতি পর্যন্ত! ঘি প্রতিরোধ করে ৮টি রোগকে! কতটা খাবেন প্রতিদিন জানুন