Bleeding Gum: ব্রাশ করলেই মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে? সতর্ক সংকেত...! শরীরে বাসা বেঁধেছে কোন রোগ? অবহেলা করলেই শেষ
- Published by:Tias Banerjee
Last Updated:
Gum Bleeding Problem: ব্যস্ত জীবন, কাজের চাপ, সংসারের দায়িত্ব—সবের মাঝে মুখের স্বাস্থ্যের দিকে নজর কমই পড়ে। অথচ সামান্য রক্তপাতও হতে পারে মাড়ির রোগের প্রাথমিক লক্ষণ—যেমন জিঞ্জিভাইটিস বা পেরিওডোনটাইটিস। সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে দাঁত পড়ে যাওয়া, দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ এবং শরীরের অন্যান্য সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাহলে মাড়ি থেকে রক্ত পড়ার নেপথ্যে আসলে কী কারণ?
advertisement
1/11

দাঁত ব্রাশ বা ফ্লস করার পর কখনও কি রক্ত দেখতে পান? প্রথমে মনে হতে পারে—হয়তো জোরে ব্রাশ করার ফল। বেশিরভাগ সময় আমরা জল দিয়ে কুলি করে বিষয়টা ভুলে যাই। কিন্তু মাড়ি থেকে রক্ত পড়া অনেক ক্ষেত্রে ভিতরে লুকিয়ে থাকা বড় সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে, যা অবহেলা করলে পরে বড় খেসারত দিতে হতে পারে।
advertisement
2/11
ব্যস্ত জীবন, কাজের চাপ, সংসারের দায়িত্ব—সবের মাঝে মুখের স্বাস্থ্যের দিকে নজর কমই পড়ে। অথচ সামান্য রক্তপাতও হতে পারে মাড়ির রোগের প্রাথমিক লক্ষণ—যেমন জিঞ্জিভাইটিস বা পেরিওডোনটাইটিস। সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে দাঁত পড়ে যাওয়া, দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ এবং শরীরের অন্যান্য সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাহলে মাড়ি থেকে রক্ত পড়ার নেপথ্যে আসলে কী কারণ?
advertisement
3/11
এই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন Dr. Hariprasad V.R., সিনিয়র রিসার্চ সায়েন্টিস্ট, Himalaya Wellness Company।
advertisement
4/11
মাড়ি থেকে রক্ত পড়ার গোপন কারণগুলি কী কী? ১. মুখের সঠিক যত্নের অভাব নিয়মিত ও সঠিকভাবে দাঁত পরিষ্কার না করলে দাঁত ও মাড়ির উপর ব্যাকটেরিয়ার আঠালো স্তর জমে, যাকে প্লাক বলা হয়। সময়ের সঙ্গে এটি শক্ত হয়ে টার্টারে পরিণত হয়। এতে মাড়িতে জ্বালা, ফোলা এবং ব্রাশ বা ফ্লস করার সময় রক্তপাত শুরু হয়।
advertisement
5/11
২. জিঞ্জিভাইটিস ও পেরিওডোনটাইটিস জিঞ্জিভাইটিস হল মাড়ির রোগের প্রাথমিক স্তর। এতে মাড়ি লাল, ফোলা ও সংবেদনশীল হয়ে পড়ে এবং সহজেই রক্ত পড়ে। এই অবস্থায় চিকিৎসা না করলে তা পেরিওডোনটাইটিসে রূপ নিতে পারে, যেখানে মাড়ি সরে যায় এবং দাঁতের হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তখন অবশ্যই দন্তচিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।
advertisement
6/11
৩. ভিটামিনের ঘাটতি মাড়ি সুস্থ রাখতে সঠিক পুষ্টি জরুরি। ভিটামিন C কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করে, আর ভিটামিন K রক্ত জমাট বাঁধতে গুরুত্বপূর্ণ। এই দু’টির অভাবে মাড়ি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং অতিরিক্ত রক্তপাত হতে পারে। লেবু জাতীয় ফল, শাকসবজি, বেরি ও সবুজ শাক খেলে এই সমস্যা কমতে পারে।
advertisement
7/11
