বাজারে গড়াগড়ি খায় এই 'মাছ'...! কিন্তু ভুলেও খাবেন না, 'মারকারি' ভর্তি, মুখে তোলার আগে জেনে নিন ডাক্তারের পরামর্শ!
- Published by:Sanjukta Sarkar
- news18 bangla
Last Updated:
Fishes: মাছ ছাড়া খাবার অনেকেরই অসম্পূর্ণ লাগে। তবে, এটি মনে রাখা উচিত যে স্বাদ যতটা গুরুত্বপূর্ণ, খাবারের স্বাস্থ্যগত গুণও ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সব ধরণের মাছ স্বাস্থ্যের জন্য সমানভাবে উপকারী নয়। কোন এমন মাছ যা খুবই চেনা অথচ পেতে গেলি হয় চরম ক্ষতি? কোন মাছ খাওয়া ভাল? জানুন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ।
advertisement
1/13

ভারতীয়দের মধ্যে আমিষ খাওয়ারের তালিকায় মাছ নিঃসন্দেহে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। ভোজনবিলাসী বাঙালিদের কাছে মাছ মাত্রেই সুখ! আর এই মৎস্য সুখের জন্যই ফি-দিন বাজারে ছোটেন অনেকে। কারণ, মাছ বাঙালির দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় একটি প্রধান খাদ্য।
advertisement
2/13
দেশের অন্যান্য প্রান্তেও উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের কাছে মাছ তাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এখানকার মানুষ লাঞ্চ হোক বা ডিনার যে কোনও পদেই মাছ খেতে ভালবাসেন।
advertisement
3/13
মাছ ছাড়া খাবার অনেকেরই অসম্পূর্ণ লাগে। তবে, এটি মনে রাখা উচিত যে স্বাদ যতটা গুরুত্বপূর্ণ, খাবারের স্বাস্থ্যগত গুণও ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সব ধরণের মাছ স্বাস্থ্যের জন্য সমানভাবে উপকারী নয়।
advertisement
4/13
আজ আমরা আপনাকে এমন মাছ সম্পর্কে শেয়ার করব যা চেনা হলেও শরীরের জন্য যা প্রায় বিষের মতো। গর্ভবতী মহিলা, বুকের দুধ খাওয়ানো মহিলারা, অথবা যারা মা হওয়ার পরিকল্পনা করছেন তাদের এই মাছ খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। এগুলিতে বিষাক্ত পদার্থ থাকে যা ভ্রূণ, নবজাতক এবং শিশুদের স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। একটি অনলাইন স্বাস্থ্য-প্রশিক্ষণ প্ল্যাটফর্ম, নিউট্রিসেন্স এই মাছ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। এটি সম্পর্কে জানার পরে, আপনি অবশ্যই এই মাছ খাওয়ার আগে দু-বার ভাববেন।
advertisement
5/13
স্যামন, ম্যাকেরেল এবং টুনা মাছের মধ্যে বিশেষভাবে উপকারী মাছ। এগুলিতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এই মাছগুলি রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমায়। এগুলি ভাল কোলেস্টেরল (HDL) বৃদ্ধি করে, যা হৃদরোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাছ খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়।
advertisement
6/13
শিশু, বৃদ্ধ, এমনকি পেটের সমস্যাযুক্ত ব্যক্তিরাও নিরাপদে সামুদ্রিক মাছ খেতে পারেন। সামুদ্রিক এই মাছগুলি ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম, সেলেনিয়াম এবং আয়োডিনে সমৃদ্ধ।
advertisement
7/13
শুধু তাই নয়, এই মাছগুলি প্রোটিনেও সমৃদ্ধ। এটি শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় খনিজ এবং ভিটামিনের ভাণ্ডার। মাছ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, হাড় মজবুত হয় এবং ত্বক সুস্থ থাকে।
advertisement
8/13
অনেকেই ছোট মাছ খান। একটি ভুল ধারণা আছে যে ছোট মাছ বা চাষ করা মাছ বেশি পুষ্টিকর হয়। তবে এর সমর্থনে কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। অন্যদিকে বিশেষজ্ঞদের মতে, তেলাপিয়ার মতো চাষ করা মাছ হরমোন ইনজেকশন দিয়ে বড় করা হয় যা শরীরের জন্য ক্ষতিকারক।
advertisement
9/13
এমনই একটি চেনা হলেও অত্যন্ত ক্ষতিকর মাছ 'তেলাপিয়া'। তেলাপিয়ায় প্রচুর পরিমাণে ক্ষতিকারক চর্বি থাকে। এটি কোলেস্টেরল এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। এটি ডাইবিউটিলিন নামক একটি রাসায়নিকও জমা করে।
advertisement
10/13
এর ফলে হাঁপানি, স্থূলতা এবং অ্যালার্জির মতো সমস্যা হতে পারে। তাছাড়া, এতে ডাইঅক্সিন নামক একটি বিষাক্ত পদার্থও থাকে। এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।
advertisement
11/13
বস্তুত, চাষ করা মাছ প্রায়শই শিল্পজাত কৃষি বর্জ্য খায় যা জলে মিশে যায়। এর ফলে মাছ অত্যন্ত দূষিত হয়ে যায়। এই মাছগুলিতে পাওয়া পারদের মাত্রা মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। পারদ স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা এবং এমনকি মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে। গর্ভবতী মহিলা এবং শিশুদের বিশেষ করে এই ধরনের মাছ এড়িয়ে চলা উচিত।
advertisement
12/13
শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ না করলে গেঁটেবাত এবং কিডনিতে পাথরের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত অ্যালকোহল, মিষ্টি, ফ্রুক্টোজ, রেড মিট ছাড়াও বিশেষ কিছু মাছ (যেমন টুনা) খাওয়া কিন্তু আপনার শরীরে ইউরিক অ্যাসিড বাড়াতে পারে। যদিও সামুদ্রিক মাছ সাধারণত নিরাপদ, তবে এগুলি সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।
advertisement
13/13
অর্থাৎ সামুদ্রিক মাছ খেতে হলে স্যামন এবং ম্যাকেরেলের মতো সঠিক মাছ বেছে নিন। তেলাপিয়ার মতো চাষ করা মাছ এড়িয়ে চলুন। মাছ আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভাল, তবে সঠিক মাছ বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। আপনি সপ্তাহে ২-৩ বার মাছ খেতে পারেন। তবে কেবল পরিষ্কার, দূষণমুক্ত মাছ কিনুন।
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
বাজারে গড়াগড়ি খায় এই 'মাছ'...! কিন্তু ভুলেও খাবেন না, 'মারকারি' ভর্তি, মুখে তোলার আগে জেনে নিন ডাক্তারের পরামর্শ!