৪. হরমোনজনিত পরিবর্তন গর্ভাবস্থা, ঋতুচক্র বা মেনোপজের সময় হরমোনের ওঠানামায় মাড়ি বেশি সংবেদনশীল হয়ে যায়। এ সময় মুখের পরিচর্যায় অবহেলা, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন বা বমিভাব সমস্যাকে বাড়িয়ে দিতে পারে। আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, গর্ভাবস্থায় ৬০–৭৫ শতাংশ মহিলাই ‘প্রেগন্যান্সি জিঞ্জিভাইটিস’-এ ভোগেন।
advertisement
8/11
৫. রক্ত পাতলা করার ওষুধ কিছু ওষুধ রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, ফলে মাড়ি থেকে সহজেই রক্ত পড়ে। ডায়াবেটিস বা হিমোফিলিয়ার মতো রোগেও এই ঝুঁকি বেশি থাকে।
advertisement
9/11
মাড়ি থেকে রক্ত পড়া কমানোর সহজ উপায় ১. নুন-জল দিয়ে কুলি গরম নুন-জল প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিকের কাজ করে। দিনে কয়েকবার ৩০ সেকেন্ড কুলি করলে প্রদাহ ও রক্তপাত কমতে পারে। ২. সঠিক মুখের পরিচর্যা নরম ব্রিসলের ব্রাশ ব্যবহার করুন। নিম, ডালিম বা ত্রিফলার মতো প্রাকৃতিক উপাদানযুক্ত টুথপেস্ট প্লাক কমাতে ও মাড়ি মজবুত করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ফ্লস করা খুব জরুরি। ৩. ভিটামিন C ও K বাড়ান কমলালেবু, মিষ্টি আলু, লাল ক্যাপসিকাম, গাজর ভিটামিন C-এর ভালো উৎস। পালং শাক, কেল, কলার্ড গ্রিনসে ভিটামিন K থাকে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে সাপ্লিমেন্ট নেওয়া যেতে পারে।
advertisement
10/11
৪. টি ট্রি অয়েল পুলিং টি ট্রি অয়েলের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ মাড়ির সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে। এক–দু’ফোঁটা টি ট্রি অয়েল জল বা নারকেল তেলে মিশিয়ে কুলি করতে পারেন। ৫. হলুদ বাটা হলুদে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গুণ রয়েছে। হলুদ ও জল বা নারকেল তেল মিশিয়ে বাটা করে মাড়িতে লাগিয়ে কয়েক মিনিট রেখে ধুয়ে ফেললে উপকার মিলতে পারে। মাড়ি দাঁতকে ধরে রাখে এবং নিচের হাড়কে সুরক্ষা দেয়—তাই এগুলিই সুস্থ হাসির নীরব নায়ক। মাড়ির সমস্যা উপেক্ষা করলে ধীরে ধীরে তা গুরুতর রোগে রূপ নিতে পারে। নিয়মিত দাঁত-মাড়ির যত্ন, ঘরোয়া উপায়ে প্রাথমিক চিকিৎসা এবং সময়মতো দন্তচিকিৎসকের পরামর্শই দীর্ঘদিন সুস্থ মাড়ি ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের চাবিকাঠি।
advertisement
11/11
**ডিসক্লেমার:** এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত তথ্যগুলি সাধারণ স্বাস্থ্য–সংক্রান্ত সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। এটি কোনওভাবেই চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বা মুখের স্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনও সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে থাকলে বা বাড়তে থাকলে অবশ্যই যোগ্য দন্তচিকিৎসক বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। নিজে থেকে ওষুধ বা চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করা অনুচিত।
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
Bleeding Gum: ব্রাশ করলেই মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে? সতর্ক সংকেত...! শরীরে বাসা বেঁধেছে কোন রোগ? অবহেলা করলেই শেষ